RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Monday, November 30, 2015

TOTAL DESTRUCTION OF INDUSTRY IN WEST BENGAL BY MAMATA BANERJEE **************************************************কলকাতা, ২৮শে নভেম্বর — এভাবেও পিছিয়ে পড়া যায়, জানাচ্ছে মমতা ব্যানার্জির সরকার। পশ্চিমবঙ্গে ২০১৪-র এপ্রিল থেকে ২০১৫-র মার্চ — এই এক বছরে রুগ্‌ ণ হয়েছে ১৫ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প সংস্থা। আর মমতা ব্যানার্জির মুখ্যমন্ত্রিত্বের চার বছরে রাজ্যে ৩০ হাজারের বেশি ছোট, ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্প রুগ্‌ণ হয়েছে। রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে এই খবর জানা গেছে। এই প্রবল অধোগতির প্রভাব পড়েছে কর্মসংস্থানে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পই ছিল রাজ্যের মানুষের কাজের সুযোগের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। বামফ্রন্ট সরকারের সময়কালে রাজ্যে রুগ্‌ণ শিল্প সংস্থার সংখ্যা নিয়ে নানা প্রচার করতেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা। বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন সংখ্যা তাঁরা বলতেন। কিন্তু তাঁদের সরকারের মেয়াদপূর্তির আগে রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করতে গিয়ে বামফ্রন্ট সরকারের সময়কালের রুগ্ ণ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প সংস্থা সম্পর্কেও এক আশ্চর্য তথ্য ‘আবিষ্কার’ করেছে প্রশাসন। রাজ্যের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯-র মার্চ থেকে ২০১১-র মার্চের মধ্যে রাজ্যের রুগ ণ ছোট এবং ক্ষুদ্র শিল্পে এক বিপুল উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছিল। এই প্রসঙ্গে তথ্য জানাতে গিয়ে ওই দপ্তরের এক অফিসার জানিয়েছেন,‘‘আমরা দেখছি ২০০৯-র মার্চের শেষে রাজ্যে রুগ্ন ছোট এবং ক্ষুদ্র শিল্প ছিল ২১হাজার ৪১৬টি। ২০১১-র মার্চে তা দাঁড়িয়েছিল মাত্র ৭৯০৪-এ। ওই সময়ে রুগ্ন মাঝারি শিল্প সংস্থা ছিল ৪১৬টি।’’ অর্থাৎ মমতা ব্যানার্জির সরকারি তথ্য মোতাবেক — ২০০৬-০৭ পরবর্তী সময়ে বড় শিল্পের সম্ভাবনাকে ভিত্তি করে রাজ্যের মাঝারি, ছোট ও ক্ষুদ্র শিল্পে যে প্রাণ সঞ্চার হয়েছিল, মমতা ব্যানার্জির মুখ্যমন্ত্রিত্বে সেই রেখচিত্র ঠিক উলটোদিকে দৌড়েছে আশঙ্কাজনক গতিতে। এই শিল্পগুলি সংক্রান্ত দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে শনিবার এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া জানাতে চাননি। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিটি দপ্তরের হাল নিয়ে পুস্তিকা প্রকাশ করবেন মমতা ব্যানার্জি। সরকারি খরচে প্রকাশিত পুস্তিকাগুলি মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচারে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা আছে। শুধু তাই নয়, ২০১৬-তেও আর একটি প্রশাসনিক ক্যালেন্ডার প্রকাশের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সেই উদ্দেশ্যেও পরিসংখ্যান সংগ্রহের কাজ করছে রাজ্যের তথ্য ও পরিসংখ্যান দপ্তর। সব দপ্তরের রিপোর্ট এখনও জমা পড়েনি। তবে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি দপ্তরের মত কিছু দপ্তর তাদের রিপোর্ট পাঠিয়েছে। সেই রিপোর্টে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার সূত্রও উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। আর সেই তথ্য সংবলিত রিপোর্টের ভিত্তিতেই স্পষ্ট — রাজ্যে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের দুরবস্থা চরমে। এই ক্ষেত্রে দুটি বিষয়কে মূল বাধা বলে উল্লেখ করছেন ওই দপ্তরের আধিকারিকরা। তাঁদের মতে, বড় শিল্পের অভাবে ছোট, মাঝারি শিল্পের বেড়ে ওঠার উপযুক্ত পরিবেশই রাজ্যে নেই। দ্বিতীয়ত, ছোট, মাঝারি শিল্পের জন্য বিভিন্ন পার্কসহ যে পরিকাঠামো গড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রাজ্য সরকার দিয়েছিল তার বেশিরভাগই হয়নি। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিও পশ্চিমবঙ্গের ছোট, মাঝারি উদ্যোগপতিদের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। কারণ ‘টাকা জলে যাওয়ার’ ভয়ে। রাজ্যের স্টেট লেভেল ব্যাঙ্কার্স কমিটির সদস্য, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শীর্ষ পদাধিকারী শনিবার জানিয়েছেন,‘‘২০১৫-র মার্চে রুগ্‌ণ ওই ধরনের সংস্থাগুলির কাছে বকেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৮১৪ কোটি ৩৩লক্ষ টাকা। ২০১৩-র মার্চে তা ছিল ১৬৩২ কোটি টাকার মতো। কী হারে সংস্থা রুগ্ন হচ্ছে, আর আমাদের আউটস্ট্যান্ডিংয়ের পরিমাণ কী ভাবে বাড়ছে, তা বুঝতে পারছেন?’’ সম্মিলিত সঙ্কটে মুখ থুবড়ে পড়ছে রাজ্যের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম প্রধান ক্ষেত্রটি। প্রসঙ্গত, গত সাড়ে চার বছরে রাজ্যে কোনও বড় শিল্প হয়নি। গত দু’ বছর ধরে মমতা ব্যানার্জিও শিল্প নিয়ে নিজের প্রচার কৌশল বদলেছেন। ইদানীং তিনি বারবার বলছেন যে, তাঁর সরকার ছোট, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে জোর দিয়েছে। কিন্তু সেই কাজে গতির বদলে প্রবল অধোগতি এসেছে। ২০১১-র মার্চের শেষে রাজ্যে রুগ্ন ছোট, ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্প সংস্থার সংখ্যা ছিল ৮৩৬৫। এর মধ্যে মাঝারি সংস্থা ছিল ৪৬১টি। ২০১৫-র মার্চের শেষে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮হাজার ৮৩৫টি। গত তিন বছরে এই শিল্পের রুগ্‌ণতা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। ২০১৩-র মার্চের শেষে রাজ্যে রুগ্ন শিল্পের সংখ্যা ছিল ১১হাজার ৫১৭। ২০১৪-র মার্চের শেষে তা দাঁড়িয়েছিল ২৩হাজার ৬২টিতে।

কাটোয়া, ২৮শে নভেম্বর — পশ্চিমবঙ্গে শাসকের পরিবর্তন অবাম সংস্কৃতিকে বোঝবার সুযোগ করে দিয়েছে। বামফ্রন্ট ও বর্তমান তৃণমূলের শাসন দুই আমলের শিক্ষাব্যবস্থার তুল্যমূল্য বিচারের সুযোগও এসেছে। ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক সকল অংশের মানুষ এই পরিবর্তনের যে গুণগত চরিত্র উপলব্ধি করেছেন তা নেতিবাচক। পরিবর্তনের আগে অভিযোগ ছিলো শিক্ষায় দলীয় নিয়ন্ত্রণের। এখন যা চলছে তা দখলতন্ত্র। যা কায়েম করা হয়েছে ‘আরাবুল সংস্কৃতির’ মাধ্যমে। বাম আমলে শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি তুলে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিয়মে শিক্ষক নিয়োগ চলছে। টাকা নেওয়া হচ্ছে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্যও। পরীক্ষায় অন্য উপায়ে পাশ করার প্রবণতা সর্বকালের। কিন্তু এখন তা অধিকারে পরিণত হয়েছে। নৈরাজ্যের ব্যাপকতা প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত। পরিস্থিতি সম্পর্কে সকলেই আজ সর্বত্র অসন্তোষ দানা বাঁধছে। কিন্তু শুধু অসন্তোষ তৈরি হলেই পরিবর্তন হয় না। পরিবর্তনকে অনিবার্যতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার সাথে যুক্ত সকলের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। লড়াইয়ের ক্ষেত্রকে নির্দিষ্ট করতে হবে। নিজেদের যুক্ত করতে হবে। লড়াই আক্রান্ত হলে বুঝতে হবে আমরা সঠিক পথে চলছি।

এই রাজ্য থেকে উৎখাত করুন তৃণমূলের সরকারকে। আপনার বেঁচে থাকার কোন দাবি আদায় সম্ভব নয় যতক্ষণ নবান্নে বসে আছে এই সরকার। এই সরকারকে উচ্ছেদ করেই গরিব, সাধারণ মানুষ, শ্রমিক-কৃষকের দাবি আদায় করতে হবে। যতক্ষণ না এই সরকারকে ছুঁড়ে ফেলতে পারবেন ততক্ষণ পর্যন্ত জনজীবনের দাবি আদায় করা যাবে না।

Sunday, November 29, 2015

কাটোয়ায় ট্রেনে মহিলা যাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় সব অভিযুক্ত ছাড়া পেয়ে যাওয়ায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সারাভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির রাজ্য সম্পাদিকা মিনতি ঘোষ ও সভানেত্রী অঞ্জু কর।

Ganashakti



কলকাতা, ২৯শে নভেম্বর — সম্পর্কে দু’জনে বাবা এবং ছেলে। দু’জনেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। কলেজ থেকে বিধানসভা, লোকসভার নির্বাচন — দু’জনেই ঘাসফুলের বিশ্বস্ত ‘মেশিনারি’। ইরশাদ আনসারি এবং আসফাক আনসারি নামে ওই দু’জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ মারাত্মক — পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আই এস আই-র এজেন্ট হিসাবে দেশবিরোধী কাজের চক্রান্ত করা। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ওই দু’জনকে রবিবার গ্রেপ্তার করেছে কলকাতার স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। তাদের এক আত্মীয় জাহাঙ্গীরও গ্রেপ্তার হয়েছে।

Ganashakti



FALTA RAPE - ফলতায় ১১দিন আটকে রেখে অত্যাচার করা হয়েছিল এক ছাত্রীকে। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছিলেন অন্তঃসত্তা ধরাপড়ার পর কেন ধর্ষণের অভিযোগ আনা হলো? কাটোয়ার ঘটনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন সেই রির্পোটের ভিত্তিতে হাইকোর্টে নিয়ে যেতে হবে এই মামলা। সারা দেশে ধর্ষণের অভিযোগই সব থেকে বেশি গুরুত্ব পায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে ধর্ষণের ঘটনা ও তার অপরাধীদের আড়াল করাই পুলিশের কাছে সব থেকে বেশি গুরুত্ব পায়। ধর্ষণের থেকে এই মনোভাব কম অপরাধ নয়। এজন্য শাসকদল ও মুখ্যমন্ত্রীকেও শাস্তি পেতে হবে।

PARK STREET RAPE -পার্ক‍ স্ট্রিটের ঘটনায় ধর্ষিতার চরিত্রে কালি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মন্ত্রীরাও ছিলেন সেই চেষ্টায় ব্যস্ত। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে মিথ্যা প্রমাণ করে অপরাধীদের ধরে ফেলেন। দোষীদের ধরার অপরাধে গোয়েন্দা প্রধানকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়। তাকে সরিয়ে দেওয়া হয় ঐ পদ থেকে। ফলে তদন্ত দীর্ঘায়ি‌ত হয়েছে। সদ্য শেষ হয়েছে পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণের সওয়াল। ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ধর্ষিতার। এই রায়ও কাটোয়ার পুনরাবৃত্তি হবে কিনা তা আমাদের জানা নেই। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পার্ক স্ট্রিট, কাটোয়া, ফলতা সব ঘটনাই ছিল সাজানো।

NO JUSTICE TO KATWA RAPE VICTIM - অভিযোগকারিণী তাঁর স্বামীকে হারিয়েছিলেন ঐ ঘটনার ১১বছর আগে ২০০১ সালের সেপ্টেম্বরে। তিনি গাছে উঠে পেয়ারা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মারা যান। তাছাড়া ঐ মহিলার পরিবার এলাকায় কংগ্রেস ও তৃণমূলের সমর্থক বলে পরিচিত। সেকথা তৃণমূলেরই ব্লক সভাপতি স্বীকার করেছেন। ঐ ব্লক সভাপতিরও বয়ান বদল হয় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। প্রথমে তিনি বলেছিলেন, ‘ভয়ঙ্কর ঘটনা। পুলিশ ও রেল কর্তৃপক্ষকে যতদ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছি।’ মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পর তিনিই বলেন, ‘‘চক্রান্ত সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী যা বলে‍‌ছেন তা ঠিকই বলেছেন বলে এখন আমাদের মনে হচ্ছে, পূর্ণাঙ্গ ফরেনন্সিক রির্পোট আসার আগেই রাজ্য পুলিশের ডিজিও মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সায় দিয়ে জানিয়ে দেন, মেডিক্যাল টেস্টে কিছু পাওয়া যায়নি। অত্যাচারিতা তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী কিছু না করতে পারেন তবে লোকসমাজে আমাকে হেয় করবেন না। মুখ্যমন্ত্রী ঐ ধর্ষিতার প্রতি ন্যূনতম সহানুভূতিও দেখাননি।

RAPE AT KATWA - মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেছিলেন, ‘‘সব সি পি এম’র চক্রান্ত করে সাজানো।’’ অভিযোগকারিণী মহিলা বলেছে তার স্বামী সি পি এমের সমর্থক।’’ মুখ্যমন্ত্রীর এই বিবৃতির পর কোনো তদন্তকারী অফিসারের পক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রকৃত তদন্ত সম্ভব? মুখ্যমন্ত্রীর এই বিবৃতিই পুলিশের কাছে নির্দেশের শামিল। সেই আদেশ হনঃ ধর্ষণের ঘটনা যে হয়নি তা প্রমাণ করা। রাজ্যের পুলিশ দলদাসের মতো মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ পালন করেছে।

২০১২ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি কাটোয়া-আমোদপুর ন্যারোগেজ লাইনে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পার্ক স্ট্রিটের পর কাটোয়ার ধর্ষণের ঘটনাও মানতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘শুনেছি একটি রাজনৈতিক দল ও তার বন্ধুরা ধর্ষণ, ধর্ষণ বলে চিৎকার করছে। ঘটনাটা সত্যি কিনা তা দেখতে হবে। এসব ঘটনা যারা সাজাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিন বছর মামলা চলার পর কাটোয়া ধর্ষণে অভিযুক্ত অপরাধীরা বেকসুর খালাস পেল আদালতে। বিচারক তার রায়ে জানিয়েছেন, সরকারি আইনজীবী প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমাণ দিতে পারেননি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। অপরদিকে সরকারি আইনজীবী বলেছেন, সমস্তরকম তথ্য প্রমাণ দেওয়া সত্ত্বেও এই মামলায় প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। বিচারক না আইনজীবী কার বক্তব্য সঠিক? কাটোয়া ধর্ষণ মামলায় নিম্ন আদালতের রায়কে ঘিরে অনেক প্রশ্ন উঠে আসছে। পুলিশের তদন্ত রিপোর্টকে ভিত্তি করেই সরকারি আইনজীবীকে মামলা লড়তে হয়। ফলে তদন্ত রিপোর্ট ক্রটিপূর্ণ হলে অপরাধীরা রেহাই পেতেই পারেন। আসলে তিন বছর আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মামলায় তার রায় শুনিয়ে দিয়েছিলেন।

The Centre’s ham-handed determination to make the transition to a GST regime, despite opposition from the States, will only make corporates richer at the expense of ordinary citizens.

Taxing dilemma | Frontline



Saturday, November 28, 2015

পার্কস্ট্রিট কাণ্ডের পরে তখন রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল এই কাটোয়া ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে। ঘটনার মাত্র ৭২ঘণ্টার মাথায় মহাকরণে দাঁড়িয়েই ধর্ষিতা মহিলার অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রীবলেছিলেন, ‘ জেনে রাখুন মেডিক্যাল টেস্টে কিছু পাওয়া যায়নি।...শুনে রাখুন ঐ মহিলাই বলেছে যে আমার স্বামী সি পি এমের সমর্থক। এটা প্ল্যান করে সি পি এম সাজাচ্ছে’।

https://www.blogger.com/blogger.g?blogID=3653762723127277952#editor/src=sidebar

Burdwan, Nov. 27: All five accused in a 2012 Burdwan rape that was dubbed "sajano ghatona (fabricated incident)" by the chief minister were today acquitted, hours after which the public prosecutor submitted his resignation.

http://www.telegraphindia.com/1151128/jsp/bengal/story_55566.jsp#.VllkfNIrK1s

RAPE AT KATWA - বর্ধমান, ২৭শে নভেম্বর- ভরা এজলাসে বিচারকের রায়ের প্রথম লাইন শুনেই উল্লসিত হয়ে হাত ছুঁড়তে শুরু করে দিলেন কাটোয়া ধর্ষণকাণ্ডে এক অভিযুক্ত। হতবাক, নিস্তব্ধ গোটা আদালত কক্ষ। বিচারকের রায় তখনও সম্পূর্ণ হয়নি। কিন্তু তার আগেই যেভাবে এক অভিযুক্ত উল্লাস করতে শুরু করলেন, সেই দৃশ্যই যেন মুহূর্তে আজকের পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা, নির্যাতিতার অসহায়তার এক নিদারুণ বিজ্ঞাপন হয়ে উঠলো। নির্যাতিতা মহিলা নিজে বয়ান দিয়েছেন, প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে থাকা তাঁর একমাত্র কন্যাও সাক্ষীর বয়ান দিয়েছিলেন। তারপরেও ‘উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে’ কাটোয়ায় ট্রেনে ধর্ষণকাণ্ডে শুক্রবার ৫জন আসামি বেকসুর খালাস পেয়ে গেলো। নির্যাতিতা টি আই প্যারেডে আসামিদের চিনিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও কীভাবে অভিযুক্তরা বেকসুর মুক্তি পেয়ে গেলো তা নিয়ে আদালত চত্বরেই ক্ষোভ তৈরি হলেও তাতে বিস্মিত নন অনেকেই। কেননা এদিন বর্ধমানে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচারক আনুষ্ঠানিকভাবে রায় দিলেও এই মামলার ‘বিচার’ হয়ে গিয়েছিল তিন বছর আগে ২৮শে ফেব্রুয়ারিতেই। পার্কস্ট্রিট কাণ্ডের পরে তখন রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল এই কাটোয়া ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে। ঘটনার মাত্র ৭২ঘণ্টার মাথায় মহাকরণে দাঁড়িয়েই ধর্ষিতা মহিলার অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রীবলেছিলেন, ‘ জেনে রাখুন মেডিক্যাল টেস্টে কিছু পাওয়া যায়নি।...শুনে রাখুন ঐ মহিলাই বলেছে যে আমার স্বামী সি পি এমের সমর্থক। এটা প্ল্যান করে সি পি এম সাজাচ্ছে’। চলন্ত ট্রেনে নিজের মেয়ের সামনে এক মহিলাকে ধর্ষণের ঘটনার পরে যেভাবে দুষ্কৃতীদের পাশে অবলীলায় দাঁড়িয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সেদিনই যেন কাটোয়াকাণ্ডের ‘রায়’ ঠিক হয়ে গিয়েছিল! স্বামী সি পি আই(এম) করলে স্ত্রী যদি ধর্ষিতা হন তাহলে কী তা কোন অপরাধ বলে বিবেচিত হবে না এরাজ্যে, এই প্রশ্ন ওঠার আগেই ঐ নির্যাতিত মহিলাই জানিয়েছিলেন, ‘আমার স্বামী ১১ বছর আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন, তখন মেয়ের বয়স ছিল ১৪ দিন’। অভিযোগকারিণীর পাশে দাঁড়িয়ে দলনেত্রীর মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করায় চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই পদ খোয়াতে হয়েছিল কেতুগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের তৎকালীন তৃণমূল সভাপতি বিকাশ মজুমদারকে৷ সরকার, প্রশাসনিক প্রধানের এই মনোভাবই যে এরাজ্যের আইনশৃঙ্খলার আসল বিপদ তা উল্লেখ করেই এদিন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, কাটোয়ায় অভিযুক্তরা বেকসুর খালাস পেয়ে গেছে। কারণ পুলিশ প্রশাসন কোন তদন্তই করছে না। দোষীরা কোথাও শাস্তি পাচ্ছে না। কারণ মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রীরা ছোট ঘটনা , সাজানো ঘটনা বলে আগাম মন্তব্য করে দিচ্ছে, তারপরে পুলিশ আর কী তদন্ত করবে। পার্কস্ট্রিট কাণ্ডেও আমরা তা দেখেছি। মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। গোটা ঘটনায় তীব্র ধিক্কার জানিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্য মিশ্র বলেন, ‘কাটোয়াকাণ্ডে সব অভিযুক্তরা বেকসুর খালাস পেয়ে গেলো তথ্য প্রমাণের অভাবে!এই ঘটনাকেই তো মুখ্যমন্ত্রী সাজানো ঘটনা বলেছিলেন, তাহলে তো বোঝাই গেলো কীভাবে এসব হয়’। আর একমাত্র কন্যাসন্তানকে নিয়ে প্রতিদিনকার বেঁচে থাকার লড়াই লড়তে থাকা কেতুগ্রামের অম্বগ্রামের সেই নির্যাতিতা মহিলা কী বললেন? এদিন বিকালে বর্ধমান আদালতের রায় শোনার কার্যত ভেঙে পড়েছেন তিনি। শুধু বললেন, ‘ কী আর বলতে পারি? নিজের সম্মান কেউ বিক্রি করতে চায়, কেউ এভাবে নিজেকে ধর্ষিতা সাজাতে পারে এমনি এমনি? মুখ্যমন্ত্রী তো মহিলা, উনিও বুঝলেন না এক মহিলার যন্ত্রণা’। তারপরেই কিছুটা ভয়ের সুরেই জানালেন, ‘আমি আমার মেয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি গ্রামে, ঘর থেকে এখন বাইরে বেরোতে ভয় লাগছে, সবাই তো ছাড়া পেয়ে গেলো,আমার মেয়েটার জন্যই এখন আরও দুশ্চিন্তা হচ্ছে’। ২০১২সালে ২৫শে ফেব্রুয়ারি কাটোয়া – আমোদপুর ছোটলাইনে অম্বলগ্রাম ও পাঁচুন্দির মাঝে ট্রেন থামিয়ে ডাকাতি ও এক মহিলাকে তাঁর ১১বছরের মেয়ের সামনে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে দুষ্কৃতীরা। ডাকাতি সেরে চলন্ত ট্রেনেই মা-কে যখন ধরে নিয়ে যাচ্ছে দুষ্কৃতীদল সেই মুহূর্তে চিৎকার করে উঠেছিল ১২বছরের বাণী। সাথে সাথে দুষ্কৃতীরা তাঁর কপালে রিভলবভার ঠেকিয়ে হুমকি দিয়েছিল আওয়াজ করলেই মেরে ফেলবো। সেই রাতে বাণীর সামনেই তাঁর মায়ের ওপর পাশবিক অত্যাচার চালায় দুষ্কৃতীরা। তাঁদের কয়েকজনের মুখে কাপড় ঢাকা থাকলেও দু-একজনের মুখ খোলা ছিল। সেই হিংস্র মুখগুলোর কথা মনে পড়লেই ভয়ে, আতঙ্কে এখনও কেঁপে উঠছে বাণী। অথচ ‘উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে’ এদিন কাটোয়ায় ট্রেনে ধর্ষণকাণ্ডে ৫জন আসামি বেকসুর খালাস পেয়ে গেলো। নির্যাতিতা টি আই প্যারেডে আসামিদের চিনিয়ে দেওয়ার পরেও, নির্যাতিতার উপর ধর্ষণের ঘটনা ডাক্তারি পরীক্ষায় প্রমাণের পরও কীভাবে তথ্য প্রমাণের অভাব ঘটলো, গুরুতর প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা। পুলিশ প্রথমে মামলাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের ধারা যুক্ত করলেও, টি আই প্যারেড নির্যাতিত অভিযুক্তদের চিনিয়ে দিলেও, নির্যাতিতা ও তাঁর মেয়ে বয়ান দিলেও শেষমেশ বিচার চলাকালীন পুলিশ নাকি প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমাণ জমা দিতে পারলো না। সরকারি আইনজীবীও নাকি প্রয়োজনীয় সওয়াল করতে পারলেন না। বর্ধমান আদালতের একাংশের আইনজীবীদের অভিযোগ, সরকারের প্রধান যদি সাজানো ঘটনা বলে তাহলে আর সরকারি আইনজীবী কী করে সওয়াল করবেন। এই রায়ের পরেই তাই নাটকীয়ভাবে তথ্য প্রমাণ হাজির করতে না পারার ‘ব্যর্থতা’ মাথায় নিয়ে সরকারি আইনজীবীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন কাঞ্চন মুখার্জি। পুলিশি ব্যর্থতাতেই অভিযুক্তরা ছাড়া পেয়ে গেলেও পুলিশের তরফে নিম্ন আদালতে রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কোন কথা এদিন রাত পর্যন্ত জানা যায়নি। ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় আদালত ভাবে জি আর পি’র তরফে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কেতুগ্রাম দুটি মামলাকে একত্রিত করে তদন্ত চালায়। জি আর নং ৩৮/১২। চার্জশিট জমা পড়ে। তাতে ডাকাতির পাশাপাশি দলবদ্ধ ধর্ষণের ধারা যুক্ত করা হয়। রেজাউল মির্জা, নয়ন সেখ, ফরিদ সেখ, স্বপন সেখ, কালেম সেখ, নূর মহম্মদ, সেন্টু সেখ ও কায়েত সেখ সহ ৮জনকে অভিযুক্ত করা হয়। যদিও তিন বছর কেটে গেলেও পুলিস অন্যতম অভিযুক্ত কায়েত সেখকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ৮জনের মধ্যে সাতজন গ্রেপ্তার হয়। তার মধ্যে দুজন (ফরিদ ও কালেম শেখ) জামিনে থাকার সময় পথ দুর্ঘটনায় মারা যায়। বাকি পাঁচজনের মধ্যে শেষপর্যন্ত চারজন জেলে ছিল, একজন জামিনে মুক্ত ছিল। মোট ৩৯জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয় মামলায়। এদিন কাটোয়ার ফাস্ট ট্রাক কোর্টে ভিড়ে ঠাসা এজলাসে বিচারক কাজী আব্দুল হাসেম এই কেসের রায় দিতে গিয়ে প্রথমেই বলেন উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের অভাবে সবাই বেকসুর খালাস। এরপরেই এক অভিযুক্ত আদালত কক্ষেই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। তাতে মৃদু ভর্ৎসনাও করেন বিচারক। পরে রায়ের সম্পূর্ণ বয়ান পাঠ করে বলেন পুলিস ও সরকারি আইনজীবী উপযুক্ত প্রমাণ দিতে পারেনি। রেল ডাকাতি ও ধর্ষণ হয়েছে ঠিকই কিন্তু তাতে এই ব্যক্তিরাই যুক্ত সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ দাখিল করতে পারেননি সরকারি আইনজীবী। এরাজ্যের বুকে ধর্ষনের ঘটনায় এভাবে মুখ্যমন্ত্রীর সাফাই কিংবা অভিযুক্তদের পক্ষে দাঁড়ানোর ঘটনা যদিও সেই কাটোয়াকাণ্ডেই থেমে নেই।পার্কস্ট্রিটের ঘটনাতেও মুখ্যমন্ত্রী বেমালুম বলেছিলেন ‘সাজানো ঘটনা’, তা মিথ্যা প্রমাণ করায় শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছিল তৎকালীন গোয়েন্দাপ্রধান দময়ন্তী সেনকে। তৃণমূলী সাংসদ অর্পিতা ঘোষের নিদান ছিল, এটা পারসেপশনের সমস্যা। আরেক তৃণমূলী মহিলা সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার পার্কস্ট্রিট কাণ্ডকে গ্রাহকের সঙ্গে মহিলার বচসা বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। -------------------------------- আদালত কক্ষেই উচ্ছ্বাস অভিযুক্তের -------------------------------------------------- নাটকীয়ভাবে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা সরকারি আইনজীবীর ----------------------------------------------------------- তিনবছর আগে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যেই লেখা হয়ে গিয়েছিল কাটোয়া কাণ্ডের পরিণতি --------------------------------------- অভিযুক্তরা ছাড়া পাওয়ায় আতঙ্কিত নির্যাতিত, ‘মুখমন্ত্রী মহিলা হয়েও বোঝেন না মহিলার যন্ত্রণা’আক্ষেপ নির্যাতিতার

Ganashakti



কলকাতা, ২৭শে নভেম্বর— রাজ্যজুড়ে গণআন্দোলনকে একজোট করার লক্ষ্য নিয়ে পথচলার নির্ধারিত কর্মসূচি প্রায় শেষ হয়ে এলো। থামলো না মানুষের রুটিরুজির দাবি তোলা জাঠার ওপর হামলা, আক্রমণের নজির। ‘অপরাধ’ মানুষের সমস্যার কথা সোচ্চারে তুলে ধরা। আর সেই ‘অপরাধে’ হুগলীর গোঘাটে জাঠামিছিল পা মেলানো বামকর্মীর ওপর নৃশংস আক্রমণ চালালো তৃণমূলীরা। কিন্তু হামলা, আক্রমণ সত্ত্বেও থামছে না জাঠার গতিপথ। বরং রাজ্যের মানুষের কাছে ক্রমে অতি পরিচিত হয়ে ওঠা ‘জাঠা’য় শামিল মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।

Ganashakti



MAMATA DECLARES WARD ON CBI - আবার সি বি আই-র বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মমতা নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ২৬শে নভেম্বর — সি বি আই জুজু পিছু ছাড়ছে না বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। মদন মিত্রের জামিন খারিজ হয়ে যাবার পর আবার নতুন করে সি বি আই-কে আক্রমণ শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার শহীদ মিনার ময়দানে সংখ্যালঘুদের জমায়েতে একদিকে যেমন বি জে পি-র বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী তেমনি শাহরুখ খান, মিঠুন চক্রবর্তী প্রসঙ্গ টেনে ‍‌সি বি আই-কে একহাত নিলেন তিনি। বললেন, ‘শুধু ওরাই কথা বলবে। অন্য কেউ কথা বললে তাঁকে সি বি আই, ই ডি-র ভয় দেখাবে। আমার পিছনে যত পার সি বি আই লাগাও। ভালো তো জেলে যাব! কয়েকদিন বিশ্রাম পাব।’ মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ মিঠুন চক্রবর্তী আমার সাংসদ। সে আমার সঙ্গে কথা বলতে ভয় পায়। প্রসঙ্গত, তৃণমূল সাংসদ মিঠুন চক্রবর্তীর নাম জড়িয়েছে সারদা কাণ্ডে। তারপর তাঁকে আর্থিক বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে দু’বার ই ডি তলব করে। দিল্লিতে জিজ্ঞাসবাদ করা হয়। আই পি এল-এ কলকাতা নাইট রাইডার্সের কর সংক্রান্ত একটি মামলায় শাহরুখ খানকে নোটিস পাঠায় ই ডি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার শাহরুখ খান। ওকে বলছে পাকিস্তানের লোক। ‍‌ ওর পিছনে ই ডি লাগিয়ে দিয়েছে। তাকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’ গতকালের খবর, শাসকদলের তরুণ নেতা মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ শঙ্কুদেব পান্ডাকেও ফের সি বি আই তলব করেছে। সি বি আই-এর সাম্প্রতিক এই তৎপরতায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। তাই এদিন সংখ্যালঘু জমায়েতকে হাতিয়ার করে তিনি বলেন, মনে রাখবেন বেশি সাহস যেন দুঃসাহস না হয়ে যায়। কেন্দ্রীয় সরকারকে হুঁশিয়ারি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধৈর্যের একটা সীমা আছে। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে মারাত্মক পরিণতি হবে। শুধু এখানেই নয়, দিল্লিতেও আমরা সবাই মিলে প্রতিবাদ করবো। পশ্চিমবঙ্গ জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের ডাকে সভায় গতবার সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বেঁধেছিল। আহত হয়েছিলেন কয়েকজন আই পি এস অফিসার। সেই ঘটনায় পুলিশের মামলা এখনো চলছে। গতবারের মতো না হলেও এবারের জমায়েত ভালোই ছিল। সভায় মূল লক্ষ্য ছিল অসহিষ্ণুতা, ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ এবং জাতীয় অখণ্ডতা নষ্ট করার চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি, মহম্মদ ওসমান সাহেব, মওলানা হুসামুদ্দিন সহ কলকাতার কয়েকটি কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক অনেকে সভায় বক্তব্য রাখেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিনের সংখ্যালঘু জমায়েতকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ভোট প্রচারের আদর্শ জায়গা হিসাবে বেছে নেন। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরিদের বক্তব্য, রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে মুসলিমদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ করা হয়েছিল কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। ২০১০ সালের শে‍‌ষের দিকে ১০ শতাংশকে ও বি সি তালিকাভুক্ত করা হয়। সেটা বাস্তবায়িত হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি, আপনি ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করুন। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির বক্তব্য, ৯৭৩টি মাদ্রাসা চালায় তাঁদের সংগঠন। এ রাজ্যে মুসলিমদের জন্য আলিমুদ্দিন কিছু করতে পারবে না, কংগ্রেস এবং বি জে পি’ও কিছু করতে পারে না। যা করার মমতা ব্যানার্জিই করবেন। যদিও কিছুদিন আগে পর্যন্ত সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য ছিল ঠিক এর উলটো। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লার এই প্রশংসা পাবার পর তাঁর সরকার সংখ্যালঘুদের জন্য কত কি করেছে তার দীর্ঘ ফিরিস্তি দেন।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের আন্দোলন চলছেই, ফের পথ অবরোধ নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ২৭শে নভেম্বর— অনুদানবিহীন মাদ্রাসাগুলির অনুদান পেতে আদালতের রায়কে হাতিয়ার করতে চাইছেন মাদ্রাসার শিক্ষকরা। নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সংখ্যালঘুদের এক অনুষ্ঠানে অনুদানবিহীন মাদ্রাসাগুলিকে সাহায্য করা হবে না বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর এভাবে এড়িয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে অনশনরত অনুদানবিহীন মাদ্রাসার শিক্ষক আবদুল ওয়াব মোল্লা বলেছেন, ২০১৩সালে ২৭শে নভেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অশোককুমার দাস অধিকারী একটি রায়ে বলেছেন, সরকার অনুমোদন দিলে সেই প্রতিষ্ঠানগুলিকে অনুদান দিতে হবে। তাছাড়া ভারতীয় সংবিধানের ৩০(২) অনুচ্ছেদে বলা রয়েছে, সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আর্থিক অনুদানের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য করা যাবে না অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। ফলে মুখ্যমন্ত্রী এভাবে দায় এড়িয়ে যেতে পারেন না। এদিকে অনুদানবিহীন মাদ্রাসাগুলিকে সরকারি সাহায্যের দাবিতে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা। শুক্রবার তাঁরা ওয়েলিংটনে পথ অবরোধ করেছেন। একইসঙ্গে হাজী মহম্মদ মহসিন স্কোয়ারে চলা অনশনও জারি থাকছে বলে মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানিয়ে দিয়েছেন। বর্তমান সরকার ২৩৪টি অনুদানবিহীন মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেয়। স্বীকৃতির সময় বলা হয়েছিল, সরাসরি না দিলেও বিভিন্ন সরকারি খাতে সাহায্য করা হবে। যেমন, বিল্ডিং গ্র্যান্ড, অ্যাডিশনাল ক্লাস রুম তৈরির জন্য বিধায়ক ও সাংসদ কোটার টাকায় সাহায্য করা হবে। এই মর্মে ২০১৩সালে ৮ই ফেব্রুয়ারি রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম সচিব এক সার্কুলারও জারি করে এবং সমস্ত জেলা প্রশাসনকে তা কার্যকর করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু দুই বছরের বেশি সময় হয়ে গেল। প্রতিশ্রুতি মতো কোনো সাহায্য মিললো না। এদিকে এই ২৩৪টি মাদ্রাসার আর্থিক দুরবস্থার ফলে সেগুলি উঠে যাওয়ার উপক্রম তৈরি হয়েছে। শিক্ষকরা বেতন পাচ্ছেন না। বারবার সরকারকে জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি। বৃহস্পতিবার মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে অনুদানবিহীন মাদ্রাসার শিক্ষকদের ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশ মিছিলের অনুমতি না দেওয়ায় তাঁদের সঙ্গে বচসা হয় পুলিশের। তাতে পরস্পরের বাদানুবাদে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে দাবি শিক্ষকদের। এর আগে শিক্ষকরা একঘণ্টা রিপন স্ট্রিট অবরোধ করেছেন। এদিন ওয়েলিংটন মোড় অবরোধ করা হয়। হাজী মহম্মদ মহসিন স্কোয়ার থেকে মিছিল করে ওয়েলিংটনে গিয়ে তাঁরা অবরোধ করেন। একঘণ্টা পর অবরোধ উঠে যায়।

Ganashakti



নিজস্ব প্রতিনিধি : নয়াদিল্লি, ২৬শে নভেম্বর — এবার পন্ডিচেরী কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করলো ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এস এফ আই)। সাম্প্রদায়িক শক্তির অনুগামী এ বি ভি পি-কে রীতিমতো পর্যুদস্ত করে ছাত্রসংসদের ১১টি আসনের সবক’টিতেই জয়লাভ করেছে এস এফ আই-এ এস এ (আম্বেদকর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন) ছাত্রজোট। পন্ডিচেরী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথমবার জয়লাভ করলো এস এফ আই। শুধু জয়-ই পেলো না তারা, এই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়টিতে একক বৃহত্তম ছাত্রসংগঠন হিসেবেও এদিন আত্মপ্রকাশ করলো এস এফ আই। সংগঠনকে এভাবে বিপুল সমর্থন দেওয়ার জন্য পন্ডিচেরী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এস এফ আই-র সভাপতি ড. ভি শিবদাসন এবং সাধারণ সম্পাদক ঋতব্রত ব্যানার্জি।

Ganashakti



নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা, ২৭শে নভেম্বর— চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত ষষ্ঠ বেতন কমিশন গঠনের বিজ্ঞপ্তি জারি করলো রাজ্য সরকার। শুক্রবার নবান্ন থেকে রাজ্যের অর্থসচিব বেতন কমিশন গঠনের এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। অধ্যাপক অভিরূপ সরকারকে চেয়ারম্যান করে গঠন করা হয়েছে আট সদস্যের ষষ্ঠ বেতন কমিশন। ছ’মাসের মধ্যে বেতন কমিশনকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

Ganashakti



Friday, November 27, 2015

‘এগিয়ে বাংলা’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেলুলয়েডের জগতে থাকতেই বেশি ভালোবাসেন। বাস্তবের মাটিতে তিনি পা দিতে চান না। পশ্চিমবঙ্গের অগ্রগতি ঘটানোর কাজে তাঁর ভরসা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন, শিলান্যাস অনুষ্ঠান এবং সর্বশেষে টিভি। রিয়ালিটি শো। রাজ্যের শিল্পায়নের স্বার্থে সরকারি খরচে পশ্চিমবঙ্গ সরকার শুরু করতে চলেছে একটি রিয়ালিটি শো, ‘এগিয়ে বাংলা’। আগামী ৬ই ডিসেম্বর থেকে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে এই শো-টি শুরু হবে। এই টিভি শো-র প্রধান সঞ্চালক বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলি। বেশ কয়েক বছর হলো, টেলিভিশন চ্যানেলগুলিতে রিয়ালিটি শো শুরু হয়েছে। এই সব শোয়ের আকর্ষণের অন্যতম কারণ সেলিব্রিটি সঞ্চালক। সেই সঙ্গে সাধারণ দর্শক এবং সেলিব্রিটিদের অংশগ্রহণ। এই ধরনের শো-য়ে কোথাও প্রতিভার অন্বেষণ হয়। কোথাও বা সাধারণ জ্ঞান, ঘরোয়া খেলা, বুদ্ধির পরীক্ষা। দামি দামি পুরস্কার, এমনকি কোটি টাকাও পান বিজয়ী অংশগ্রহণকারী। সাধারণত বিজ্ঞাপন ও বিনোদনের জন্যই এই ধরনের রিয়ালিটি শো-য়ের আয়োজন করে টিভি চ্যানেলগুলি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রে আগ্রহী উদ্যোগপতিদের উৎসাহ দেওয়ার জন্যই নাকি এই নতুন শো। নামে রিয়ালিটি শো হলেও আসলে সাজানো গোছানো একটি নকল পরিবেশনা। মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন, এই শোয়ের মধ্য দিয়ে আগ্রহী উদ্যোগপতিদের সাহায্য করতে। সাধারণভাবে একজন শিল্পোদ্যোগীর জমি, বিদ্যুৎ, জল, সড়ক প্রভৃতি পরিকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট ছাড়পত্র প্রয়োজন হয়। সরকারের দিক থেকে এসব সহযোগিতার পর ব্যবসার সাফল্য নির্ভর করে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদার ওপর। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলি বড় শিল্পের বরাতের ওপর নির্ভর করে। রাজ্যে বড় শিল্প সংস্থা ছাড়া ছোট ও মাঝারি সংস্থাগুলির বিকাশ ঘটাতে পারবে না। গত সাড়ে চার বছরে একটিও বড় শিল্প তৈরি হয়নি এরাজ্যে। অত্যন্ত দক্ষ টিভি সঞ্চালক হিসেবে সৌরভ গাঙ্গুলি সরকারের প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত সুন্দরভাবে অংশগ্রহণকারীদের বুঝিয়ে দেবেন। ফলে ঐ শো-য়ের অংশগ্রহণকারী এবং দর্শকদের কাছে ‘এগিয়ে বাংলা’ খুবই আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলি জমি, জল, বিদ্যুৎ বা প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র, আর্থিক অনুদান, কর ছাড় কিছুই দিতে পারবেন না। দেওয়ার কথাও নয়। সঞ্চালকের কাছে ‘দাদাগিরি’-র মতো এটিও আরেকটি শো মাত্র। আজকের পশ্চিমবঙ্গে শিল্পস্থাপনের বড় বাধা শাসকদলের তোলাবাজি। এই রিয়ালিটি কি কেউ অস্বীকার করতে পারবেন? তোলাবাজি ঠেকানোর কোনও পথ কি বাতলানো সম্ভব হবে এই রিয়ালিটি শো-য়ের মাধ্যমে। এ শো-য়ের সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞরা হয়তো আগ্রহী উদ্যোগপতিদের সুপরামর্শ দিতে পারবেন। কিন্তু টিভি স্টুডিও থেকে বেরোনর পর কি সেই পরামর্শকে বাস্তবায়িত করার কোনও পথ জানা থাকবে? শিল্পায়নের জন্য যে পূর্ণাঙ্গ নীতির প্রয়োজন হয় তা নেই তৃণমূল রাজত্বে। বরং তুঘলকি কায়দায় মুখ্যমন্ত্রী বদলে দেন জমিনীতি। বাংলার অনেক যুবকই হয়তো সরকারি সহযোগিতার আশায় বুক বেধে এই রিয়ালিটি শোয়ে নিজের নাম নথিভুক্ত করছেন। কিন্তু বাস্তবের পশ্চিমবঙ্গে কি সেই স্বপ্ন পূরণের সম্ভাবনা আছে? কেননা বাংলা যেসব ক্ষেত্রে এগিয়ে সেগুলি শিল্পায়নের পরিপন্থী। পশ্চিমবঙ্গ এখন এগিয়ে নারী লাঞ্ছনাসহ সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে। পুলিশ প্রশাসনকে দলদাসে পরিণত করার ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে বাংলা। গ্রামবাংলার কৃষি সংকট ও কৃষক আত্মহত্যায় এগিয়ে গেছে বাংলা। চা বাগান বন্ধ এবং শ্রমিকদের অনাহারে মৃত্যুতে এগিয়ে বাংলা। কলকারখানা বন্ধেও এগিয়ে রয়েছে বাংলা। বেকারি, শিক্ষা ক্ষেত্রে অরাজকতায় এগিয়ে রয়েছে বাংলা। এই বাস্তবকে অস্বীকার করে কোনো রিয়ালিটি শো কি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ গ‍‌ড়ে তুলতে পারে? তেলেভাজা ছাড়া আর কোনও শিল্পে তা সম্ভব বলে মনে হয় না। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর এই পছন্দের রিয়ালিটি শো-তে সরকারি অর্থের নয়ছয় হবে। তার বেশি কিছু নয়।

FOREIGN TOURS OF NARENDRA MODI


BJP OPPOSED FDI DURING UPA RULE BUT NOW IT SUPPORTS IT. WHAT A DOUBLE GAME.












Thursday, November 26, 2015

TMC hooligans ransacked local CPIM office after attacking on jatha at Tarakeswar in Hoogly .

CPIM leader Surjya Kanta Mishra today addressing a meeting at Mayureswar in Birbhum district.

The aircraft crashed in the Kizildag region of Turkey's Hatay province.

Russian fighter jet was shot down by Turkey near Syria border, apparently after coming under fire from the ground

Protest by women in Kolkata against 16-year-old girl raped, murdered at Kakdwip.

WAR ON PARIS - শুধু বোমা মেরে কি হবে?

Ganashakti



AAMIR KHAN - দেশ ছেড়ে যাবেন না, সমালোচকরা তাঁর কথাকেই প্রমাণ করছেন, বললেন আমীর

Ganashakti



MAMATA DENIES INCIDENTS OF RAPES

RAPE IN INDIA




The National Crime Records Bureau (NCRB) statistics are out, and West Bengal has topped the charts for crime against women.

Didi's West Bengal tops the charts for crime against women | Daily Mail Online



MADRASSA TEACHERS BEATEN IN WEST BENGAL - অবরোধ ভাঙতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ভ্যানে তুললো পুলিশ -

Ganashakti



RAPE AND MURDER AT KAKDWIP - কাকদ্বীপে ছাত্রীর স্মরণসভায় ভেঙে পড়লেন এলাকার মানুষ

Ganashakti



MAOIST BUTCHERS BEING REWARDED BY MAMATA - খুনে অভিযুক্ত মাওবাদীদের প্যাকেজ দিলো রাজ্য সন্ত্রাসে নিহতদের পরিজনরা চাকরি পাননি:

Ganashakti



DISTRESS SALE IN WEST BENGAL - অভাবী বিক্রির পথে কৃষক, ধান কিনতে গ্রামে নিয়োগ হচ্ছে সিভিক পুলিশ

Ganashakti



PHYSICALLY HANDICAPPED WILL DEMONSTRATE IN DELHI ON 3RD DECEMBER -রাজধানীতে প্রতিবন্ধী মানুষদের মিছিল ৩রা ডিসেম্বর

Ganashakti



INDIAN PARLIAMENT SESSION BEGINS - আজ শুরু সংসদ অসহিষ্ণুতা নিয়ে জবাবদিহির মুখে পড়তে হবে সরকারকে -

Ganashakti



অসুস্থ মানুষ এবং তার পরিবারকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে চাইছে মোদী সরকার।

Ganashakti



TWO WORKERS DIE AT DUNCAN TEA GARDENS - ডানকানের বাগানে আবার মৃত্যু শ্রমিকের

Ganashakti



RAPE AND MURDER AT KUMARGRAM, WEST BENGAL এবার কুমারগ্রাম একাধিকবার ধর্ষণের পর খুন মূক-বধির মহিলাকে

Ganashakti



CPI (M) JATHA IN WEST BENGBAL - সাহস বাড়িয়ে দিয়েছে জাঠা

Ganashakti



SANKUDEB PANDA - মমতার অস্বস্তি বাড়িয়ে সারদা তদন্তে শঙ্কুদেবকে ডেকে পাঠালো সি বি আই

Ganashakti



Wednesday, November 25, 2015

KAKDWIP - কাকদ্বীপে ধিক্কার মিছিলে শামিল আমরা আক্রান্ত, স্কুলের ছাত্রছাত্রী

Ganashakti



কলকাতা, ২৪শে নভেম্বর— দেশজুড়ে ধর্মীয় অসুহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদসভা করবে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ। ২৯শে নভেম্বর রানি রাসমণিতে হবে ওই সভা। ওইদিন বিজ্ঞান মঞ্চের ৩০তম প্রতিষ্ঠা দিবস। তাই প্রতিষ্ঠা দিবসকে বেছে নেওয়া হয়েছে বর্তমান পরিস্থিতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে। এব্যাপারে মঙ্গলবার প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ মহাপাত্র জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে অসহিষ্ণুতা ও ধর্মান্ধতা মাথাচাড়া দেওয়ার ভয়ঙ্কর চেষ্টা হচ্ছে। বিদ্বেষের হিংস্র আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য ২৯শে নভেম্বর রানি রাসমণিতে এক বিশাল জমায়েতের মধ্যে দিয়ে প্রতিবাদসভা হবে। সমাজের সব অংশের মানুষকে জমায়েতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

Ganashakti



সিউড়ি, ২৪শে নভেম্বর— রাজ্যজুড়ে আমজনতার সোচ্চার প্রতিবাদ, শাসকদলের সীমাহীন বর্বরতার ধিক্কারে মানুষের রাস্তায় নেমে টলিয়ে দিল মমতা ব্যানার্জির পুলিশকে। ঘটনার সময় ও তারপর থেকে কার্যত ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ হয়ে থাকা পুলিশ রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের তেজ উপলব্ধি করে অবশেষে বাধ্য হলো ময়ূরেশ্বরের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করতে। পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবর, গত ২৩শে নভেম্বর ময়ূরেশ্বরের ষাটপলশায় বি পি এম ও-র জাঠায় তৃণমূলীদের নৃশংস ও বর্বরোচিত হামলায় অভিযুক্ত মাধব দাস ও মোমিন শেখকে গ্রেপ্তার হয়েছে। এরা সকলেই ষাটপলশার স্থানীয় বাসিন্দা ও এলাকা দাপিয়ে বেড়ানো তৃণমূলী বলেই পরিচিত। তবে মূল অভিযুক্ত স্থানীয় থানারই সিভিক পুলিশ ও এলাকার পরিচিত তৃণমূলী রাম বাগদি এখনও অধরা।

Ganashakti



তাঁর এই সাইকেল দেওয়া মূলত বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই, এই অভিযোগ উঠেছে। ২৫লক্ষ সাইকেল বিলি করতে গিয়ে সরকারের খরচ হবে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা কাটছাঁট করেই এই সাইকেল কেনার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এদিন যথারীতি রাজ্যের টাকার অভাবের কথা তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন,‘‘আমরা ৪০হাজার কোটি টাকা কর আদায় করি। তার ২৮ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্র কেটে নিয়ে যায়। সিপিএম-র ঋণের বোঝা আমাদের বইতে হয়েছে।’’ যদিও বামফ্রন্ট সরকারের সময়কালে যত ঋণ হয়েছিল বাজার থেকে, তার থেকে বেশি ঋণ বাজার থেকে করেছেন মমতা ব্যানার্জি গত চার বছরে।

Ganashakti



কলকাতা, ২৪শে নভেম্বর— শিলিগুড়ি মহকুমায় জাঠায় অংশ নিয়ে চা শ্রমিকদের পাশে পাশে হাঁটলেন ছাত্র যুব কর্মীরা। শিলিগুড়িতে মহকুমা পরিষদের নির্বাচনে বামপন্থীদের বিজয়ের উদ্দীপনার ছাপ স্পষ্ট তাঁদের প্রতি পদক্ষেপে। চা শ্রমিকদের দাবি আদায় থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি আদায়ের সংগ্রামে তাঁরা সোচ্চার হয়েছেন দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে।

Ganashakti



বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ১০৫ বৎসর পূর্বে ‘‘অপমানিত’’ শীর্ষক কবিতায় তাঁর হৃদযন্ত্রের এই মর্মভেদী বেদনার কথা প্রকাশ করেছিলেন। বর্তমান ভারতের আদিবাসী ও তফসি‍লি জাতিভুক্ত বৃহৎ অংশের মানুষ এই অপমানের জ্বালায় জর্জরিত। তাদের জীবনের এই দুঃখ-কষ্ট প্রশমনের জন্য সর্বভারতীয় স্তরে সংগঠিত হয়েছে দু’টি সংগঠন। পশ্চিমবঙ্গে তারই শাখা সংগঠন ‘‘আদিবাসী অধিকার মঞ্চ’’ ও ‘‘সামাজিক ন্যায় মঞ্চ’’ গঠিত হয়েছে। তাদের যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে আগামী ৫ই ডিসেম্বর কলকাতায় রানি রাসমণি এভিনিউতে এক রাজ্যভিত্তিক বৃহৎ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

Ganashakti



বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ১০৫ বৎসর পূর্বে ‘‘অপমানিত’’ শীর্ষক কবিতায় তাঁর হৃদযন্ত্রের এই মর্মভেদী বেদনার কথা প্রকাশ করেছিলেন। বর্তমান ভারতের আদিবাসী ও তফসি‍লি জাতিভুক্ত বৃহৎ অংশের মানুষ এই অপমানের জ্বালায় জর্জরিত। তাদের জীবনের এই দুঃখ-কষ্ট প্রশমনের জন্য সর্বভারতীয় স্তরে সংগঠিত হয়েছে দু’টি সংগঠন। পশ্চিমবঙ্গে তারই শাখা সংগঠন ‘‘আদিবাসী অধিকার মঞ্চ’’ ও ‘‘সামাজিক ন্যায় মঞ্চ’’ গঠিত হয়েছে। তাদের যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে আগামী ৫ই ডিসেম্বর কলকাতায় রানি রাসমণি এভিনিউতে এক রাজ্যভিত্তিক বৃহৎ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

Ganashakti



Five Bengal tea garden workers die over past 10 days | Business Standard News

Five Bengal tea garden workers die over past 10 days | Business Standard News



অসহিষ্ণুতার প্রশ্নে দেশজুড়ে প্রবল প্রতিবাদের আবহে কেন্দ্রীয় সরকার যখন প্রায় কোণঠাসা তখন অত্যন্ত স্পষ্ট ও তীক্ষ্মভাবে সেই প্রতিবাদের স্রোতে নিজেকে যুক্ত করে নিলেন অভিনেতা আমির খান। প্রতিবাদের যে ভাষা ও ধরন তিনি ব্যবহার করেছেন এবং হৃদয়ের গভীরতা থেকে যে অনুভূতি উৎসারিত হয়েছে তা নিশ্চিতভাবে সকলের মনকে স্পর্শ করে গেছে। ভাবা যায় একজন অভিনেতার স্ত্রী ঘরোয়া আলোচনায় বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ দেশ ভারতে থাকতে পারবেন কিনা উদ্বেগ নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে দিন দিন তাঁর দুশ্চিন্তা বাড়ছে। ভারতের নাগরিক হয়েও শুধুমাত্র মুসলিম বলেই তার এই ভীতি ও শঙ্কা বাড়ছে। এই আশঙ্কা যে অমূলক জোর দিয়ে বলা যাবে না। কারণ গত বেশ কয়েক মাস ধরে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক অসহিষ্ণুতা যেভাবে হিংস্রতা ও উগ্রতাকে আশ্রয় করে আগ্রাসী চেহারা নিচ্ছে তাতে আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গাটাতেই চিড় ধরে যাচ্ছে।

Ganashakti



জাতীয় রাজনীতিতে খুবই সক্রিয় হয়ে উঠতে চাইছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাটনায় নীতিশ কুমারের মুখ্যমন্ত্রিত্বে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের নজর কাড়তে লালুপ্রসাদ যাদব, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আলাদা আলাদা ছবি তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানের পরে তিনি কলকাতায় ফিরে বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনের আয়োজনে মেতেছেন। সেই সম্মেলনেও নাকি আপ, জে ডি ইউ, আর জে ডি-র শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। জাতীয় রাজনীতিতে ব্যস্ততা ছাড়াও খাদ্য উৎসব, শহরে আলোক সজ্জা, ক্লাবকে অনুদান প্রভৃতি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী অতি সক্রিয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনাগুলি নিয়ে নীরব মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক-কর্মচারীদের সমস্যা নিয়ে ন্যূনতম চিন্তাও নেই মুখ্যমন্ত্রীর।

Ganashakti



Five workers of the closed Panighatta tea estate in northern West Bengal's Terai region have died over the last 10 days due to alleged malnourishment and lack of medical aid.

Five Bengal tea garden workers die over past 10 days | Business Standard News



More than three years after a 36-year-old woman was gang-raped by five men in a moving vehicle in central Kolkata, a city court is set to pronounced its verdict in the case.

Verdict in Kolkata gang-rape soon