RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Monday, February 13, 2017

আপাতত স্থগিতই থাকছে ৭ মুসলিম-প্রধান দেশের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায়। সানফ্রান্সিসকোর একটি আপিল আদালত সর্বসম্মতভাবে সরকারের আরজি খারিজ করে দিয়েছে শুক্রবার। নিম্ন আদালতের বিচারপতি এই নিষেধাজ্ঞার উপর স্থগিতাদেশ জারির পর জরুরি ভিত্তিতে তা পুনর্বহালের আরজি নিয়ে উচ্চতর আদালতে যায় মার্কিন প্রশাসন। কিন্তু আপিল আদালত মার্কিন প্রশাসনের অনুরোধও নাকচ করে দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে চলেছেন, আমেরিকার সুরক্ষার জন্য ৭টি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ তিনি নিষিদ্ধ করেছেন। রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের জবাবে আদালত মনে করে নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাব আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার উপর পড়েনি। এছাড়াও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের এক্তিয়ার কারও নেই। আদালত ট্রাম্পের এই যুক্তিও মানেনি। বরং আদালত হোয়াইট হাউসকে এটাই বুঝিয়ে দিয়েছে যে, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যদি দেশের সংবিধানকে চ্যালেঞ্জ করে তাহলে তা খতিয়ে দেখার অধিকার আদালতের নিশ্চয়ই আছে। এতসব যুক্তি, তর্ক, সাফাই দিয়েও মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখতে পারলো না মার্কিন প্রশাসন। আদালতের এই রায়কে মানতে চাননি ট্রাম্প। টুইটারে কটাক্ষ করে বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে রাজনীতি করার অভিযোগ এনেছেন। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আদালতের রায় প্রমাণ করে দিয়েছে, এক্তিয়ার লঙ্ঘন করলে খোদ রাষ্ট্রপতির নির্দেশকেও আটকে দেবার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, এতেও দমবার পাত্র নন ট্রাম্প। আগামী সপ্তাহে নতুন আরও একটি প্রশাসনিক নির্দেশিকা জারির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। কিন্তু তার সঙ্গে তিনি একথাও শুনিয়ে রেখেছেন, তিনি বিষয়টি সহজে ছেড়ে দেবেন না। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টেও যাবেন। আপাতত ১৪ দিন সময় রয়েছে ট্রাম্পের কাছে সুপ্রিম কোর্টে যাবার। কিন্তু তার আগে নতুন নির্দেশিকায় কী পদক্ষেপ থাকে সেসবও দেখে নিতে চান ট্রাম্পের সমালোচকরা। কারণ ট্রাম্পের ভিসা-নির্দেশিকা আটকাতে আটঘাট বেঁধে নামতে চান তাঁরা। কিন্তু হোয়াইট হাউসও প্রতিবাদের মুখে পিছিয়ে যেতে নারাজ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সুপ্রিম কোর্টে গেলেও মার্কিন প্রশাসনের পক্ষে রায় বের করে আনা কঠিন। কারণ, আগের দু’টি মামলায় প্রশাসনের বক্তব্য অন্য প্রদেশের আদালতও খারিজ করে দিয়েছে। সুতরাং সুপ্রিম কোর্টে প্রশাসনের বক্তব্য ধোপে টিকবে এমনটা আশা অনেকেই করেন না।

No comments: