RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Monday, February 13, 2017

ইতিপূর্বে ট্রাম্প মেক্সিকো থেকে অভিবাসী আটকাতে পাঁচিল দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তাঁর এই পদক্ষেপে আমেরিকা ও মেক্সিকোর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জটিল অবস্থা তৈরি হয়েছে। মার্কিন নাগরিকরা মনে করছেন ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত আজগুবি। কোনোরকম পরিণতি না ভেবেই আচমকা এ ধরনের সিদ্ধান্তে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, নিরাপত্তার বিপদ ডেকে আনছে না তো? মার্কিন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের একটি প্রতিবেদন সেদিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। আমেরিকা-মেক্সিকোর সীমান্তে পাঁচিল তোলার পাশাপাশি বিস্তৃত এলাকাজুড়ে কাঁটাতারের বেড়াও দিতে হবে। একাজ সমাধা করতে কম করেও সাড়ে তিন বছর লাগবে। আর খরচ হবে ২২ বিলিয়ন ডলার। নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন দু’দেশের সীমান্তে পাঁচিল তুলতে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, খরচের পরিমাণ হবে অনেক বেশি। তাছাড়া পাঁচিল তোলার ব্যয় আমেরিকা একাই বইবে না, মেক্সিকোকেও ব্যয়ের একটি অংশ বহন করতে হবে। কিন্তু মেক্সিকো জানিয়ে দিয়েছে সীমান্তে পাঁচিল তুলতে তারা এক পয়সাও দেবে না। এটা আমেরিকার একতরফা সিদ্ধান্ত। কী করবে আমেরিকা বুঝবে। এদিকে সীমান্তে পাঁ‍‌চিল তোলার হুমকির বিরুদ্ধে মেক্সিকোয় পালটা প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ম্যাকডোনাল্ড, ওয়াল-মার্ট, কোকা-কোলাসহ বহু মার্কিন বহুজাতিক সংস্থার ব্যবসা রয়েছে মেক্সিকোতে। সেখানে তাদের চুটিয়ে ব্যবসা করে বিপুল মুনাফা অর্জনের পথে অন্তরায় তৈরি করেছে ট্রাম্পের নির্দেশ। স্থানীয় ক্রেতারা মার্কিন কোম্পানির পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে। কোটি কোটি ডলার ব্যবসায় লগ্নি করেছে মার্কিন কোম্পানিগুলি। পণ্য বয়কট, মার্কিন কোম্পানিগুলির কোনো কোনো অফিস-বিক্রয় কেন্দ্রে ব্যাপক ভাঙচুর চিন্তায় ফেলেছে তাদের। মার্কিন ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, যে ৭টি মুসলিম-প্রধান দেশের অভিবাসীদের আমেরিকায় ঢোকা আটকাতে ট্রাম্প বিতর্কিত নির্দেশ জারি করেছেন, মেক্সিকোর মতো বিরূপ প্রতিক্রিয়া সেসব দেশেও দেখা দেবে। কারণ, সেসব দেশেও মার্কিন বহুজাতিক সংস্থাগুলির ব্যবসা রয়েছে। পালটা প্রতিক্রিয়ায় বড় ক্ষতির আশঙ্কায় দিন গুণছেন তারা। কিন্তু ট্রাম্প যে এখন নিজেকে রক্ষায় আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত। তাঁর আজগুবি সিদ্ধান্তের ভবিষ্যৎ এখন আদালতে ঝুলছে। ততদিন ভুক্তভোগীদের ভোগান্তি চলতেই থাকবে।

No comments: