RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Thursday, February 16, 2017

অশান্তি-অরাজকতার জয় একবছর রাজ্যে ছাত্রসংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখার পর এবছর ছাত্রসংসদ নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার। হায় প্রহসন, কলেজে ছাত্ররা মতপ্রকাশ করতে পারবে কিনা সেটাও সরকারের নির্দেশের ওপর নির্ভর করে এখন এ বাংলায়! এমনই ভয়াবহ গণতন্ত্র! অবশ্য সরকার ছাত্রসংসদ নির্বাচনের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই যে ছাত্ররা মতপ্রকাশের অধিকার ফিরে পাবে, এমন প্রতিশ্রুতি কেই বা দিয়েছে? তাই মনোনয়নপত্র তোলার দিনগুলোতে কলেজের ধারে কাছে ঘেঁষতেও দেওয়া হয়নি কলেজের ছাত্রদের। পলাশী থেকে নক্শালবাড়ি মনোনয়ন তুলতে গিয়ে মার খেয়ে ফিরে আসতে হয়েছে ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের কর্মীদের। শিক্ষামন্ত্রীর বিধানসভা অঞ্চলেই বেহালা সরশুনা কলেজ। একমাস আগেও শিক্ষামন্ত্রী নিজেই ছিলেন কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি। মনোনয়নপত্র তোলার প্রথমদিন কলেজের ১০০মিটার আগেই গুন্ডাদের ব্যারিকেডে ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসতে হয়েছে এস এফ আই কর্মীদের। দ্বিতীয় দিনে ওরা আবার গেছে। শ’দুয়েকের ব্যারিকেড ঠেলে কলেজে ঢুকেছে। নমিনেশনের লাইনে দাঁড়িয়েছে। একটা একটা করে প্রথম ন’জন ফরম তুলতে না তুলতেই ঘিরে ধরা হয়েছে ওদের। প্রথমে গালিগালাজ। কমরেডরা দাঁড়িয়ে ছিল লাইনে। ধাক্কা। কমরেডরা দাঁড়িয়েই ছিল। কিল, চড়, ঘুসি। কমরেডরা লাইন ছাড়েনি। মনোনয়নপত্র (যে কটা তোলা হয়েছিল) ছাড়েনি। এরপর বেরিয়ে লাঠি, রড। মাঠজুড়ে ছুটিয়ে মারা হলো। বেদম, ভয়াবহ। মাথা ঠুকে দেওয়া হলো কাঁটাতারে। মাথা লক্ষ্য করে ছুঁড়ে মারা হলো ফুলের টব। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন ফুলের তোড়া হাতেই ওরা দাঁড়িয়ে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে। সকালের ফুল বিকেলেই পালটে গেল নির্লজ্জ হামলায়। তারপরেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাটি ছাড়েনি এস এফ আই কর্মীরা। মাটি ছাড়েনি কোচবিহারে। কলেজে গুন্ডাদের হামলা, কাছাড়ি মোড়ের পথ অবরোধে পুলিশের লাঠিচার্জ আর অবশেষে ৩-৫ দিনের জেল হেপাজত। বাড়ি বাড়ি হুমকি, কলেজের সিঁড়ি ‍থেকে শহরজুড়ে তাণ্ডব— এস এফ আই-কে কোতল করার পরিকল্পিত হামলার পরেও লড়াইয়ের মাটিতে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়েছিল শ্রীরামপুর। পাহাড় থেকে সাগর, আমাদের পশ্চিমবঙ্গ। আমাদের ‘স্বাধীনতা গণতন্ত্র সমাজতন্ত্র’-র পতাকা।

No comments: