RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Friday, May 29, 2015

NARENDRA MODI - মোদীর এক বছরে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা অতীতকে ছাড়িয়ে গেছে। অসময়ে বৃষ্টি যখন দেশের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল নষ্ট করেছে, তখন তাঁদের পাশে নেই সরকার। উলটে জমি অধিগ্রহণ আইন সংশোধন করে জোর-জবরদস্তি কৃষকের জমি কেড়ে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এর বিরুদ্ধে যখন জোরদার প্রতিরোধ গড়ে উঠছে, সরকার-বিরোধী জনমত যখন দ্রুত বাড়ছে, তখন আচমকাই কৃষক-দরদী ভেক ধারণ করেছে মোদী সরকার। হৃদয় যাদের বৃহৎ পুঁজির কাছে বাঁধা, তারা কোনোদিন সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করতে পারে না।

NARENDRA MODI - আর কৃষিক্ষেত্রের চিত্র তো আরও ভয়াবহ। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এখনও কৃষিকেন্দ্রিক গ্রামীণ অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল। কৃষি-সংকট তাই বিপন্ন করে তুলেছে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকে। মোদী সরকারের যদি এই বিপুল মানুষের প্রতি একটু নজর থাকতো, তাহলে কৃষিতে সরকারি ব্যয় বাড়তো। কৃষি-পরিকাঠামোর ওপর জোর পড়তো। চাষের মূলধন জোগান, ন্যায্য দামে সার, বীজ, সেচের জল ইত্যাদি মিলতো। ফলে ন্যায্যমূল্য পাবার ব্যবস্থা হতো। ছিটেফোঁটা কিছুই হয়নি।

NARENDRA MODI - ফলিত অর্থশাস্ত্রে ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে যাওয়া সেই ট্রিকল ডাউন থিওরিতে আটকে আছে এই সরকার। ফলে তথাকথিত জি ডি পি বাড়লেও, কর্পোরেট মুনাফা ও বিত্তবানদের আয় বাড়লেও, আমজনতার জন্য কিছুই জোটেনি। মজুরি বাড়েনি। নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হয়নি। উলটে যাঁদের কাজ ছিল, তাঁদের অনেকে কর্মহারা হয়েছেন। আরও অনেকের কমে গেছে মজুরি।

NARENDRA MODI - প্রায় গোটা বছরজুড়ে মন্ত্রী-নেতা-সাংসদদের মুখে শুধু শোনা গেছে সংস্কার, ব্যবসা-বাণিজ্যে সহজ পথ, বিদেশি পুঁজির জন্য লোভনীয় ঘোষণা, প্রকল্প অনুমোদনে সরকারি বিধি তুলে দেওয়া। সরকার শুধু চাতক পাখির মতো দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ চেয়েছে এবং তারজন্য তাদের যাবতীয় চাহিদা পূরণ করে গেছে। মোদী সরকার উন্নয়ন বা বিকাশের এই ধারণাকেই আঁকড়ে ধরেছে যে দেশি-বিদেশি বৃহৎ পুঁজির মুনাফা সৃষ্টির অবাধ স্বাধীনতা দিলে হু হু করে উন্নয়ন হবে। অর্থাৎ ওপরতলার পকেটে বাণের জলের মতো লুটের সম্পদ ও শোষণের সম্পদ ঢুকলে সেখান থেকে যেটুকু চুঁইয়ে পড়বে, তাতেই কৃতার্থ হবে আমজনতা।

NARENDRA MODI - বস্তুত এই সময়কালে দেশজুড়ে কৃষি-সংকট, কৃষকের আত্মহত্যা, গরিব মানুষের রুজির সংকট, জীবনধারণের যন্ত্রণা নিয়ে বিরোধীরা বিশেষ করে বামপন্থীরা বার বার সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করলেও কর্ণপাত করেনি। যেন দেশের দরিদ্র সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের জীবন-জীবিকার সমস্যা সরকারের অ্যাজেন্ডাতেই নেই।

NARENDRA MODI - মোদী সরকারের হঠাৎ করে এত কৃষক-দরদী হয়ে ওঠার চেষ্টায় কেউ কেউ কৌতুকবোধ করলেও, অনেকেই বিস্ময়ে হতবাক। ১২ মাসের মধ্যে ১০ মাসই যারা কাটিয়ে গেছে দেশি-বিদেশি পুঁজির পদসেবায়, তাদের খুশি করতে এবং তাদের মন পেতে আদর-আপ্যায়ন-আতিথেয়তায় কোনো কার্পণ্য হয়নি। কর্পোরেট ভারত এবং বিশ্ব মোদী সরকারের কাছে যে দাবিসনদ পেশ করেছে তার তালিকা ধরে এক এক করে কার্যকর করতে অতিমাত্রায় তৎপরতা দেখানো হয়েছে।

NARENDRA MODI - প্রথম বর্ষপূর্তির দিনে ঘটা করে কৃষকদের জন্য সরকারি টিভি চ্যানেল চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে সাড়ম্বর যে অনুষ্ঠানে তিনি সরকারের সাফল্যের ফিরিস্তি দিয়েছিলেন, তারজন্য জায়গা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল একটি গ্রামকে। ঐ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর একঘণ্টার ভাষণের ৯০ শতাংশই ছিল কৃষক ও গরিব মানুষের প্রসঙ্গ। বর্ষপূর্তি উদ্যাপনে সারা দেশে যে দুই-শতাধিক সভার পরিকল্পনা হয়েছে, তাতে কৃষক-গরিবদের প্রসঙ্গকে অগ্রাধিকার দেবার বার্তা দেওয়া হয়েছে। সরকারের সাফল্য নিয়ে যে নেতা বা মন্ত্রী যেখানেই বক্তব্য রাখুন, তাতে কৃষকের বিষয়ে জোর দিতে বলা হয়েছে।

Thursday, May 28, 2015

MAMATA BANERJEE - বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আসছে। সে কারণে শিলান্যাস অনুষ্ঠানেও বেরিয়ে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সব অনুষ্ঠানে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য ঢালাও খরচ হচ্ছে। সরকারি অর্থে দলীয় স্বার্থ রক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। কৃষকের আত্মহত্যাকে চাপা দিতে মাটি উৎসবে লক্ষ কোটি টাকা খরচেই প্রাধান্য দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এরাজ্যে ঋণের বোঝা বৃদ্ধি এবং অপ্রয়োজনীয় ও বেহিসাবী খরচও চলবে।

MAMATA BANERJEEE - রাজ্যে সামাজিক সুরক্ষা এবং উন্নয়নমূলক কাজের পরিবর্তে উৎসবের আতিশয্যে মেতে রয়েছে রাজ্য সরকার। আর্থিক সংকটের মধ্যে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে উৎসব, সম্মান প্রদর্শন, পুরস্কার প্রদান এসবের আয়োজন করা হচ্ছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই সমস্ত অনুষ্ঠানের ঢালাও বিজ্ঞাপন চলছে বাছাই করা সংবাদপত্রে।

MAMATA BANERJEE - মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি তৈরির জন্য ঢালাও প্রচার করা হয়েছে কৃষি মেলা ও মাটি উৎসবের মাধ্যমে। কৃষি বিকাশের জন্য বরাদ্দ টাকা থেকে নয়াদিল্লির শিল্পমেলায় অপ্রয়োজনীয় খরচ করা হয়েছে। ৬৩ কোটি টাকার ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। কৃষকদের বীজ সরবরাহের জন্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা দীর্ঘদিন বিলি হয়নি। সি এ জি’র রিপোর্ট অনুসারে এই টাকার একটি অংশ এখনও জেলা বা ব্লক পর্যায়ে পড়ে রয়েছে।

MAMATA BANERJEE - কৃষি বিকাশের জন্য কেন্দ্রীয় বরাদ্দকে বেআইনিভাবে খরচ করছে রাজ্য সরকার। এরাজ্যে কৃষকের অবস্থা শোচনীয় আকার নিয়েছে। ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে ঋণগ্রস্ত কৃষক আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। কৃষক দরদি সরকার কৃষককে আর্থিক সাহায্য না করে মেলা উৎসবে দেদার খরচ করে চলেছে। কৃষিমেলা, মাটি উৎসবের নামে অপ্রয়োজনীয় খরচ করছে রাজ্য সরকার।

MAMATA BANERJEE - সাম্প্রতিক সময় রাজ্যে কেন্দ্রীয় অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে কেন্দ্রীয় করের ৩২ শতাংশ রাজ্য সরকার হাতে পেত এখন তা বৃদ্ধি পেয়ে ৪২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। পঞ্চায়েত ও পৌরসভাগুলির উন্নয়নের জন্য ৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গ ২০ হাজার কোটি টাকা অনুদান পাবে। এই সঙ্গে কর ও রয়্যালটি বাবদ ১৬০০ কোটি টাকা পাবে রাজ্য সরকার। রাজস্ব ঘাটতি দূর করতেও ১১ হাজার কোটি টাকা পাবে রাজ্য। এই অর্থ পাবার পরেও কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ফসল কেনার জন্য টাকা বরাদ্দ করেনি রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পৌর ও পঞ্চায়েত কর্মীদের মহার্ঘভাতা বকেয়া থাকছে।

MAMATA BANERJEE - ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজ্য সরকার প্রতি মাসে বাজার থেকে ঋণ নিয়েছে। এক মাসে তিনবার পর্যন্ত ঋণ নিয়েছে সরকার। কেন এই আর্থিক সংকট এবং ঋণের বোঝা বৃদ্ধি তার কোনো ব্যাখ্যা নেই।

MAMATA BANERJEE - বামফ্রন্ট সরকার ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন মোট ৭২হাজার কোটি টাকা ধার করেছিল। বামফ্রন্ট সরকারকে এই ঋণের জন্য সুদ দিতে হতো ১৪ হাজার কোটি টাকা। চার বছরের মমতা সরকার ধারের নজির গড়েছেন। এখন রাজ্য সরকারকে ঋণ পরিশোধের জন্য সুদ দিতে হয় ২৩ হাজার কোটি টাকা।

MAMATA BANERJEE - রাজ্য সরকারের কোন সহযোগিতা পাচ্ছে না গ্রামবাংলা। অপরদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেওয়া সংবাদপত্র, টিভি আর হোর্ডিং’র বিজ্ঞাপনে কোটি কোটি টাকা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক বিশৃঙ্খলার ফলে বাজার থেকে ধারের পরিমাণ বেড়েই চলেছে রাজ্য সরকারের। গত চার বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বাজার থেকে ৮৬ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা ধার করেছে।

MAMATA BANERJEE - মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের মুখেই বলছেন, আর্থিক সংকটে ভুগছে রাজ্য। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ঋণ মকুবের দাবি জানাচ্ছে রাজ্য সরকার। অথচ এই আর্থিক সংকটের মধ্যে বেআইনি এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ করে চলেছে মমতা সরকার। কৃষকের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ খরচ করা হচ্ছে কৃষি মেলায়। কৃষকরা ফসলের দাম পাচ্ছেন না। কৃষি উৎপাদনের খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

WBSSC - একটু সমালোচনা করলেই নেমে আসছে দমন নীতি। দুর্নীতিই এই সরকারের মূল ভিত্তি। সারদা থেকে টেট, ত্রিফলা থেকে এস এস সি— সর্বত্রই দুর্নীতি। সমস্ত অনাচার এবার বন্ধ করতে হবে। শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা আনতে ও শূন্যপদ পূরণের দাবিতে এবার পথে নামবে ২৪টি বামপন্থী সংগঠনের যৌথ মঞ্চ।

WBSSC - টাকা পয়সা না দিলে, অথবা শাসকদলের ঘনিষ্ট না হলে নিয়োগের প্যানেলে নাম থাকছে না, অথবা থাকলেও চাকরি হচ্ছে না সাধারণ ছেলেমেয়েদের। যোগ্যতা থাকলেও প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাচ্ছেন অনেক প্রার্থীই। এই সরকার শিশু শিক্ষার অধিকার আইনও মানছে না।

WBSSC - প্রশাসনকে ব্যবহার করে তৃণমূল দলীয় স্বার্থ সিদ্ধি করছে। শিক্ষা আজ চারদিক থেকে আক্রান্ত। আক্রান্ত শিক্ষকরা। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে যারা ছড়ি ঘোরাচ্ছে, ছাত্র, শিক্ষকদের গায়ে হাত তুলছে, শ্লীলতাহানি করছে, তাদের পরিচয় সমাজবিরোধী বলে।

WBSSC - শিক্ষক শিক্ষাকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীকরণ করা চলবে না। অপ্রাসঙ্গিক করা যাবে না আঞ্চলিক বিভাগগুলিকে। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বন্ধ করতে হবে দলীয় হস্তক্ষেপ। প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে সমস্ত প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের। সর্বত্রই স্থায়ী পদে স্থায়ী নিয়োগ করতে হবে।

WBSSC - স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ২০নম্বরের পার্সোনালিটি টেস্ট হবে এবার। অর্থাৎ এই নম্বরটি থাকবে কমিশনের হাতে। এই নম্বরই চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে দেবে আর এখানেই স্বজনপোষণের খেলা চলবে। এই নম্বর কোনোমতেই ৫-এর বেশি রাখা যাবে না।

WB SCHOOL SERVICE COMMISSION - স্কুল সার্ভিস কমিশন, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে। আর শাসকদল কাজ করছে অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে। স্বচ্ছতাই যাতে না থাকে তার জন্য পরীক্ষার নিয়ম পালটে দেওয়ার চেষ্টা করছে প্রশাসন। নিয়োগে চলছে টালবাহানা। সরকারের সদিচ্ছার অভাব স্পষ্টই চোখে পড়ছে।

EDUCATION IN WEST BENGAL - বামফ্রন্ট সরকারের আগে শিক্ষার যে অরাজকতা ছিল, তা বামফ্রন্টের আমলে অনেকাংশে দূর করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু এখন আবার সেই নৈরাজ্য ফিরে এসেছে। শিক্ষার মান নেমে যাচ্ছে। শিক্ষায় বাণিজ্যিকীকরণ বাড়ছে ক্রমশ। অন্যদিকে, শিক্ষক নিয়োগে চলছে ব্যাপক দুর্নীতি। এর বিরুদ্ধে সামগ্রিকভাবে সাধারণ মানুষকে শামিল করে আন্দোলনে নামা হবে। রাজ্য সরকারকে বাধ্য করতে হবে দাবি মানতে।

MAMATA BANERJEE - কলকাতা, ২৭শে মে— স্কুলে শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি রোধে সোচ্চার হয়ে এবার পথে নামছে বামপন্থী ছাত্র-যুব-শিক্ষকদের যৌথ মঞ্চ। বুধবারই মৌলালি যুব কেন্দ্রে আয়োজিত এক কনভেনশনের মধ্যে দিয়ে গঠিত হয়েছে এই মঞ্চ। নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি, নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, ভারতের ছাত্র ফেডারেশন ও ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনসহ ২৪টি বামপন্থী সংগঠনের এই যুক্ত মঞ্চের মূল দাবি, সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অবিলম্বে স্বচ্ছতার সঙ্গে শিক্ষকদের শূন্যপদগুলি পূরণ করতে হবে। বন্ধ করতে হবে শাসকদলের স্বজনপোষণ ও টাকার খেলা। না হলে সাধারণ চাকরিপ্রার্থী ছেলেমেয়েরা বঞ্চিত হবেন কাজের সুযোগ থেকে।

NARENDRA MODI - মোদী সরকারের এক বছরের মধ্যেই কয়লা শ্রমিকরা ধর্মঘট করেছেন কয়লা সম্পদ বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া এবং কোল ইন্ডিয়ার বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে। ধর্মঘট করেছেন ব্যাঙ্ক কর্মচারী এবং বি এস এন এল কর্মীরা। বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রের শ্রমিকরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে যেমন আন্দোলন করেছেন তেমনি সমস্ত কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি এক জোট হয়ে মোদী সরকারের শ্রমিক-বিরোধী কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতিমধ্যে সারাদেশে দলমত নির্বিশেষে সব শ্রমিকরা একদিনের প্রতিবাদ দিবসে অংশ নিয়েছেন। হয়েছে আইন অমান্যও। এইভাবে ক্রমশ এককাট্টা হতে থাকা শ্রমিকরা জাতীয় কনভেনশন ডেকে আগামী ২রা সেপ্টেম্বর সর্বভারতীয় শ্রমিক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। এই লড়াইয়ে শামিল হয়েছে সঙ্ঘ পরিবারের শরিক বি এম এস-ও। সকলেই বুঝতে পারছে মোদী সরকারকে না আটকালে দেশের শ্রমজীবী মানুষের জীবনযন্ত্রণা অনেক গুণ বেড়ে যাবে। নিজেদের বাঁচার স্বার্থেই তাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিকরা।

NARENDRA MODI - নিয়োগপত্র থাকবে না, কাজের নিরাপত্তা থাকবে না, মজুরি হবে মালিকের ইচ্ছাধীন, সামাজিক নিরাপত্তার আওতা থেকে শ্রমিকদের সরানো। অর্থাৎ চরম অনিশ্চিত জীবনের দিকে শ্রমজীবী মানুষকে ঠেলে দেবার আয়োজন হচ্ছে। কর্পোরেটপ্রেমী মোদী সরকারের শ্রমিক স্বার্থবিরোধী নীতি ও পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দেশের শ্রমিক-কর্মচারীরা কিন্তু হাত তুলে দেয়নি। লড়াইয়ের ময়দানে তাঁরা রয়েছেন বরাবর।

NARENDRA MODI - এত কিছুর পরও তৃপ্ত নয় কর্পোরেট মহল। কারণ আসল কাজ শ্রমিকদের বিপন্ন করা না গেলে মজুরি খাতে ও শ্রমিক কল্যাণ খাতে ব্যয় কমবে না। এক্ষেত্রে যত ব্যয় কমবে ততই মুনাফার অঙ্ক বাড়বে। তাই যাবতীয় শ্রম আইন সংশোধন করে শ্রমিকদের সমস্ত ধরনের অধিকার কেড়ে নিতে চান মোদীরা।

NARENDRA MODI - ভারতীয় সংস্থায় মালিকানা বাড়লে বা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হাতে এলে বিদেশি বহুজাতিকরা উৎসাহিত হয়ে বেশি বেশি পুঁজি ঢালবে। বিদেশি পুঁজি দরকার কর্পোরেট ভারতের স্বার্থেই। বর্তমানে ভারতের কর্পোরেট সংস্থা বিপুল ঋণে ভারাক্রান্ত। নতুন বিনিয়োগ, উৎপাদন সম্প্রসারণ, আধুনিকীকরণ, নতুন প্রযুক্তি ইত্যাদিতে তাদের সামর্থ্য কমে গেছে। তাই পুঁজির জোগান বাড়াতে বিদেশি পুঁজি তাদের ভীষণভাবে প্রয়োজন। দ্বিতীয় পদক্ষেপ হলো রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের মালিকানা বেসরকারি হাতে ছেড়ে দিয়ে উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় প্রভাব সংকুচিত করে বেসরকারি প্রভাব বৃদ্ধি। অর্থাৎ অর্থনীতির সর্বক্ষেত্রে সরকারকে সরিয়ে বেসরকারি ক্ষেত্রের আধিপত্য, নিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা। তৃতীয় পদক্ষেপ হলো জমি, জল, খনিজ, বনজ ইত্যাদি জাতীয় সম্পদ যা কাঁচামাল ও উপকরণ হিসেবে শিল্পে ব্যবহৃত হয় তার ওপর কর্পোরেট মালিকানা নিশ্চিত করা। চতুর্থ পদক্ষেপ হলো শিল্প স্থাপন, পণ্য উৎপাদন ও বিপণন, পরিষেবা প্রদান ইত্যাদি ক্ষেত্রে সব ধরনের সরকারি নিয়ম শিথিল করে কর্পোরেট মুনাফা লুটের অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া। পঞ্চম পদক্ষেপ হলো কর ছাড় এবং সুদের হার কমানো। ফলে ব্যয় কমবে ও সস্তায় পুঁজি মিলবে। গত এক বছরে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে মোদী সরকার এই পদক্ষেপগুলি নিয়েছে কর্পোরেট সেবার নৈবেদ্য হিসেবে।

NARENDRA MODI - বস্তুত গোটা বছরটাজুড়ে মোদীরা ব্যস্ত ছিলেন কিভাবে কোন দিক থেকে শিল্পপতি-ব্যবসায়ীদের মুনাফার সুযোগ বাড়ানো যায়। এক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদেশি মালিকানার ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি।

NARENDRA MODI - ক্ষমতাসীন হবার পর প্রথম বছরটি নরেন্দ্র মোদীরা কাটিয়েছেন কর্পোরেট সেবায় মনোনিবেশ করে। এটা মোদী সরকারের অনিবার্য দায়বদ্ধতা। যে কর্পোরেট মিডিয়া প্রচারের ঝড় তুলে মোদীর অত্যুজ্জ্বল ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছে এবং মোদীকেই আগামী ভারতের অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা ও রূপকার হিসেবে তুলে ধরেছে সেই কর্পোরেট মহলের স্বার্থ সিদ্ধি যে মোদীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে থাকবে সেই বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়।

MAMATA BANERJEE - ইম্ফল, ২৭শে মে — মণিপুরে মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের তিন বিধায়কের বিধায়কপদ খারিজ করে দিলেন অধ্যক্ষ। বিধানসভার ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘ শুনানির শেষে সংবিধানের দশম তফসিল ভাঙার দায়ে খুমুকচ্যাম জয়কিষণ, থোঙ্গাম বিশোরজিত এবং ও লুখোইকে এই শাস্তি দেওয়া হলো বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে। মণিপুরে দীর্ঘদীন ধরেই তৃণমূলের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছিল। দুই গোষ্ঠীই নিজেদেরকে প্রকৃত তৃণমূল বলে দাবি জানিয়ে আসছিল। লোকসভা নির্বাচনের পরপরই এই তিনজন বিধায়ককে তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। এদিকে, বিধায়কদের সদস্যপদ কেড়ে নেওয়ার জেরে তিন বিধানসভা অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। তৃণমূলের গোষ্ঠী সংর্ঘষের জেরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটার আশঙ্কা থাকায় তাই প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এদিন ডেরেক ও’ব্রায়েন জানান, এই চার বিধায়ককে লোকসভার নির্বাচনের পরেই দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে৷ অন্য দলে গেলে এরা দলত্যাগ বিরোধী আইনে পড়বেন।

MAMATA BANERJEE - রবি কোঠারি লিখেছেন, মমতার পশ্চিমবঙ্গ শাসন করার লাইসেন্সই কেড়ে নেওয়া উচিত। দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রী তিনি। আরেকজনের মন্তব্য মমতা দেশের পক্ষেই এক অসম্মান। বাংলার সংস্কৃতিকে তিনি অসততা, নৈরাজ্য, সংকীর্ণতায় টেনে নামিয়েছেন। ভাইঝি-ভাগনেদের পক্ষেই তিনি মানানসই। দেশজুড়ে ধিক্কার কুড়োচ্ছে ‘বাচ্চা মেয়ে’ মন্তব্য ফার্স্টপোস্ট-এর ওয়েবসাইটে তুষ ১২৩ নামের একজনের মন্তব্য : এ তো মমতার বাংলায় হিমশৈলের চূড়ামাত্র। -

MAMATA BANERJEE - টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় এস এন কান্ননের মন্তব্য এই ভদ্রমহিলা এক ইন্সপেক্টরকে প্রকাশ্যেই চড় মারার কথা বলেছিলেন, তাঁর চপ্পল বহন করিয়েছিলেন এক অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারকে দিয়ে। দিদি, ভাবুন যেদিন আপনি অবশেষে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন সেদিন কী হবে। পুলিশের স্মৃতি দীর্ঘস্থায়ী হয়। বাঙ্গালোরের বিনয় কুমার মন্তব্য করেছেন, শ্রীমতী মুখ্যমন্ত্রী, আপনারই কাউন্সেলিং দরকার। সব সময় বিরোধীদের আতঙ্কে ভুগছেন। এমনকি আপনার পুলিশও আপনার বিরুদ্ধে বলে ভাবতে শুরু করেছেন।

MAMATA BANERJEE - দেশজুড়ে ধিক্কার কুড়োচ্ছে ‘বাচ্চা মেয়ে’ মন্তব্য। ‘পিতার রাজত্ব নাকি? না না, চাচার রাজত্ব’ — মন্তব্য আরেকজনের এন ডি টি ভি-র ওয়েবসাইটে । হিন্দুস্তান টাইমস পত্রিকার ওয়েবসাইটে জনৈক সৌরভ মন্তব্য করেছেন, কলকাতার পুলিশ বোকা। তাদের এতক্ষণে বোঝা উচিত তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্কিত কারোর জন্য আইন খাটে না। এই সুবিধা শিশু, কুকুর, স্তাবকদের জন্যও প্রসারিত। বাকিদের শাস্তি হওয়া দরকার, পারলে হত্যা করা দরকার। আশা করি, কলকাতা পুলিশ এবারে এই শিক্ষা গ্রহণ করবে।

MAMATA BANERJEEE - এন ডি টি ভি-র ওয়েবসাইটে বাংলার বাইরে থেকে আরো একজন লিখেছেন, ‘মমতা কি মমতা জাগ উঠি সো-কলড ছোটি সি গুড়িয়া কে লিয়ে। ওদের নিজেদের লোকেদের হাতে প্রতি মূহূর্তে যে শিশু ও নির্দোষরা অত্যাচারিত হচ্ছে তাদের কী হবে?’ স্পষ্টতই রাজ্যে অবিরত ধর্ষণ-নারী নির্যাতনের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন এই পাঠক।

MAMATA BANERJE - এন ডি টি ভি-র ওয়েবসাইটে জনৈক ক্রিস মন্তব্য করেছেন, পশ্চিমবঙ্গ চলছে তৃণমূলের সংবিধানে। সেখানে একজন বাচ্চা মেয়ে কিছুর প্রভাবে গাড়ি চালাতে পারে, আইন ভাঙতে পারে, লোককে ধাক্কা দিতে পারে। তার লাইসেন্স চাওয়া পুলিশের ভুল হয়েছে। মমতার বাচ্চা ছেলে কর্মীরা থানায় ভাঙচুর করতে পারে, বোমা ছুঁড়তে পারে।...ভালো লোকেরা বাংলা ছেড়ে যাচ্ছে, মৃত রাজ্যে শাসন করুন মমতা।

MAMATA BANERJEE - শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, মেয়রের ভাইঝি এবং তার ‘পিসি’ আলোড়ন তুলেছেন গোটা দেশেই। প্রায় সব রাজ্যের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘বাচ্চা মেয়ে’ মন্তব্য। বিস্ময়ের সঙ্গেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এমনও মন্তব্য করতে পারেন একজন মুখ্যমন্ত্রী? মুখ্যমন্ত্রী যে দোষীদের আড়াল করতে এই পর্যায়ে নেমেছেন, অনেক সংবাদমাধ্যমেই তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। সোস্যাল মিডিয়ায় ধিক্কার, কটাক্ষ, ব্যঙ্গের ঝড় বইছে। সংবাদমাধ্যমগুলির ওয়েবসাইটে পাঠকের মন্তব্য হিসাবে অজস্র মন্তব্যে বিদ্ধ করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে।

MAMATA BANERJEE - নয়াদিল্লি, ২৭শে মার্চ- ‘তৃণমূল কংগ্রেস চায় বাংলার পুলিস হোক ধর্ষক-বান্ধব, বোমা প্রস্তুতকারী-বান্ধব, পোনজি জালিয়াত-বান্ধব...তালিকার অন্ত নেই’। মন্তব্য বাঙ্গালোর থেকে জনৈক যশের। টাইমস অফ ইন্ডিয়া পত্রিকায় কলকাতার মেয়রের ভাইঝির কাণ্ডকারখানা এবং বিধানসভার কক্ষে দাঁড়িয়ে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর সাফাইয়ের সংবাদ পড়ে এই মন্তব্য।

MAMATA BANERJEE - মুখ্যমন্ত্রী চান পুলিশকে সম্পূর্ণভাবে তার দলের কথায় চলতে হবে। মেয়রের ভাইঝির অন্যায়কে বাচ্চা মেয়ের কাজ বলার অর্থ শুধু ঐ অপরাধীকে আড়াল করা নয়, পুলিশকে মেরুদণ্ডহীন করে দেওয়া। নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের সময় পুলিশ যাতে কোনভাবেই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে না পারে সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী এই হুমকির আশ্রয় নিয়েছেন।

MAMATA BANERJEE - তৃণমূলের আক্রমণের মুখে আতঙ্কিত রাজ্যের পুলিশবাহিনী। তৃণমূল দুষ্কৃতীরা আলিপুর থানায় ঢুকে মারধর শুরু করে। মারধর থেকে বাঁচতে পুলিশ কর্মীরা টেবিলের নিচে ঢুকে পড়ে। এই আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না পুলিশ কর্তারা। কারণ দুষ্কৃতীদের গায়ে মা মাটি মানুষের ছাপ।

MAMATA BANERJEEE - ট্রাফিক আইন ভাঙা মুখ্যমন্ত্রীর চোখে কোনও অন্যায় নয়। থানা আক্রমণ, পুলিশকে মারধর এমনকি পুলিশ হত্যাও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অন্যায় নয়।

MAMATA BANERJEE - আইন ভেঙে গাড়ি চালাতে বাধা দিলে লেকটাউনে পুলিশকে চড় মারেন তৃণমূল সাংসদ প্রসূন ব্যানার্জি। মেয়রের ভাইঝির ঘটনায় অন্যায় প্রশ্রয়ের নজির গড়লেন তৃণমূল নেত্রী। মেয়রের ভাইঝির হাতে নিগৃহীত পুলিশ কর্মীর অভিযোগ পেয়েও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বরং এই অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ঐ পুলিশ কর্মীকে লম্বা ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মীকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।

GOONDA RAJ - তৃণমূলের নেতা ও আত্মীয়দের হাতে চড় খাওয়া এরাজ্যের পুলিশের অভ্যাসে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় সড়কে ট্রাফিক আইন ভাঙার জন্য গাড়ি আটকালে চড় খেয়েছেন কর্তব্যরত পুলিশ কর্মী। কলকাতায় ট্রাফিক আইন ভাঙার পর পুলিশকেই চড় মারেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো আকাশ ব্যানার্জি।

MAMATA RUNS GOONDA RAJ - পুলিশকে বশে রাখার আরেকটি নমুনা সাম্প্রতিক ভাইঝি কাণ্ড। মেয়রের ভাইঝি মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ট্রাফিক আইন ভেঙেছে, পথচারীকে ধাক্কা মেরেছে এবং কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশকে মারধর করেছে। তারপরেও স্নেহের বশে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদের কাজ। পুলিশই বা লাইসেন্স সিজ করে কি করে। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর একজন পুলিশ কর্মী কীভাবে তার দায়িত্ব আইন মেনে পালন করতে পারবে?

SUDIPTA GUPTA - সুদীপ্ত গুপ্তের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাকে গুরুত্ব দেন না মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে তিনি ময়নাতদন্তের আগেই বলেন দুর্ঘটনা এবং পরে মন্তব্য করেন, ছোট্ট ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তা পাওয়ার পর অন্যায় করতে ভয় পায় না পুলিশ।

WEST BENGAL UNDER GOONDA RAJ - রায়গঞ্জে অধ্যক্ষ নিগৃহীত হলো তৃণমূল নেতাদের হাতে। টেলিভিশনের পর্দায় গোটা রাজ্যের মানুষ দেখতে পেয়েছিলেন অধ্যক্ষ নিগ্রহের ঘটনা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, ‘এসব ছোট ছোট ছেলেদের ঘটনা।’ মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য করার পর পুলিশের পক্ষে এই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। দুষ্কৃতীদের কিছুক্ষণের মধ্যেই জামিনের ব্যবস্থা করে দেয় পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর এই মনোভাব আইন ভাঙাকে প্রশ্রয় দিয়েছে।

GOOND RAJ - প্রকাশ্যে আইন ভাঙার খেলা শুরু হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার কয়েকমাসের মধ্যে। ২০১১’র ৬ই নভেম্বর তৃণমূল কর্মীরা ভবানীপুর থানা ভাঙচুর করে। পুলিশ কয়েকজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মাঝরাতে হাজির হন থানায়। পুলিশ কমিশনারের উপস্থিতিতে ধৃতদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান মুখ্যঝমন্ত্রী। এই ঘটনা থেকেই পুলিশ প্রশাসন ও রাজ্যের মানুষকে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলের জন্য কোন আইন নেই।

GOONDA RAJ IN WEST BENGAL: শাসকদলের কেউ অপরাধ করলে তার জামিন হয় মুহূর্তের মধ্যে। বিরোধীদের সাজানো মামলায় জেল হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যেই পুলিশকে তার মনোভাব বুঝিয়ে দেন। পুলিশের কাছে বার্তা পৌঁছে যায় ভাইপো-ভাইঝিদের জন্য কোনও আইন নেই।

GOONDA RAJ IN WEST BENGAL: তুঘলকী রাজত্ব। লুম্পেনদের রাজত্ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্ব। এসবই সমার্থক। এই পশ্চিমবঙ্গে আইন ভাঙাই আইন। এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো, মেয়রের ভাইঝি, মন্ত্রীর ভাগ্নে, এদের জন্য কোনও আইন নেই।

Saturday, May 23, 2015

MNREGA - সাধারণভাবে কর্মসংস্থান শ্লথ হয়ে গেছে। নির্বাচনী প্রচারে মোদী দাবি করেছিলেন, এক বছরে ২৫কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে। অথচ গত এক বছরে লেবার ব্যুরোর হিসেব, ১লক্ষ ৭০ হাজার কাজ বেড়েছে। এই পরিমাণ গত কয়েক বছরের সঙ্গে তুলনায় নিম্নতম। ‘আচ্ছে দিন’-এর কোনো লক্ষণই নেই!

MNREGA - সামাজিক ক্ষেত্রে কেন্দ্রের বরাদ্দ হ্রাস এখন ঘোষিত সত্য। খাদ্য ভরতুকি বাদ দিলে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের মাত্র ১.৬৮শতাংশ সামাজিক ক্ষেত্রে বরাদ্দ করা হয়েছে ২০১৫-১৬আর্থিক বর্ষের বাজেটে। তা গত বছরের থেকেও কম। ২০১০-১১-তেও তা ছিলো ২.৫শতাংশ, ২০১৩-১৪-তে প্রায় ২শতাংশ।

MNREGA - কৃষিক্ষেত্রের সঙ্কট তীব্র হয়েছে। ফসলের দাম তলানিতে ঠেকেছে। অর্থনীতিবিদের কেউ কেউ হিসেব করে দেখিয়েছেন, ফসলের গড় দাম কমে গেছে যদিও উৎপাদন খরচ কমেনি। একই সঙ্গে সহায়ক মূল্যের বৃদ্ধির হার গত এক বছরেই সবচেয়ে কম। সরকারি প্রক্রিয়ায় শস্য সংগ্রহও দারুণভাবে কমে গেছে। ফসলহানির ঘটনায় উত্তর, পশ্চিম ভারত ধুঁকছে।

NARENDRA MODI - রেগা প্রকল্প ছাঁটাই করার কর্মসূচি নিয়ে মোদী সরকার চলছে। গ্রামীণ কর্মসংস্থানের এই প্রকল্প মোট কাজের দিন দারুণভাবেই কমে এসেছে। ২০১০-১১-তে মোট কর্মদিবস তৈরি হয়েছিল ২৫০কোটির কিছু বেশি। মোদী সরকার ক্ষমতায় বসার আগেও তা ছিলো ২২০কোটির বেশি। মোদী সরকার বসার পরে ২০১৪-১৫-তে তা দাঁড়িয়েছে ১৪৮কোটি ৯০লক্ষে। এর প্রত্যক্ষ ফলাফল হলো গ্রামে কাজ কমেছে, গ্রামের গরিবের আয় কমেছে।

NARENDRA MODI - ভারতীয় মুদ্রার বিনিময়মূল্য নিয়ে এক সময়ে ইউ পি এ সরকারকে কটাক্ষ করলেও আবার তা দ্রুত অবনমনের পথে। শুক্রবার তা ছিলো এক মার্কিন ডলারপিছু ৬৩.৪৮টাকা। কংগ্রেসের মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা মন্তব্য করেছেন, ‘ভারতীয় টাকার দাম এবার অর্থমন্ত্রীর বয়স ছাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর বয়সের দিকে চলেছে’।

NARENDRA MODI - বাস্তবে মৌল ক্ষেত্রগুলিতে উৎপাদন কমে গেছে। কয়লা, বিদ্যুৎ, অশোধিত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ইস্পাত, সিমেন্ট, সার উৎপাদন শেষ ত্রৈমাসিকে ০.১ শতাংশ কমে গেছে। গত ১৭মাসে এই হার নিম্নতম। বিদেশী বিনিয়োগের জন্য এবং তথাকথিত বাজারকে চাঙ্গা করার জন্য সরকারের যাবতীয় উদ্যোগ সত্ত্বেও বিদেশি অর্থলগ্নি কমে যাচ্ছে। মে মাসেই বিদেশি অর্থলগ্নি সংস্থা ভারত থেকে ৫৫কোটি ডলার পুঁজি সরিয়ে নিয়েছে। ২০১৩-র আগস্টের পরে সর্বাধিক।

NARENDRA MODI - মোদী সরকার দাবি করছে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির হার অনেক বেড়েছে। প্রকৃতপক্ষে ভিত্তিবর্ষ এবং সূচক পরিবর্তন করে এই সুখী চিত্র দেখানো হচ্ছে। পুরনো ভিত্তি অনুযায়ী গণনা করা হলে ২০১৫-তে জি ডি পি বৃদ্ধির হার হবে ৬.২শতাংশ। নতুন হিসেবে তাকেই দেখানো হচ্ছে ৭.২শতাংশ। অথচ অর্থনীতির কোনো ক্ষেত্র থেকেই এই হারের সমর্থন মিলছে না। এমনকি রিজার্ভ ব্যাঙ্কও সংশয় প্রকাশ করেছে।

NARENDRA MODI - অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার স্লোগানে ক্ষমতায় এলেও এক বছরের মাথায় অর্থনীতির মৌলিক সূচকগুলিতেই পিছিয়ে যাচ্ছে মোদী সরকার। এমনকি যে বেসরকারি বিনিয়োগের ওপরে ভরসা করে মোদী অর্থনীতির ‘হাল ফেরানোর’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার পরিস্থিতিও মোটেই সুখকর নয়। ছোট-মাঝারি তো বটেই এমনকি বড় প্রকল্পেও বেসরকারি বিনিয়োগের হার খুব কম।

PINGLA - এস ইউ সি’র তরুণ নস্করের বক্তব্য, গোটা রাজ্য অস্ত্র ভাণ্ডারের উপর দাঁড়িয়ে আছে। আর মুখ্যমন্ত্রী বললেন অপরাধ যা ঘটেছে তাতে রাজ্যের পরিস্থিতি সন্তোষজনকই বলা যায়! এই ‘সন্তোষজনক’ শব্দটা উনি কিভাবে ব্যবহার করলেন!

PINGLA - পিংলায় বিস্ফোরণে রাজনৈতিক সন্ত্রাসবাদী যোগ স্পষ্ট। আমরা তো এসব শুনতে চেয়েছিলাম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। আর মুখ্যমন্ত্রী বললেন, কটা কৃষক বাজার হয়েছে, কটা হাসপাতাল হয়েছে, কতগুলি স্টেডিয়াম হয়েছে, এই সমস্ত।

লোকসভায় মুখ্যমন্ত্রী অনেকদিন ছিলেন কিন্তু বিধানসভায় এবারই প্রথম তাই নিয়ম-কানুন ওঁনার ঠিক মতো জানা নেই। ফলে বাজেট ছেড়ে উনি সাধারণ আলোচনায় চলে যান। জেলার পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকরা মনে করেন তাঁরা তৃণমূলের সভাপতি আর সম্পাদক। থানার ওসি তৃণমূলের ব্লক সভাপতি। আমরা যখন বাজেট করছি বাংলার মানুষ কাঁদছেন আর পুলিশ পা’য়ের উপর পা তুলে ঘুমোচ্ছে। তাঁদের এটাই করতে বলা হয়েছে।

দীর্ঘ বক্তৃতা শোনার পর বিভিন্ন দলের বিধায়করা বাইরে এসে বলেন, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী। উনি স্বরাষ্ট্র দপ্তর বাদে মন্ত্রিসভায় সব দপ্তরের কাজকর্মের ফিরিস্তি দিলেন। মানস ভুইঞার বক্তব্য, আমরা তো অবাক, হতবাক। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা শোনার পর আমাদের চূড়ান্ত হতাশা গ্রাস করেছে। উনি যেন রাজ্যপালের ভাষণের উপর বক্তৃতা দিলেন, স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেটের উপর কি বলতে হয় তা ঠিক ঠিক মতো ব্রিফ করেননি ওঁনার মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং দলের প্রবীণ সদস্যরা।

কলকাতা, ২২শে মে — শুক্রবার বিধানসভায় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেটের উপর মুখ্যমন্ত্রীর এক ঘণ্টা দশ মিনিট ভাষণের পর বিরোধীরা বললেন, এটা তো উনি রাজ্যপালের ভাষণের উপর বক্তৃতা দিলেন। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেটের উপর কী বলতে হয় তাই তো উনি জানেন না। বি জে পি-র শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, দীর্ঘ বক্তৃতায় উনি প্রমাণ করতে চাইলেন পশ্চিমবঙ্গ শান্তির মরুদ্যান।

PINGLA - পিংলার বিস্ফোরণে জখম আর এক যুবকের মৃত্যু। প্রায় ৮০শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল মুর্শিদাবাদের সুতির কিশোর জাহিরুদ্দিন শেখের। বিস্ফোরণের পরে প্রথমে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে কলকাতায় এম আর বাঙ্গুরে স্থানান্তরিত করা হয়। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও এই ক’দিন ছিলেন হাসপাতাল চত্বরেই। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এদিন দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।

PINGLA - গত ৬ই মে রাতে পিংলার ব্রাহ্মণবাড়ে তৃণমূল নেতা রঞ্জন মাইতি ও রামপদ মাইতির কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, সেদিন রাতে বাজির আড়ালে চলা তৃণমূলের সেই বোমা কারখানায় বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা কুড়ির বেশি। সেদিন রাতে প্রকাশ্যেই পুলিস একাধিক মৃতদেহ, ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া দেহাংশ অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায়। পিংলা থানার পুলিস একাধিক মৃতদেহ লোপাট করে দিয়েছিল বলেই অভিযোগ তাঁদের। সরকারের তরফে যেমন স্বীকার করা হয়নি যে এখানে শাসক দলের মদতে বোমা তৈরি হত তেমনি মৃতের সংখ্যা ১২’র বেশি নয় বলেই দাবি করা হয়েছে। যদিও মেদিনীপুর হাসপাতালে চিকিৎসারত সুতির যুবক ফারুক শেখ বলেছিলেন, মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি। মুর্শিদাবাদ থেকে আমরা ১৫জন এসেছিলাম। তার মধ্যে তিনজন বেঁচে আছি। অর্থাৎ মারা গেছে ১২। এছাড়াও কারখানার মালিক রামপদ মাইতি, তাঁর স্ত্রী রীণা মাইতি, তৃণমূল কর্মী শুভেন্দু ভকতও মারা যায়।

PINGLA - ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়ের সেই ঘটনাস্থলে তথ্য প্রমাণ সব লোপাট করে দিয়েছে পুলিস। ঘটনাস্থলের সব নমুনা, মাটি লরিতে তুলে নিয়ে চলে গেছে পুলিস। কেটে দেওয়া হয়েছে বোমা বিস্ফোরণে ঝলসে যাওয়া গাছগুলিও। এমনকি দু’দিন ধরে দমকলের গাড়ি এনে জল দিয়ে গোটা বিস্ফোরণস্থল ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ব্রাহ্মণবাড় গ্রাম কার্যত এখন অবরুদ্ধ, চারিদিক দিয়ে নাকাবন্দী করে রেখেছে পুলিস। এই অবস্থায় সেই বিস্ফোরণে আরও এক কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় রীতিমত ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এলাকায়।

PINGLA BLAST - কলকাতা, ২২শে মে—পিংলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়লো। ১৬দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে অসম লড়াইয়ের পর অবশেষে শুক্রবার এম আর বাঙুর হাসপাতালে মারা গেলেন পিংলার সেই তৃণমূলী বোমা কারখানার কর্মী জাহিরুদ্দিন শেখ (১৮)। মুর্শিদাবাদের সুতির বাসিন্দা এই যুবককেও নির্মাণ কাজের অছিলায় পিংলা ব্রাহ্মণবাড়ের সেই কারখানায় নিয়ে এসেছিল তৃণমূল নেতা রামপদ মাইতি।

দুর্বৃত্তদের পাশে দাঁড়ানো অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর নজিরবিহীন নয়। এর আগে ‘পার্ক স্ট্রিটে ধর্ষণ হয়নি’ দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী তা নিয়ে তৎপরতাকে ‘সরকারকে ম্যালাইন করার চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছিলেন। কামদুনিতে গ্রামবাসী নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন করায় তিনি ‘মাওবাদী’ বলে তাঁদের চিহ্নিত করেছিলেন। রানাঘাটে মিশনারি ধর্ষণের ঘটনায় মানুষের বিক্ষোভের সামনে ওই ঘটনাকে ‘চক্রান্ত’ বলেছিলেন। কাটোয়ার ধর্ষণকাণ্ডের পরে মমতা ব্যানার্জি দাবি করেছিলেন যে, অভিযোগকারিণীর স্বামী সি পি আই (এম)-র কর্মী। পরে জানা যায় ধর্ষণের অভিযোগ জানানো মহিলার স্বামী প্রায় দশ বছর আগে মারা গেছেন। এমন আরও ‘চক্রান্ত’, ‘সাজানো ঘটনা’-র তথ্য মুখ্যমন্ত্রী আরও দিয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা, ২১শে মে — রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতির ছবি ফুটে উঠেছে সাত্তোর, নানুরের সাম্প্রতিক ঘটনায়। কিন্তু দলের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবকে আড়াল করতে গ্রাম দখলের সশস্ত্র হানাদারিকে ‘সাজানো ঘটনা’ বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছিলেন মধ্যমগ্রামে দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সভায়। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘রাজনৈতিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের মোকাবিলা করতে পারেনি। তাই দুষ্কৃতীদের জড়ো করে হিংসাত্মক ঘটনা সাজানো হচ্ছে।’’ অর্থাৎ সাত্তোরসহ সাম্প্রতিক ঘটনাগুলিকে মুখ্যমন্ত্রী ‘নাটক’, ‘সাজানো’ বলেই চিহ্নিত করেছেন। তাঁর এদিনের মন্তব্যের তির মূলত বিরোধীদের লক্ষ্য করে। কিন্তু নানুর, সাত্তোর কিংবা রাজ্যজুড়ে ঘটে চলা হিংসাত্মক প্রতিটি ঘটনার পিছনে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দলেরই নেতা, কর্মীরা। গ্রাম দখলের যাবতীয় সশস্ত্র হানাদারি চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরাই, গ্রামবাসীদের অভিযোগে তা স্পষ্ট জানা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এই ঘটনাগুলিকে সাজানো কিংবা নাটক বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি দলের দুষ্কৃতীদের উৎসাহিত করেছেন — এমন অভিযোগই তুলছেন অনেকে।

১০০দিনের কাজ করে বকেয়া না পাওয়ায় গ্রামের গরিব মানুষ এখন সমস্যা আছে। প্রতিদিন বকেয়া টাকা দাবি করে পঞ্চায়েত দপ্তরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন গ্রামের মানুষ। কাজ করে প্রাপ্য অর্থ আদায়ের জন্য আগামী ২৯শে মে রাজ্যের সর্বত্র জেলা সদরমুখী সব রাস্তা দু ঘণ্টার জন্য অবরোধ করবেন গ্রামের মানুষ।

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রীর কাছে রেগা প্রকল্পে কাজ করা মানুষের বকেয়া মজুরির পরিমাণ কত জানতে চেয়েছিলেন সি পি আই (এম)-র বিধায়ক মনোরঞ্জন পাত্র। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রী জানান,‘‘ ৩১শে মার্চ, ২০১৫সালের মধ্যে এম জি এন আর ই জি এ প্রকল্পে কাজ করা মানুষের বকেয়া মজুরির পরিমাণ ১হাজার ৩৮৩কোটি ৫২লক্ষ টাকা।’’

বিধানসভার অধিবেশনে শুক্রবার সাধারণত মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের প্রশ্নের জন্য বরাদ্দ থাকে। এখনও পর্যন্ত গত চার বছরে বিধানসভার কোনো অধিবেশনেই মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা ৮টি দপ্তরের প্রশ্নত্তোর পর্ব রাখা হয়নি। এদিনও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। ফলে এদিন সভার শুরুতে বামফ্রন্ট বিধায়করা কেন মুখ্যমন্ত্রী সভায় নেই? কেন তাঁর হাতে থাকা দপ্তর নিয়ে কোনো প্রশ্ন এদিনও নেই তা অধ্যক্ষের কাছে জানতে চান। কিন্তু বামফ্রন্ট বিধায়কদের আপত্তি উড়িয়ে দিয়েই এদিন প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু করে দেন অধ্যক্ষ।

বিধানসভার অধিবেশনে শুক্রবার সাধারণত মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের প্রশ্নের জন্য বরাদ্দ থাকে। এখনও পর্যন্ত গত চার বছরে বিধানসভার কোনো অধিবেশনেই মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা ৮টি দপ্তরের প্রশ্নত্তোর পর্ব রাখা হয়নি। এদিনও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। ফলে এদিন সভার শুরুতে বামফ্রন্ট বিধায়করা কেন মুখ্যমন্ত্রী সভায় নেই? কেন তাঁর হাতে থাকা দপ্তর নিয়ে কোনো প্রশ্ন এদিনও নেই তা অধ্যক্ষের কাছে জানতে চান। কিন্তু বামফ্রন্ট বিধায়কদের আপত্তি উড়িয়ে দিয়েই এদিন প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু করে দেন অধ্যক্ষ।

১০০দিনের কাজের জবকার্ড এখন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মাতব্বরদের কাছে রাখা থাকে। কাজ না করেও সেই কার্ড থেকে টাকা তুলে নেওয়া হচ্ছে? পঞ্চায়েত মন্ত্রী এ বিষয়ে কিছু জানেন কী না? এই প্রশ্নেরই উত্তর দিতে গিয়ে সুব্রত মুখার্জি ১০০দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ স্বীকার করে নেন। তিনি অধিবেশনেই জানিয়ে দেন, রাজ্যের বেশ কিছু পঞ্চায়েত এলাকায় ১০০দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তাঁদের কাছে আছে।

সি পি আই (এম)-র বিধায়ক রামশঙ্কর হালদারের একটি অতিরিক্ত প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে সুব্রত মুখার্জি অধিবেশনে বলেন,‘‘রাজ্যের ৩৫০০গ্রাম পঞ্চায়েত আছে। তারমধ্যে কিছু পঞ্চায়েত থেকে অভিযোগ এসেছে। আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুই ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে।’’

১০০দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। ক্ষমতায় আসার পর থেকে গ্রামে ১০০দিনের কাজ নিয়ে ভুরিভুরি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় ১০০দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু রাজ্যের শাসকদলের পক্ষ থেকে প্রতি ক্ষেত্রেই অভিযোগকে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিন বিধানসভাতে তাৎপর্যপূর্ণভাবেই রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী ১০০দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ মেনে নিলেন।

এপ্রিল মাসেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে ১০০দিনের কাজের বকেয়া ১৮০০কোটি টাকা রাজ্য সরকার হাতে পেয়েছে। এতদিনে ১০০দিনের কাজে রাজ্যের মানুষের সব বকেয়া মিটে যাওয়া উচিত ছিলো। কিন্তু এখনও প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বকেয়া টাকা দাবি করে মানুষের বিক্ষোভ চলছে পঞ্চায়েত অফিসে। বকেয়া অর্থ আর কেন্দ্রের থেকে প্রাপ্য অর্থ নিয়েও অনেকে দুর্নীতির আশঙ্কা করছে। কিন্তু এদিন অবশ্য সব কিছুকে ছাপিয়ে গেছে রাজ্যে ১০০দিনের কাজ করা নিয়ে মন্ত্রীর দুর্নীতির অভিযোগকে স্বীকার করা।

১০০দিনের কাজ করা মানুষের বকেয়া টাকা ও কেন্দ্রের কাছ থেকে প্রাপ্ত টাকার হিসাব সুব্রত মুখার্জি দিয়েছেন তাতে গ্রামের কারোরও এক টাকাও বাকি থাকার কথা নয়। এদিন সুব্রত মুখার্জি বিধানসভায় জানান,‘‘এম জি এন আর ই জি এ প্রকল্পে কাজ করা মানুষের বকেয়া মজুরির পরিমাণ ১হাজার ৩৮৩কোটি ৫২লক্ষ টাকা।’’

NDTV See realtime coverage Truth vs Hype Exclusive: How the Cost of Sentry Shed Helped Acquit Jayalalithaa

http://www.ndtv.com/tamil-nadu-news/truth-vs-hype-exclusive-how-the-cost-of-sentry-shed-helped-acquit-jayalalithaa-765499

Prime Minister Modi and the BJP claim as their triumph, the fact that no corruption scam has emerged during the course of this year. Does anyone recollect any such scam during the first four years of the UPA government? Time will show this government’s record on this score as a result of aggressively pursuing crony capitalism.

Such are the triple dangers that have unfolded during the first year of this BJP-led NDA government. This undermines the very `idea of India’ – the secular democratic republic while imposing a merciless attack on the vast majority of our people. These are the broad parameters of this “minimum government and maximum governance”.

. Bypassing parliamentary procedures is the surest highway towards authoritarianism that can lead to the destruction of the democratic foundations of our republic. Combined with the communal onslaught and the aggressive pursuit of the hardcore Hindutva agenda, which seek to destroy the social harmony of our incredibly diverse society, these constitute a very grave attack on the foundations of our constitutional republican order.

Using the strength of its simple majority in the Lok Sabha, albeit with a mere 31 per cent of the vote polled, the BJP is attempting to bulldoze many crucial legislations without parliamentary scrutiny and a meaningful debate.

There are growing reports of communal tensions and even riots from various corners of our country. The attacks on Muslim minorities and particularly, Christian churches have exponentially grown. Prime Minister Modi refused on the floor of the parliament to even assure that action would be taken against members of his cabinet and MPs who continue to violate the law by delivering inciting hate speeches.

The BJP, as the political arm of the RSS, is advancing the project of transforming the modern secular democratic Indian republic into the RSS project of a rabidly intolerant fascistic `Hindu Rashtra’. The communal campaigns of ghar vapasi, love jihad are accompanied by frenzied efforts to replace history by mythology and philosophy by theology. This is resulting in the attempts to change the curriculum, the academic research bodies in the country etc. Scientific temper is being seriously assaulted.

Apart from its ideological conviction, lest these deteriorating livelihood conditions compel the people to strengthen popular protests, communal polarisation is being sharpened through the patronage provided by this government.

The promised better days (achche din) for the people by this government are turning from illusions into a nightmare. This one year has seen the hiatus between the two Indias widen sharply.

The rich have become richer. As per the Forbes list 2014, the 100 richest people in India are all billionaires ($ 1 billion is equivalent, now, to over Rs 6,400 crore). This is 45 more than the figure of 55 in the same list in 2011. The combined wealth of these 100 billionaires comes to $ 346 billion. The share of top 1 per cent in the total wealth of households has increased from 36.8 per cent in 2000 to a phenomenal 49 per cent in 2014.

The agrarian distress is deepening. For the first time since independence, a fall in the total cultivated area has been reported. With the hike in the prices of inputs and the sharp decrease in subsidies, many farmers are simply finding agricultural activity not providing them enough to make even both ends meet. This is resulting in continued incidence of distress suicides. The state of the workers is no better. The share of wages as a proportion of GDP now stands a little over 10 per cent compared to over 25 per cent in 1990-91.

The statistical base year for national income accounts has been changed in order to project the GDP growth rate in a better light. Notwithstanding this, it is clear that manufacturing and industrial growth is just not taking off. Corporates have registered an unprecedented accumulation of inventories. This is leading to a fall in employment sharply increasing the ranks of the unemployed youth. Coupled with the relentless rise in the prices of all essential commodities and successive big hikes in the prices of fuel, this is imposing severe hardships on the livelihood status of the vast majority of our people.

This Modi government has relentlessly pursued the neo-liberal economic reforms trajectory followed by Dr Manmohan Singh more aggressively. All key sectors of our economy are now opened up for greater FDI inflows. They are backtracking on many issues that they had opposed earlier like permitting FDI in retail trade etc. On this score, the most brazen U-turn has been the new Land Acquisition Ordinance they have pushed through thrice now negating their own support to the 2013 Bill. The urgency to handover real estate to foreign and domestic corporates for fast profit maximisation is driving this agenda at the expense of ruining vast sections of our peasantry. Natural mineral resources are being opened up to foreign and domestic corporate houses along with ambitious targets of the privatisation of the public sector. Crony capitalism is having a field day.

Even in terms of the broad parameters, it is by now clear that there is a new three-fold attack that is being mounted on both the country and the people. The aggressive pursuit of the neo-liberal policies of economic reforms; the relentless onslaughts on the secular democratic foundations of the Indian republic by the sharpening of communal polarisation and the movement towards an authoritarian rule through the erosion of democratic institutions and methods considered sacrosanct in a parliamentary democracy, constitute the current constellation of attacks before us.

This apart, during the course of this one year, the country and the world is being told ad nauseum that PM Modi and the BJP government is rebuilding India from the ruins left behind by six decades of successive governments in independent India. In the bargain, they are being most uncharitable by not even recognising the six year long NDA government led by Atal Behari Vajpayee. Undoubtedly, there have been a plethora of unfulfilled promises made to the people, a merciless loot of our resources and growing exploitation of our people during these decades. This, however, is not the point of this Modi government’s public relations exercise. The point is, to portray this government as the only one capable of delivering a resurgent India.

In his latest speech to the NRIs in the last country that Prime Minister Modi visited, he thundered that while the NRIs were ashamed to say that they were Indians during the last six decades, they are filled with pride to declare their patriotism today, because of his government. He and the BJP will do well to elicit the opinion of many a patriotic NRI who stoutly defended their Indian citizenship and retained Indian passports.

During the course of this one year, Prime Minister Modi has gone on a record eighteen foreign visits. While the country and the people wished that he paid more attention to solving domestic problems, the RSS is elated that through these visits, the PM helped in spreading RSS networks in 40 countries across the world! Clearly, he continues to discharge his responsibilities as an RSS pracharak!

Friday, May 22, 2015

রাজ্যের মানুষের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মা বোনেদের সুরক্ষা সবাই আজ বিপন্ন। নারায়ণগড়ে কৃষকরা মিছিল করে কাকে ধান বিক্রি করবে জানতে চেয়ে পঞ্চায়েতদপ্তরে যাচ্ছিল। রাস্তাতেই আক্রান্ত হতে হয়েছে তাঁদের। নেপালের ভূমিকম্প পীড়িত মানুষের জন্য অর্থসংগ্রহ করছিলেন বামপন্থীরা। দুর্গাপুরে তাঁদের ওপরও অযথা আক্রমণ করে টাকা পয়সা কেড়ে নেওয়া হলো।

FALSE PROMISES OF MAMATA BANERJEE - তৃণমূল কংগ্রেসের বিধানসভা নির্বাচনের ইশ্তেহারের ৩৪ নম্বর পাতায় কী বলেছিলেন মমতা ব্যানার্জি? ‘‘গ্রামের আধাবেকারসহ এখন বেকারের সংখ্যা ১কোটি। এদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। এরজন্য বিশেষ ভূমিকা নেবে এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক।’’ এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্কের প্রচার বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে তৃণমূল নেত্রীর মুখ থেকে শোনা। ব্যাঙ্কটি হয়েছে। নাম লিখিয়েছেন প্রায় ১৮লক্ষ যুবক-যুবতী। কাজ পেয়েছেন এক হাজারের জনের কম! ইশ্তেহারের দশম পাতায় মমতা ব্যানার্জির ঘোষণা ছিল পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি মহকুমায় দশটি করে, অর্থাৎ ৫২০টি শিল্প গড়ে উঠবে। বাস্তবে ১৯টি জেলায় একটি করে হয়নি।

মুখ্যমন্ত্রীর ‘ভিশন ডকুমেন্ট’: কারিগরি ও উদ্ভাবনা ক্ষেত্রে একটি উৎকর্ষকেন্দ্র হবে। এমন কিছু হয়নি।

মুখ্যমন্ত্রীর ‘ভিশন ডকুমেন্ট’: টিকাকরণসহ চিকিৎসার অন্যান্য ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ বা উৎকর্ষকেন্দ্র তৈরি হবে। এই ঘোষণাটি সম্ভবত সরকারের কর্তাদেরই মনে নেই।

মুখ্যমন্ত্রীর ‘ভিশন ডকুমেন্ট’: হলদিয়া, দুর্গাপুর, খড়্গপুর, কল্যাণী এবং শিলিগুড়িতে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প প্রসারিত করা হবে। বাস্তব অবস্থা কী? হলদিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী শিলান্যাস করেছিলেন ২০১২-তে। শিলাটি পাওয়া যাচ্ছে না। দুর্গাপুর, খড়্গপুর, কল্যাণীতে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের কোন লক্ষণ নেই। শিলিগুড়িতে আই টি-ফেস ২-র কাজ তৃণমূল সরকার করবে বলে ঘোষণা করেছিল। সেই কাজ এখনো হয়নি।

মুখ্যমন্ত্রীর ‘ভিশন ডকুমেন্ট’: চা এবং পাট শিল্প পুনরুজ্জীবন পরিকল্পনার প্রয়োগ শুরু হবে। এই ক্ষেত্রে আরও চা বাগান বন্ধ হয়েছে। অনেক চা শ্রমিক আত্মঘাতী হয়েছেন। পাট শিল্পের অবস্থাও আরও খারাপ হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যে ১১টি চটকল বন্ধ হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর ‘ভিশন ডকুমেন্ট’: রাজ্যজুড়ে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ নেটওয়ার্ক’ তৈরির কাজ শুরু হবে। এমন কোন ঘোষণা সরকার গঠনের পর আর উচ্চারিতই হয়নি।

মুখ্যমন্ত্রীর ‘ভিশন ডকুমেন্ট’: ওই ‘দলিল’ বলেছিল প্রতিটি জেলায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ হবে। এমন কোন হাবের চিহ্ন নেই। চার বছরে কিছু হয়নি।

মুখ্যমন্ত্রীর সেই ‘ভিশন ডকুমেন্ট’-র কথা উল্লেখ না করে উপায় নেই।ওই ‘দলিল’ বলেছিল (১) ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পে ক্লাস্টার গঠনে ‘ঝাঁপানো’ হবে। গত চার বছরে রাজ্যে একটিও ক্লাস্টার হয়নি। বরং ক্ষুদ্রশিল্পের সংখ্যা এবং সেখানে কাজের বন্দোবস্ত, দুই কমেছে গত চার বছরে। উদাহরণ, রাজ্য সরকারের সমীক্ষাই জানিয়েছে ২০১৩-’১৪-তে রাজ্যে তৈরি হয়েছে (উৎপাদন শুরু হয়েছে, এমন না) ৬২২৪টি ইউনিট। সরকারের দাবি কর্মসংস্থান হবে ৬২২৯৯। আর ২০০৭-’০৮-এ রাজ্যে তৈরি হয়েছিল ১৭৬১৮টি সংস্থা। কর্মসংস্থান হয়েছিল ১লক্ষ ৮৩হাজার ২৪২জনের। অর্থাৎ ছোট, ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্পে রাজ্য পিছিয়েছে।

PROMISES OF MAMATA BANERJEE: ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনের আগে একটি ভিশন ডকুমেন্ট প্রকাশ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানেই ছিল ২০০ দিনের কাজের ঘোষণা। কিন্তু উনষাট পাতার সেই নথিতে দুশো দিনের পাশাপাশি ১০০০ দিনেও কী করবেন তার একটি তালিকা দিয়ে রেখেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। সেই নথিটির কথা তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও নেতা, মন্ত্রী এখন ভুলেও উচ্চারণ করেন না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি একশো ভাগ পালন করেছেন বলে দাবি করলে সেই ‘ভিশন’-র নথি খুঁজে বের করার দায়িত্ব নিতেই হয়।

PROMISES OF MAMATA BANERJEE: কলকাতা, ২১শে মে — সব প্রতিশ্রুতি পালন করেছেন মমতা ব্যানার্জি। কোনও প্রতিশ্রুতি নেই, যা তাঁর সরকার পালন করেনি। এমনটাই দাবি করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তাঁর ফেসবুক পোস্টে।বুধবার তিনি এমনটি লিখেছেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতিগুলি মোটেই তাঁর দাবির সঙ্গে একমত হতে পারছে না। প্রতিশ্রুতি পালনের তুলনায় ভুলে যাওয়ার সংখ্যা অনেক বেশি। এ ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিগত সরকারের বিরাট ঋণের বোঝা সত্ত্বেও তিনি এই প্রতিশ্রুতি পালনে সফল হয়েছেন। যদিও রাজ্যের অর্থদপ্তরের নথি বলছে, রেকর্ড ধার করেছে মমতা ব্যানার্জির সরকার। এবং বছরভর মেলা, উৎসব, মন্ত্রীদের বেতন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেদার টাকা খরচ করেছে তাঁর সরকার গত চার বছরে। যার কোনটিই তাঁর ঘোষণায় ছিলো না।

AAP GOVERNMENT: কেজরিওয়ালের মতে শিল্পপতি-আমলা-রাজনীতিকদের এই অশুভ আঁতাতের বিরুদ্ধে তারা লড়াই করছেন। দিল্লিতে তাঁদের সরকার বিদ্যুতের দাম কমিয়েছে। এই নিয়ে তারা আরও বড় লড়াইয়ে নামবেন। এই পরিস্থিতিতে উপযুক্ত ব্যক্তিকেই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে চান। বিষয়টি তাঁরা প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকেও জানিয়েছেন। অথচ কেন্দ্র কোনো উচ্চবাচ্য করছে না। তাই সন্দেহ গভীর হয় গোটা ঘটনাক্রমের মধ্যে বি জে পি-র রাজনৈতিক অভিসন্ধি লুকিয়ে আছে। একই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে দলের নেতাদের বিভিন্ন রাজ্যে রাজ্যপাল করে পাঠানো হচ্ছে। লক্ষ্য বিরোধীদের সরকারকে বেকায়দায় ফেলা এবং শাসকদলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করা।

AAP GOVERNMENT: দিল্লি সরকারের বক্তব্য হলো জঙ যাকে নিয়োগ করেছেন তাঁর সঙ্গে দিল্লিতে বিদ্যুৎ বণ্টনকারী বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থার স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের সুবিধা করে দেবার চেষ্টা করেন ঐ আমলা। রিলায়েন্স বিদ্যুৎ সংস্থার ১১ হাজার কোটি টাকার ঋণের গ্যারান্টার সরকারকে করার একটি চিঠি স্বাক্ষর করিয়ে নিতে গিয়ে ধরা পড়ে যান। না দেখে স্বাক্ষর করা হলে গোটা টাকার দায় এসে পড়ত দিল্লির মানুষের ওপর।

ARVIND KEJRIWAL: আপ সরকারের অভিযোগ তাদের সরকারকে অপদস্ত করা, কাজে বাধা সৃষ্টি করার জন্য মোদী সরকার জঙকে ব্যবহার করছে। কোন্ আমলাকে কোন্ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে তা ঠিক করার পূর্ণ অধিকার যেকোন নির্বাচিত সরকারের আছে। সেখানে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ বা অতি সক্রিয়তা অবাঞ্ছিত।

ARVIND KEJRIWAL: দিল্লির মুখ্যসচিব কে কে শর্মা ছুটিতে যাবার ফলে ঐ পদে কাউকে অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব দেবার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছিলেন পরিমল রাইকে ঐ পদে বসাতে। কিন্তু উপরাজ্যপাল জঙ মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দকে উপেক্ষা করে নিজের পছন্দ মতো বিদ্যুৎ সচিব শকুন্তলা গ্যামলিনকে নিয়োগের নির্দেশ দেন প্রিন্সিপাল সচিব অরিন্দম মজুমদারকে। মুখ্যমন্ত্রী এই নির্দেশ কার্যকর করতে নিষেধ করেন মজুমদারকে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে মজুমদার গ্যামলিনকেই অস্থায়ীভাবে মুখ্যসচিব পদে বসান। এরপরই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী প্রিন্সিপাল সচিব পদ থেকে সরিয়ে দেন মজুমদারকে। আর সেই পদে নিয়োগ করেন রাজেন্দ্র কুমারকে। দেখা যাচ্ছে বি জে পি-কে গো হারা হারিয়ে বিপুল জনাদেশ নিয়ে নির্বাচিত কেজরিওয়াল সরকারের ওপর ছড়ি ঘোরাতে কেন্দ্র নিযুক্ত উপরাজ্যপাল অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।

একজন রাষ্ট্রপতির বকলমে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক নিযুক্ত তথাকথিত সাংবিধানিক প্রধান। অন্যজন জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সংসদীয় প্রধান। এই দুই প্রধানের মধ্যে সরকার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে কার অধিকার স্বীকৃত হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বস্তুত বিভিন্ন প্রসঙ্গে এই দ্বন্দ্ব নতুন নয়। অতীতে বহু রাজ্যে বহু ক্ষেত্রে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী তথা সরকারের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে রাজ্যপাল নিয়োগ নিয়ে। বিরোধ হয়েছে রাজ্যপালদের অধিকার ও হস্তক্ষেপের সীমা নিয়ে। প্রতিবাদ হয়েছে রাজ্যপালের অতি সক্রিয়তা নিয়েও। এমনকি রাজ্যপাল পদের যৌক্তিকতা নিয়েও বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠেছে। যুক্তি এসেছে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন কাঠামোয় রাজ্যপাল পদটি একেবারেই অকিঞ্চিৎকর। যেখানে গোটা ব্যবস্থাটাই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত সেখানে কেন্দ্রের মনোনীত কোন ব্যক্তি একটি নির্বাচিত রাজ্য সরকারের মাথার ওপর বসে কী করে? পুরানো হলেও সঙ্গত এই বিতর্কটি ফের সামনে এসে গেছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে উপরাজ্যপাল নাজিব জঙের বিরোধকে কেন্দ্র করে।

Saturday, May 16, 2015

সেন্টার ফর পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন এই মামলায় তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ করেছে, কাউকে ভ্রমণের ব্যবস্থা করে দিয়ে, কোনো ক্ষেত্রে চাকরিতে নিয়োগ করে, কোথাও উপঢৌকন দিয়ে ‘অশুভ আঁতাত’ তৈরি করেছিল এসার। ইতোমধ্যে সরকারি নথি পাচারের ঘটনায় এসার কোম্পানির কর্তাব্যক্তিদের আটক করেছে পুলিশ। বিশেষ করে কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক থেকে গোপনীয় নথি পাচার হয়ে গেছে এসারসহ কয়েকটি সংস্থার হাতে। এই বিষয়েও সি বি আই তদন্ত দাবি করেছে মামলার আবেদনকারী সংগঠন।

এসার একটি কয়লা খাদান পাবার জন্য তদবির করছিল। তদানীন্তন অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ করেছিল। ২০১২সালের ১লা মে কর্তারা মুখার্জির সঙ্গে দেখা করার পরে অর্থমন্ত্রী জনৈক সন্তোষ রেড্ডিকে কোম্পানিতে নিয়োগের সুপারিশ করেন। বস্তুত ই-মেল থেকে দেখা যাচ্ছে এই সুপারিশ তিনি আগেও করেছিলেন এবং তারপরেও নিয়োগ না হওয়ায় মুখার্জি ক্ষোভপ্রকাশ করেন। পরের দিনই, অর্থাৎ ২০১২-র ২রা মে রেড্ডি মাসিক এক লক্ষ টাকা বেতনে এসারে নিয়োগপত্র পেয়ে যান।

দ্বিতীয় হলফনামা উদ্ধৃত করে মুম্বাই থেকে প্রকাশিত ডি এন এ পত্রিকা শুক্রবার এসারের অভ্যন্তরীণ ই-মেল প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০১২-র ২৪শে জুলাই গালফস্ট্রিম ভি বিমানে মমতা ব্যানার্জি ও তাঁর পাঁচ সঙ্গী দিল্লি গিয়েছিলেন এবং ২৫শে জুলাই তাঁরা কলকাতায় ফেরেন। এসার এই ব্যবস্থা করেছিল। মমতা ছাড়াও ছিলেন তখন নেত্রীর ছায়াসঙ্গী কুণাল ঘোষ, মিঠুন চক্রবর্তী এবং তিনজন সাংবাদিক। ওই বিশেষ বিমানে রাতের খাবারের ব্যবস্থাও করেছিল এসার। তাজ বেঙ্গল হোটেল থেকে খাবার এসেছিল। এমনকি যাত্রীদের অনুরোধ মোতাবেক ফিশ ফ্রাই, চিকেন টিক্কা, স্যানডউইচ মেনুতে যুক্ত করা হয়েছিল। দিল্লি থেকে মিঠুন চক্রবর্তী মু্ম্বাই গিয়েছিলেন। তাঁর টিকিট ( ৯ ডব্লিউ ৩৬২ বিমান) কেটে দিয়েছিল এসার, বিজনেস ক্লাসে সেই টিকিট কাটা হয়েছিল। হায়াত রিজেন্সির ঘর বুক করা হয়েছিল কোম্পানির নামে এবং একটি বিলাসবহুল গাড়ি দেওয়া হয়েছিল দিনভর ব্যবহারের জন্য। সবই এসারের খরচে। এই সংবাদের সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখপাত্রও। ডি এন এ পত্রিকার প্রশ্নের উত্তরে রাজ্য সরকারের মিডিয়া উপদেষ্টা প্রদীপ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখার্জির শপথ গ্রহণে উপস্থিত থাকতেই তাঁরা গিয়েছিলেন।

নয়াদিল্লি, ১৫ই মে— এসার মামলায় এবার উঠে এলো পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর নাম। এসার কোম্পানি ইউ পি এ আমলে মন্ত্রী-শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে, তাঁদের বিস্তর সুবিধা দিয়ে নিজেরা বিপুল সুবিধা আদায় করেছে, এই মর্মে জনস্বার্থের মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলারই আবেদনকারীরা দ্বিতীয় যে হলফনামা জমা দিয়েছে, সেখানে মমতা ব্যানার্জির নামও উল্লিখিত হয়েছে। তখন তিনি পশ্চিবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। এসারের পাঠানো বিশেষ বিমানে কলকাতা থেকে দিল্লি যাতায়াত করেছিলেন মমতা ও তাঁর পাঁচ সঙ্গী— হলফনামায় নির্দিষ্টভাবেই সেই অভিযোগ করা হয়েছে। এসার সংস্থার অভ্যন্তরের ই-মেল উদ্ধৃত করেই কোম্পানির এই অনৈতিক সুবিধা বণ্টনের মামলা করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ইউ পি এ আমলের কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে হলফনামা জমা পড়েছে। তদানীন্তন অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির সঙ্গেও এসার সংস্থার যোগসাজশের অভিযোগ জমা পড়েছে।

dna Exclusive: Fresh Essar mails put Pranab Mukherjee, Veerappa Moily, Mamata Banerjee in dock | Latest News & Updates at Daily News & Analysis

dna Exclusive: Fresh Essar mails put Pranab Mukherjee, Veerappa Moily, Mamata Banerjee in dock | Latest News & Updates at Daily News & Analysis



দেশের অথবা রাজ্যের উন্নতি নয় কিছু ব্যক্তির স্বার্থসিদ্ধি হলেই এরা খুশি। লক্ষ লক্ষ বেকার ছেলেদের নানান ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে এরা ব্যবহার করছে এবং তারাই প্রশাসনের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষমদতে সমাজবিরোধী কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছে। জোর করে চাঁদা আদায়, তোলবাজি, জমির দালালি এগুলিই এখন বেকার যুবকদের আয়ের মূল উৎস। এই কাজে যারা অভিজ্ঞ নয় তারা এইসব দেখেশুনে এই ধরনের ব্যবসা থেকে হাত গুটিয়ে নিয়ে বসে আছে, ফলে রাজ্যের অর্থনীতির চাকা কার্যত দাঁড়িয়ে গেছে। ঘোরার আর পথ পাচ্ছে না। -নিরুপম সেন

জিন্দাল চলে যাবার পর এই সরকার কারখানা গড়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর তরফে একটা অনুরোধ পর্যন্ত যায়নি। ভাবখানা এই যাক্ বাঁচা গেল —ঝামেলা কমলো। কারখানা থেকে শুখা জমি ফেরত পাওয়া অনেক জরুরি ছিল। শিল্প থাকা না থাকা আসা-যাওয়ায় এই সরকারের কিছুই এসে যায় না। এরা মনে করে শিল্প না হলে ও ভোট হবে। বেকারত্ব বাড়বে। সমাজবিরোধী সৃষ্টি হবে। আর এরাই এই সরকারের ক্যাডার বাহিনী। নির্বাচনের দিন বুথে হাজির হবে ভোটারের পরিবর্তে এই সমস্ত সমাজবিরোধীরা যারা নিজেরাই ভোট দেবে। ফলে জয়ও নিশ্চিত। অতএব সাত খুন মাপ! -নিরুপম সেন

এবার শোনা যাচ্ছে আরও জোরদার করে ইংল্যান্ড সফর হবে। জিন্দাল চলে যাবার পর এই সরকার কারখানা গড়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর তরফে একটা অনুরোধ পর্যন্ত যায়নি। ভাবখানা এই যাক্ বাঁচা গেল —ঝামেলা কমলো। কারখানা থেকে শুখা জমি ফেরত পাওয়া অনেক জরুরি ছিল। শিল্প থাকা না থাকা আসা-যাওয়ায় এই সরকারের কিছুই এসে যায় না। এরা মনে করে শিল্প না হলে ও ভোট হবে। বেকারত্ব বাড়বে। সমাজবিরোধী সৃষ্টি হবে। আর এরাই এই সরকারের ক্যাডার বাহিনী। নির্বাচনের দিন বুথে হাজির হবে ভোটারের পরিবর্তে এই সমস্ত সমাজবিরোধীরা যারা নিজেরাই ভোট দেবে। ফলে জয়ও নিশ্চিত। অতএব সাত খুন মাপ! -নিরুপম সেন

স্বাধীনতার পর পশ্চিম বাংলার জীবনে এমন দুর্ভোগ আর আসেনি। যে কটা বড় মাঝারি বৃহৎশিল্প বাম সরকারের আমলে এই রাজ্যে বাসা বেঁধেছিল তারা সকলেই একে একে বর্তমান রাজ্য সরকারের কল্যাণে বিদায় নিয়েছে। এখন আর একটিও পড়ে নেই। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই সরকারের সেদিকে কোন দৃকপাত নেই। জিন্দাল চলে যাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য ‘‘ ওরা জমি ফেরত দেবে বলেছে’’ কিন্তু কারখানাটা কেন হলো না তার কোন কৈফিয়ত দেবার প্রয়োজন মনে করলো না। -নিরুপম সেন

একে একে নিভিছে দেউটি। ৬ই মে-র সংবাদপত্র থেকে জানা গেল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ তথ্য প্রযুক্তি কোম্পানি ‘ইনফোসিস’ পাততাড়ি গুটিয়ে কলকাতা ছেড়েছে। বামফ্রন্ট সরকার বহু কষ্ট স্বীকার করে ঐ জমি উদ্ধার করে ‘রাজারহাট’-এ ‘ইনফোসিস’কে দেওয়া হয়েছিল। তাদের ‘ক্যাম্পাস’ গড়ে তোলার জন্য। কিন্তু সে ‘‘ভস্মে ঘি ঢেলে’’ দেওয়া হলো। এখন আর এ রাজ্যে গর্ব করার মতো কোন তথ্য প্রযুক্তি কেন্দ্র রইলো না। এই সরকার আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত গত ৪ বছরে একটিও নতুন কারখানা গড়ে ওঠেনি। -নিরুপম সেন

নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন সামনের বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীদের চুন চুন কে হারাতে হবে। এ প্রসঙ্গেই এদিন বিরোধী দলনেতা সাংবাদিকদের কাছে বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর এমন ডায়ালগ আমরা অনেক শুনেছি। এখন অবশ্য উনি ছাত্রছাত্রীদের ওঁর ভাষাশিক্ষা দিচ্ছেন।

জঙ্গল মহলের মাওবাদী নেতা যিনি একসময় তৃণমূলনেত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী বানানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন তাঁর কী হাল হয়েছে তা রাজ্যবাসী দেখেছেন আগেই। এখন সেই ছত্রধর মাহাতো যিনি একসময় মুখ্যমন্ত্রীর মাথায় ছাতা ধরেছিলেন, তাঁর হালও দেখছেন রাজ্যের মানুষ। তাই সতর্কতা তৃণমূলীদের জন্য— নিজের দল সম্পর্কেই সতর্ক থাকুন।

শুক্রবারই রাজ্য বিধানসভার পঞ্চদশ অধিবেশনের শুরুতে শোক প্রস্তাবে নেপালে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি শোকজ্ঞাপন থাকলেও পিংলায় বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে নিহতদের নামোল্লেখ পর্যন্ত থাকলো না। শুধু এই বৈপরীত্যই নয়, এমনকি এই সময়ের মধ্যে প্রয়াত হওয়া শাসকদলের নেত্রী তথা কলকাতা কর্পোরেশনের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র ফরজানা আলমের নামও থাকলো না শোক প্রস্তাবে।

গত চার বছরে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি সাংঘাতিক। দপ্তরের মন্ত্রীরাও সঠিক দায়িত্ব পালন করছেন না

প্রশ্নোত্তর পর্বে কোনদিন কোন বিধায়কের প্রশ্ন থাকবে তা বিধায়ক এবং মন্ত্রীদের আগাম জানানো হতো। কিন্তু এখন থেকে শুনছি মন্ত্রীদের জানিয়ে দেওয়া হলেও বিধায়কদের আর আগাম জানানো হবে না কোনদিন কার প্রশ্ন আছে। তারফলে কোনও বিধায়ক গরহাজির থাকলেই মন্ত্রীদের অপদার্থতার দায়ভার বিধায়কদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হবে। এই যাবতীয় সমস্যার কথা বিধানসভার কার্যবিবরণী সভায় অধ্যক্ষকে জানানো হয়েছে বলে এদিন বলেন বিরোধী দলনেতা।

বছরের পর বছর কোন আলোচনা হচ্ছে না মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরগুলি নিয়ে। আজ পর্যন্ত ভূমি সংস্কার নিয়ে কোনওরকম আলোচনাই হল না। প্রায় পাঁচটা বছর কাটতে চললো এই সরকারের ভূমি নীতি কী তা জানতেই পারলেন না রাজ্যের মানুষ। মুখ্যমন্ত্রীর নিজের হাতে থাকা বিভাগ স্বাস্থ্য নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা হয় বটে, কিন্তু সেই আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রীই থাকেন গরহাজির।

সমস্যা হচ্ছে দপ্তর ভিত্তিক বাজেট বক্তৃতা যদি না পাওয়া যায়, তাহলে আলোচনা হবে কিসের ভিত্তিতে? স্ক্রুটিনিই বা হবে কিভাবে? এমন অসঙ্গতির ফলে অর্থমন্ত্রী যে আর্থিক প্রস্তাব রাখছেন তার সঙ্গে দপ্তরে যে ফাইল তৈরি হচ্ছে তার কোনও মিলই থাকছে না। কার্যত বিধানসভার যাবতীয় আলোচনার গুরুত্বকে নস্যাৎ করা হচ্ছে। বিধানসভার গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে আর একইসঙ্গে সরকারের দায়সারা মনোভাব প্রকাশ পাচ্ছে।

বিধানসভাতেও সাংবিধানিক নীতি দায়িত্ব পালনে রাজ্য সরকারের অপদার্থতা ফুটে বের হচ্ছে। রাজ্য সাধারণ বাজেট পাস হয়ে গেছে। এই অধিবেশনে দপ্তর ভিত্তিক বাজেটের ওপর আলোচনা হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত দপ্তর ভিত্তিক বাজেট বক্তৃতা তৈরিই হলো না। যা নজিরবিহীন।

আমাদের দুর্ভাগ্য বারেবারেই আদালতের রায়ে শুনতে হচ্ছে রাজ্য সরকার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে অপারগ। বারেবারেই কোর্টকে বলতে হচ্ছে সরকারকে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।

কলকাতা, ১৫ই মে— যথেষ্ট হয়েছে, এবার অন্তত শিক্ষাগ্রহণ করুক রাজ্য সরকার। আদালতের রায় মেনে নিয়েই অবিলম্বে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুক রাজ্য সরকার। এতো ভয় পাবেন না নির্বাচনকে। শুক্রবার ৭টি পৌরসভার নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের ভিত্তিতে বিধানসভায় এই মন্তব্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের।

Friday, May 15, 2015

WB STATE ELECTION COMMISSION - হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ন্যস্ত সাংবিধানিক দায়িত্বের কথাই মনে করিয়ে দিয়েছে। কমিশন কিছুই করতে পারে না, এমন যুক্তি আদালতের কাছে যে গ্রাহ্য হচ্ছে না, তা-ও স্পষ্ট এদিনের রায় থেকে।

RAJARHAT-GOPALPUR: রাজ্য সরকারকে দুমাসের মধ্যে নির্বাচন সেরে ফেলার জন্য আদালত নির্দেশ দিলেও রাজ্য নির্বাচন কমিশনও এব্যাপারে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। এই সময়ের মধ্যেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, সাতটি পৌরসভার ভোট নিয়ে রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোন বৈঠক করেনি। যদিও নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনও এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে কোন চিঠি দেয়নি। গত ১৬ ই এপ্রিল আদালতের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত চার সপ্তাহ পরে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনও কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। কমিশন বলে, আদালত বকেয়া সাতটি পৌরসভার নির্বাচন দ্রত সেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখনও করেনি। এমনকি এখনও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্য সরকারের বকেয়া নির্বাচন সেরে ফেলার জন্য কোন আলোচনা করেনি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরে সাতটি পৌরসভার নির্বাচন করতে রাজ্য সরকার আরও সময় চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছে। অথচ আদালত নির্দেশ দেবার পর প্রায় এক মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। এই অবস্থায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন সাতটি পৌরসভায় কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করবে তার পরামর্শ দিক আদালত। বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী নয়ন বিহানী যুক্তি দেখিয়েছিলেন, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট তৈরি করার ক্ষমতা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের একার এক্তিয়ারের মধ্যে নেই। তাছাড়া রাজ্য সরকার আদালতের নির্দেশের পর দুমাস সময় পেয়েও কমিশনের সঙ্গে কোন আলোচনায় বসেনি। ফলে আদালতের পরামর্শ ছাড়া সাতটি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার কোন উপায় কমিশনের কাছে নেই।

ASANSOL - সরকারের বক্তব্যকে আমল না দিয়ে ১৬ই এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিসন বেঞ্চ তার নির্দেশে সংশ্লিষ্ট সাতটি পৌরসভার নির্বাচন ফেলে রাখা যাবে না জানিয়ে নির্বাচনের জন্য দুমাস সময় বেঁধে দিয়েছিল। রাজ্য সরকার এই নির্দেশ পাবার পরও গড়িমসি করে আদালতের নির্দেশের প্রায় তিন সপ্তাহ পরে আরও সময় চেয়ে নতুন একটি আবেদন আদালতে দাখিল করে। সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে হাইকোর্ট।

JAMURIA - রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, এই সাতটি পৌরসভা কর্পোরেশনের অধীনে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই পরিকল্পনার কথা মার্চ মাসে সাংবাদিকদের কাছে ব্যাখ্যা করেছিলেন পৌরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পৌরমন্ত্রী সেদিন জানিয়েছিলেন, রাজ্য সরকার আপাতত কলকাতা কর্পোরেশন, শিলিগুড়ি কর্পোরেশনসহ রাজ্যের ৯২ টি পৌরসভার ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাতটি পৌরসভার নির্বাচন এখন করা হবে না। জামুড়িয়া, কুলটি এবং রানিগঞ্জ পৌরসভাকে আসানসোল কর্পোরেশনের সঙ্গে যুক্ত করার কথা ভাবা হয়েছে। হাওড়া কর্পোরেশনের সঙ্গে যুক্ত হবে বালি পৌরসভা, বিধাননগর এবং রাজারহাট গোপালপুর পৌরসভাকে সংযুক্ত করা হবে। রাজ্য সরকারের এই ভাবনার কথা আদালতে জানিয়েছিলেন রাজ্য সরকারের আইনজীবী।

BALLY - গত ১৬ই এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নির্দেশ দিয়েছিলেন দুমাসের মধ্যে এই সাতটি পৌরসভার নির্বাচন শেষ করতে হবে। সেদিন ডিভিসন বেঞ্চ নির্দেশে জানিয়েছিল সাতটি পৌরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে কোনো যুক্তিতেই এই পৌর সভাগুলির নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া যাবে না। সেদিনও রাজ্যের পৌর নির্বাচন আইন এবং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাকে সামনে রেখে আদালত রাজ্য সরকারকে মানুষের রায়ে সাতটি পৌরসভার নতুন বোর্ড গঠনের দায়িত্ব পালন করতে বলেছিল। শুক্রবার রাজ্যের সময় বৃদ্ধির কৌশলকে খারিজ করে তাদের নির্দেশই বহাল রেখেছে আদালত।

RANIGANJ - কলকাতা, ১৫ই মে— সাতটি পৌরসভার নির্বাচন করার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের টালবাহানা এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থান জোরালো ধাক্কা খেলো হাইকোর্টে। রাজ্য সরকারের সময় বাড়ানোর আবেদন খারিজ করে বকেয়া সাতটি পৌরসভার নির্বাচন দ্রুত সেরে ফেলার নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট আবার রাজ্য সরকারকে মনে করিয়ে দিয়েছে যে মেয়াদ উত্তীর্ণ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার আইনি দায়বদ্ধতা আছে সরকারের। ফলে সাতটি পৌরসভার নির্বাচন ১৬ই জুনের মধ্যে শেষ করতে হবে। এদিন একইসঙ্গে আদালত রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে তাদের ন্যস্ত সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দিয়েছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ এই সাতটি পৌরসভা হলো আসানসোল কর্পোরেশন, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, কুলটি, রাজারহাট গোপালনগর, বিধাননগর এবং বালি।

KULTI: শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ জানার পর নির্বাচন কমিশনার বলেন আদালতের রায়ের কপি এখনও হাতে পাইনি। আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলে সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করব। শুক্রবার সন্ধ্যায় অবশ্য নির্বাচন কমিশন এই সাতটি পৌরসভার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে। আগামী ১৮ই মে বিকাল ৩টের সময় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে এই বৈঠক হবে। নির্বাচন কমিশন বৈঠকের আলোচ্যসূচীতে সাতটি পৌরসভার ভোটের নির্ঘণ্ট তৈরির কথাও রেখেছে।

তৃণমূল সরকারের সময়পর্বে প্রায় সব নির্বাচনেই আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হচ্ছে। ২০১৩-তে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে আদালতে দীর্ঘ মামলায় যেতে বাধ্য হয়েছিল নির্বাচন কমিশনই। বস্তুত আদালতের রায়েই পঞ্চায়েত ভোট করতে বাধ্য হয় রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় বাহিনীসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও আদালতকেই রায় দিতে হয়েছিল। বর্তমান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি রাজ্য সরকারের কথামতো চলছেন। নিজের স্বাধীন সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করছেন না। এমনকি পৌর নির্বাচনে বেনিয়ম হয়েছে স্বীকার করেও ‘অসহায়’ বলে দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়েছেন। শুক্রবারের রায়ে যেমন রাজ্য সরকারের টালবাহানায় আদালতের বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রতিফলিত হয়েছে, তেমনই নির্বাচন কমিশনের ইচ্ছাকৃত গাফিলতিও চিহ্নিত হয়েছে।

RANAGHAT RAPE

সাত পৌরসভার বকেয়া ভোট দুমাসের মধ্যেই করতে হবে রাজ্যের আবেদন খারিজ করে নির্দেশ হাইকোর্টের

Ganashakti



HC transfers Madan Mitra's bail plea to city sessions court

Ganasakti



Modi needs Mamata’s votes in the Rajya Sabha right now. He’s realized that while a fire-breathing Amit Shah can rally the state unit, it’s proven quite counterproductive to his ability to pass bills at the national level. Shah after promising to be in Bengal every month gave the entire municipal elections a miss. And Mamata after conclusively re-establishing her supremacy in Bengal politics in the municipal elections feels more secure to negotiate with Modi from a position of strength without worrying about the state unit nipping at her heels. And if she can get a special package for Bengal out of it all she can claim this is all for the good of Bengal. The state BJP cried foul after the elections and staged a bandh protesting unfair practices but all their protestations were undone by the chummy photo-ops of Modi and Mamata over the past weekend.

When Tripura’s Marxist chief minister met Modi, Mamata whose party had boycotted the swearing in of the NDA regime, had mocked them as “Boro bhai, chhoto bhai (big brother, little brother”). Now Big Brother and Big Sister are breaking bread together as if Bhratri-Dwitiya or bhai phonta has come early to Bengal.

Shoaib Daniyal in Scroll listed four signs that Didi and the erstwhile “Danga Babu” (Mr. Riot) were burying the hatchet at least temporarily. The Saradha investigation seems to have gone on simmer instead of full-boil. It looks like Mukul Roy will escape its clutches. The BJP is not harping on the bomb blasts of Burdwan. The municipal elections did not happen under an enormous deployment of central forces. And Trinamool lent its support to the land boundary bill it had opposed under UPA rule as well as the coal and mines and minerals bill and has given in principle its support to the GST bill Modi desperately wants to pass.

Modi-Didi love fest: BJP state unit becomes the sacrificial lamb in West Bengal 'saudagiri' - Firstpost

Modi-Didi love fest: BJP state unit becomes the sacrificial lamb in West Bengal 'saudagiri' - Firstpost



প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও কম যান না। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে কর্পোরেটের মদতে বি জে পি মোদীর ভাবমূর্তি তৈরি করেছে। ক্ষমতায় আসার পর কেন্দ্রীয় সরকারের খরচে এই ভাবমূর্তিকে রক্ষার চেষ্টা চলছে। ফলে সুপ্রিম কোর্ট প্রধানমন্ত্রীকে ছাড় দিলেও তার যৌক্তিকতা পুনরায় বিচার করা প্রয়োজন। আশা করা যায় সুপ্রিম কোর্ট একইভাবে প্রধানমন্ত্রীর ছবি প্রকাশের বিষয়টিও বিবেচনা করবেন। সরকারি প্রয়োজন না হলে জীবিত কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবি সরকারি খরচে প্রকাশ না করাই উচিত। এব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে শর্ত মেনে চলা দরকার কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের।

রাজ্যে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকারের বিজ্ঞাপনের বন্যা বইছে। প্রত্যেকটি বিজ্ঞাপনে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি। তাঁর সঙ্গে রয়েছে দপ্তরের মন্ত্রীদের ছবি। শুধুমাত্র সংবাদপত্র বা টেলিভিশন নয় রাস্তায়, বাসস্ট্যান্ডে, রেল স্টেশনে হোর্ডিং প্রত্যেক জায়গায় সরকারি বিজ্ঞাপনে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি। বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে সরকারি বিজ্ঞাপনে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা প্রকাশিত হচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের একটিই উদ্দেশ্য তৃণমূল নেত্রী ও তার মন্ত্রীদের ভাবমূর্তি তৈরি করা।

২০০৯ সালে দ্বিতীয় ইউ পি এ সরকারের শরিক ছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরাজ্যে মুখ্যমন্ত্রিত্বে আসার আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন রেলমন্ত্রী। এই মন্ত্রককে তিনি পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী নির্বাচনে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে ব্যবহার করেছিলেন। ঐ দু’বছরে পশ্চিমবঙ্গে অসংখ্য প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছিল। ঐসব অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সেই সময়ের স্তাবক সংবাদপত্রে। পাতা জোড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে এই ভুয়ো প্রকল্পের বিজ্ঞাপন প্রকাশে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে রেলমন্ত্রকের পক্ষ থেকে। তৃণমূলের সাংসদদের ছবিও বেরিয়েছে ঐ বিজ্ঞাপনগুলিতে।

জনগণের অর্থ ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়া বন্ধ করতেই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ জারি করেছে। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে প্রধানমন্ত্রীই বা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন কেন? সাধারণভাবে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিজ্ঞাপনগুলিতে প্রধানমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের ছবি দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে রাজ্যের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের মন্ত্রীদের ছবি থাকে। দীর্ঘদিন ধরেই এই নীতি চলে আসছে। বিশেষত সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন বা শিলান্যাস অনুষ্ঠানে এই ধরনের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের এই ধরনের বিজ্ঞাপনে শাসকদলের সাংসদ ও বিধায়কদের ছবিও প্রকাশ করা হয়।

PAYMENT OF DA IN WEST BENGAL: বকেয়া মিলছে না। টাকার চূড়ান্ত অপচয় হচ্ছে। ক্লাবগুলিকে টাকা দেওয়া হচ্ছে। পছন্দের কিছু মানুষকে টাকা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। সদ্য অনুষ্ঠিত পৌর কর্পোরেশনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উন্নয়নমূলক কাজের নামে শুধুমাত্র শিলিগুড়িতেই ১২০কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। নীল-সাদা রঙ হয়েছে আর শহরের কিছু রাস্তাকে ম্যাষ্টিক করা হয়েছে। ৬কোটি টাকা দিয়ে তোরণ বানানো হচ্ছে, ৭৮কোটি টাকা খরচ করে মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন বলে একটি বাড়ি তৈরি করা হলো। এসব কি অগ্রাধিকারের তালিকায় ছিল।

PENSION - একটি সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারী কর্মচারীরা বড় হাতিয়ার। বামফ্রন্ট দরকারের সময়কালে সীমাবদ্ধ আর্থিক ক্ষমতার মধ্যেও মহার্ঘভাতা দেবার চেষ্টা করেছি। মন্ত্রিসভার বৈঠকে শূন্যপদে লোক নিয়োগের জন্য প্রস্তাব নেওয়া হত, সর্বক্ষেত্রে নিয়মিতভাবে লোক নিয়োগ করা হত, পে কমিশনের সুপারিশকে মান্যতা দেওয়া হত। কিন্তু এখন ৪৮শতাংশ মহার্ঘভাতা বকেয়া রয়েছে। পেনশনার্সরা কম টাকা পাচ্ছেন। আমাদের সরকারের সময়কালে ঋণ নেওয়া হয়েছিল নানা জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য। অন্যদিকে বর্তমান রাজ্য সরকার ৫০হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই টাকা কোথায় যাচ্ছে। কোন জনসেবামূলক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে কোন কাজ হচ্ছে, সে ক্ষেত্রেও মানুষ বঞ্চিত। -অশোক ভট্টাচার্য

কেন্দ্রের সরকার পেনশন প্রথা তুলে দিতে চাইছে, শূন্যপদে লোক নিয়োগ করছে না, পি এফ-র সুদের হার কমিয়ে দিচ্ছে, অবসরপ্রাপ্তদের দিয়ে কাজ করিয়ে লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক যুবতীদের কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

FARZANA ALAM - কলকাতা আজ এক চরম অমানবিকতার সাক্ষী হয়ে রইলো। কলকাতা কর্পোরেশনের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র ফরজানা আলমের মৃত্যুর পরেও তাঁর মরদেহ তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে অথবা কর্পোরেশনের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হলো না। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী এবারের কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজয়ের পরেই তাঁকে দলীয় দপ্তরে শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে হয়। তিনি অসুস্থ হয়ে নার্সিংহোমে ভতি হন। তার কয়েকদিন পরে বাড়ি আসেন, এবং সোমবার তাঁর মৃত্যু হয়। এগারো বছরের একটি শিশু সন্তান রয়েছে তাঁর। এই মৃত্যু অস্বাভাবিক এবং প্ররোচনামূলক। -পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি

FARZANA ALAM: গতবার ২৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়ী হন ফরজানা। তারপর সংখ্যালঘু ভোটের দিকে তাকিয়ে মমতা ব্যানার্জি তাঁকে ডেপুটি মেয়র করেন। এবার হঠাৎ করে তাঁকে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী না করে অনেকটা দূরে ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করা হয়। সেখানে তৃণমূলেরই একটা গোষ্ঠী তাঁকে হারাবার জন্য উঠেপড়ে লাগে। ফরজানা এসব কথা মুখ্যমন্ত্রীকে জানাতে গিয়েছিলেন কিন্তু তিনি শোনেননি।

FARJANA ALAM: ফরজানা আলমকে যে তৃণমূল ব্যবহার করেছে সংখ্যালঘু ভোটের স্বার্থে, এই একই অভিযোগ ফুরফুরা শরিফের প্রধান ত্বহা সিদ্দিকির।

ফরজানা আলমের পরিবার এবং তাঁর দাদা সরাসরি তৃণমূলের ‘নোংরা’ রাজনীতির দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, সংখ্যালঘু ভোটের জন্য ফরজানা আলমকে ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁকে ডেপুটি মেয়রও করা হয়েছিল সংখ্যালঘু ভোটের জন্যই।

নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ১৩ই মে — গতকাল পর্যন্ত কর্পোরেশনের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র ফরজানা আলমের মৃত্যুতে তৃণমূল দলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন তাঁর পরিবার, বুধবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধেই যাবতীয় ক্ষোভ উগরে দিলেন পরিবারের সদস্যরা। সোমবার রাতে মৃত্যু হয় ফরজানা আলমের। এদিন তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় কলকাতায়। তবে মৃত্যুর পর থেকে এদিন শেষকৃত্য পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে একটি টেলিফোনও পাননি ফরজানা আলমের পরিবারের কেউ। এমনকি ফরজানা আলমের সপ্তম শ্রেণিতে পড়া সন্তানের খবর নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি মুখ্যমন্ত্রী। প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রের মরদেহ কর্পোরেশনের সদর দপ্তরে যেমন নিয়ে যাওয়া হয়নি। তেমনি তৃণমূলের কোন দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়েও কেউ শ্রদ্ধা জানাননি।

কলকাতায় রাণি রাসমণি রোডে জমি বিলের বিরুদ্ধে সি পি আই-র আইন অমান্য মিছিল।

HC transfers Madan Mitra's bail plea to city sessions court

Ganasakti



The bill which has been brought by Narendra Modi government amending 2013 Land Acquisition Act is an anti-farmer activity. This NDA government under Narendra Modi is working overtime for corporates.

During the 70’s decade the rioters used to fear the government but now the Government fears them”. Quipping on the recently found bonhomie between the ruling party of the state and that of the Centre Dr Suryakanta Mishra said these people behind the curtain have turned into friends while outside they are behaving as foes’.

Dr Suryakanta Mishra told that to win in this battle we need comprehensive unity of workers and working class people in the state. Comparing today’s situation with the situation of the 70’s decade he said that time also there was incessant attacks of the democratic rights of people which persists even today in this situation, the addition being along with this; the identity politics has started in the state. People are being bifurcated on religious grounds.

Dr Suryakanta Mishra also highlighted the enormous corruption being practiced by this state government and called to the Chief Minister to submit accounts of her income from selling of her paintings. He also said that lakhs of people of the state has been duped of their hard earned money falling under the nefarious corrupt activities of the ruling party.

Kolkata ,April 14th –“Force this Chief Minister to retire“ and until you do this yours and ours fight wont retire “ CPI(M) Politbureau member and Leader of the Opposition of West Bengal Assembly Dr Suryakanta Mishra said today in his address to the State Government pensioners at Rani Rashmoni Avenue in Kolkata .

Drawing inference from a recent bomb blast at the Pingla blast site when some persons of the state’s intellegesia visited the PIngla Bomb blast site, Dr Suryakanta Mishra said how can this happen when the police force has cordoned off the area and has invoked section 144 at Pingla of West Medinipore district. Hearing about the blast the Chief Minister has again said that firecrackers had went off during the visit of representatives of the state intellegesia to the Pingla blast site. He also said that ‘the Chief Minister advises other to abide by the law, but does she herself abide by it’? Attacking the Chief Minister for invoking Section 144 at the Pingla blast site he said that thousands of people should trounce the paper note detailing the invocation of section 144 at Pingla.

Force this Chief Minister to retire , says Mishra

Ganasakti



Thursday, May 14, 2015

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যে রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে পাঠানো হয়েছে, তা জানাচ্ছে জঙ্গলমহলের মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের বিনপুর-১(লালগড়), বিনপুর-২(বেলপাহাড়ি), সাঁকরাইল, গোপীবল্লভপুর-১, পুরুলিয়ার আড়শা, বাগমুন্ডি, বরাবাজার, ঝালদা-১, ঝালদা-২, মানবাজার-২, বান্দোয়ান — এই এগারোটি ব্লকে একজনও একশো দিনের প্রকল্পে কাজ পাননি। একইভাবে সুন্দরবনের সন্দেশখালি-১, ২-র মত কয়েকটি ব্লক একশো দিনের প্রকল্পে বর্তমানে শূণ্য।

গরিব মানুষ কাজ পাচ্ছেন কোথায়? গত দেড় মাসে রাজ্যে একশো দিনের প্রকল্পে কাজ চেয়েছেন ২লক্ষ ৮হাজার ৬৬০জন। রাজ্য সরকার কাজ দিতে পেরেছে মাত্র ৬৩হাজার ৮৯০জনকে। অর্থাৎ প্রায় ৭১শতাংশ মানুষকে কাজ চেয়েও পাননি। মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ডেও এর চেয়ে বেশি মানুষ কাজ পেয়েছেন। আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিঙ এবং দক্ষিণ দিনাজপুর — রাজ্যের এই তিনটি জেলায় একজনও একশো দিনের প্রকল্পে কাজ পাননি।

গত ৬ এবং ৭ই এপ্রিল দেশের তেইশটি রাজ্যকে একশো দিনের প্রকল্পের জন্য টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। মোট ১১হাজার ৯৯৭ কোটি ৯৯লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা রাজ্যগুলিকে পাঠানো হয়। এর মধ্যে সর্বাধিক ১৮৮০ কোটি ২১লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের জন্য। গত ৭ই এপ্রিল কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকে একশো দিনের কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা ডিরেক্টর ইন্দু শর্মা লিখিত আকারে তা পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানিয়ে দেন (চিঠি-র নং-জে-১২০৩৮/১/২০১৫-এমএনআরইজিএ-ফাইভ, সিরিয়াল নং-২৩)। তার আগে থেকেই গত বছরের খরচ না হওয়া কিছু টাকা জেলাগুলির কাছে মজুত ছিল। সব মিলিয়ে এপ্রিলের গোড়া, অর্থাৎ আর্থিক বছরের গোড়াতেই রাজ্যের তহবিলে একশো দিনের প্রকল্প বাবদ মজুত টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৪৭০ কোটি ৭৯ লক্ষ ৮২হাজার টাকা।

মালদহের চাঁচলে তো দীর্ঘদিনের বকেয়া টাকা না পেয়ে ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা পঞ্চায়েতের কর্মীদের মারধর করেছেন, ঘেরাও করেছেন ডাকঘর। প্রতিটি জেলায় নাকি রাজ্য সরকার টাকা পাঠিয়েছে। সন্ত্রাস করে, বুথ দখল করে এমনকি নির্বাচনের পরে নানা কূট কৌশলে জেলা পরিষদ দখল করেছে মুখ্যমন্ত্রীর দল। জেলা প্রশাসনও অধিকাংশ ক্ষেত্রে শাসক দলের বশংবদের ভূমিকা পালন করছে। তাহলে এত টাকা থাকা সত্ত্বেও গ্রামীণ গরিব একশো দিনের কাজ পাচ্ছেন না কেন? তাহলে এত টাকা কোন্‌ কাজের?

সম্প্রতি ক্যানিং, সাগরদ্বীপ, পুরুলিয়ার কাশীপুর, নন্দীগ্রামের সামসাবাদসহ একাধিক জায়গায় রেগার বকেয়া টাকা না পাওয়ায় মানুষ নানাভাবে ক্ষোভ দেখিয়েছেন। গত আগস্ট মাস থেকে প্রাপ্য টাকা না পেয়ে সাগরদ্বীপের একটি পঞ্চায়েত অফিসে তালা লাগিয়ে দেন গ্রামবাসীরা। প্রায় ১৪০০ গ্রামবাসীর প্রাপ্য ১৭লক্ষ টাকা গত আট মাস ধরে দিতে পারছে না পঞ্চায়েত। ফলে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের তালা লাগানোয় দীর্ঘক্ষণ আটকে ছিলেন প্রধানসহ বেশ কয়েকজন। একই ঘটনা ঘটেছে পুরুলিয়াতেও।

রাজ্যের তহবিলে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা রয়েছে। তবু বকেয়া অনেক গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের টাকা। বছরের গোড়াতেই একশো দিনের প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গকে দেশের মধ্যে সর্বাধিক, প্রায় ১৯০০ কোটি টাকা পাঠিয়ে রাজ্যের শাসক দলকে কী বার্তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, তা নিঃসন্দেহে আলোচনার বিষয়। কারণ এমন দৃষ্টান্ত এর আগে রাজ্যের ক্ষেত্রে ছিল না। কিন্তু এত টাকা পাওয়া সত্ত্বেও একশো দিনের কাজ চেয়েছিলেন এমন গরিব মানুষের ৭০শতাংশকে কাজ দিতে পারেনি মমতা ব্যানার্জির সরকার গত দেড় মাসে। কাজের অভাবে রীতিমত দিশেহারা গ্রামবাংলা। অনেক ব্লকেই বকেয়া রয়েছে বেশ কয়েক মাসের টাকা। ফলে ফসলের দাম না পাওয়ার পর একশো দিনের প্রকল্পের কাজেও বঞ্চিত গ্রামবাসীদের দুর্দশা চরমে।

Wednesday, May 13, 2015

Chhatradhar Mahato, convener of a Maoist-backed organisation, and three others connected with ultra Left activities, were sentenced to life imprisonment by a local court under the Unlawful Activities Prevention Act (UAPA). In August 2010, the Mahato had attended a rally organized by the Trinamool Congress in Junglemahal. The party had also termed the May 2010 Gyaneshwari Express accident, which claimed 150 lives, as a handiwork of the CPI (M).

"In our state also there is a party which, like the Fascists, believe in violence and spreading lies. Whether its the Gyaneshwari Express train accident, Chhatradhar Mahato, or the case of a cartoon. They just believe in spreading lies. If you don't agree, they will use force to terrorise you. We all have to fight against such forces.” - Buddhadeb Bhattacharjee, Former West Bengal Chief Minister

From Gujarat pogrom to Love Jihad: BJP’s new Tripura Governor has a controversial Twitter past

http://scroll.in/article/727175/from-gujarat-pogrom-to-love-jihad-bjps-new-tripura-governor-has-a-controversial-twitter-past

"Just like the Nazi Germany where various big corporates joined hands with the Nazis, the RSS has joined hands with the corporates. The RSS doesn't believe in the Constitution of our country. They believe in creating a Hindu Rastra. Will the RSS move away from its agenda? No, they will not. This is our biggest fear.” - Buddhadeb Bhattacharjee, Former West Bengal Chief Minister

Buddhadeb compares RSS with Fascist forces, also targets TMC

Ganasakti



Former West Bengal chief minister Buddhadeb Bhattacharjee addressed a meeting at Pramode Dasgupta Bhaban on 12th May 2015.

‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়োজন নেই তাই ছত্রধরের সাজা হল’

http://abpananda.abplive.in/video/2015/05/12/article585161.ece/Biman-Basu-on-Chatradhar-Mahatos-Jail-and-Mamata-Banerjee#.VVMCUtKUde5

‘‘এ রাজ্যে যে দলটি দাপাদাপি করছে, তাদের আমরা আধা-ফ্যাসিস্তসুলভ বলি। এটা কেন বলি? কারণ, এই দলটির নীতি হল থানা দখল করো, জেলাশাসকের অফিস বা রেলস্টেশন দখল করো, পুলিশকে মারো-পেটো, একে ধরো, তাকে কামড়াও! একেবারে সেই জার্মানির গেস্টাপো বাহিনীর চেহারা!’’ - বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তা

ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিজয় লাভ পৃথিবীর ইতিহাসে কেন তাৎপর্যপূর্ণ। এই সূত্রেই তাঁর সতর্ক-বার্তা, সেই আমলের ফ্যাসিবাদ পরাস্ত হলেও সারা পৃথিবীর নানা প্রান্তে নানা সময়েই একই রকম প্রবণতা ফিরে ফিরে এসেছে। যেমন, এখন এ দেশ এবং এ রাজ্যের পরিস্থিতির মধ্যে তার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ঝটিকা বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে থানা থেকে শুরু করে যে কোনও প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়া এবং বারবার মিথ্যা বলে কোনও কিছুকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা— তৃণমূলের আচরণের এই দুই দিক হিটলারের ফ্যাসিবাদী জমানার কাজকর্মকেই মনে পড়িয়ে দেয়।

MAMATA HAS CHANGED ALLIES ONLY

Tuesday, May 12, 2015

During the time Lalgarh agitation more than 250 Left Front workers were martyred and the PCPA headed by Chhatradhar was used as the forefront to usher in anarcy in the Lalgarh and its vicinities by the Maoists who got able support from the present CM Mamata Banerjee who had even pillion rided his Motorcycle to travel to the Maoist infested area to hold discussion with the Maoists regarding their movement strategy .

It can be also recollected that It was Chhatradhar Mahato’s followers who had carried out the Gyneshwari express derailment killing more than 148 persons though by that time Mahato was already arrested by the Bengal CID.

It can be recalled that the State Police during the time of the Left Front Government had arrested Chhatradhar Mahata and had invoked UA(P)A against Chhatradhar and others. This decision has come as a shot in the arm for the decision of the then Left Front Government to arrest the Maoist leader and charge him under UA (P) A. His one time allies ,the Pro Maoist Intellegesia and the Maoist frontal organization has pointed out that it was Mamata who has gained the most out of the Lalgarh Movement to usher in anarchy in large parts of the state and now his conviction has proved that the Chief Minister habitually does the opposition of her assurances given before becoming the Chief Minister.

The present Chief Minister Mamata Banerjee when she was in opposition had demanded the release of Chhatradhar Mahata and had announced movements to repeal the act if her party comes to power. However It was her Police which framed charges under the act against Chhatradhar and earlier had shot dead Maoist leader Kishenji. The leaders of pro Maoist frontal organizations including Bandi mukti Committee has today accused the Chief Minister of West Bengal of double standards and forgetting her promise as the Opposition leader of the state to repeal the UA(P)A Act.

Kolkata ,May 11th – Maoist leader Chhatradhar Mahato who was in the epicenter of the Lalgarh movement and hand in hand with Mamata Banerjee had made vast areas of the Medinpore inaccessible for security personnel and had ushered in a reign of terror was today convicted under the Unlawful Activities (Prevention) Act, which is aimed to check activities that threaten the sovereignty and integrity of India.

Maoist leader Chhatradhar Mahato convicted

Ganasakti



France's Hollande meets Fidel Castro and to end Cuba embargo

Ganasakti



Monday, May 11, 2015

DURGAPUR STEEL PLANT: ডি এস পি হয়ে উঠেছে রাজ্যের শাসক দলের হানাদারির দৃষ্টান্ত। ২০১১-র ১৩ই মে নির্বাচনের ফলঘোষণার পরদিন থেকেই শুরু হয়েছিল ডি এস পি-তে ঠিকা শ্রমিকদের হুমকি, শাসানি। এরপর মাত্র ১৩দিন পর থেকে হামলা। ২০১১-র ২৬শে মে আক্রমণ চললো শ্রমিক-কর্মচারীদের ওপর। গেটপাস কেড়ে নেওয়া, বহিরাগত দুষ্কৃতীদের ভেতরে ঢুকিয়ে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের ওপর নৃশংস মারধর— এসবের মধ্য দিয়েই ৩৫০০জন দক্ষ ঠিকাশ্রমিককে কারখানার গেট থেকে বের করে দেওয়া হলো। যাঁরা গত ২০/২৫বছর ধরে দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করে গেছেন।

প্রথম ইউ পি এ সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন করেছিল বামপন্থীরা। সংসদে তখন তাদের ৬১জন সাংসদ। আর সেই মেয়াদেই ডি এস পি পেয়েছিল ২৮০০কোটি টাকার পুনরুজ্জীবন প্রকল্প। যে কাজ অনেকটাই এগিয়েছিল। এখন সে কাজ থমকে গেছে। -

একে একে হিন্দুস্তান ফার্টিলাইজার ও বি ও জি এল কারখানাও বন্ধ হয়েছে। আর এখন তো বি ও জি এল কারখানার স্থলে পৌঁছলে একটা ছিটেফোঁটা ধ্বংসাবশেষও মিলবে না। নিলাম করে সব বিক্রিবাট্টা করে ফাঁকা মাঠ করে ফেলা হয়েছে কারখানার জমিকে। বামপন্থীরা লাগাতার চেষ্টা চালিয়েছেন। সাংসদ থাকাকালীন বাসুদেব আচারিয়া অনেকবার চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারকে। আর এক সাংসদ সাইদুল হক, প্রাক্তন সাংসদ বংশগোপাল চৌধুরীও বারবার চিঠি লিখে, মন্ত্রকে দেখা করে কারখানাগুলি খোলার চেষ্টা করেছেন।

“২০০২-’০৩সালে বি আই এফ আর এমএএমসি-র পুনরুজ্জীবনের কথা জানিয়ে তিনটি কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা নিয়ে কনসর্টিয়াম গঠনের কথা বলেছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আওতাধীন ভারত আর্থ মুভার্স, শক্তি মন্ত্রকের অধীনে থাকা দামোদর ভ্যা লি কর্পোরেশন এবং কয়লা মন্ত্রকের আওতাভুক্ত কোল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে নিয়েই সেই কনসর্টিয়াম তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই কারখানা খোলার কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। উলটে কারখানার নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন সি আই এস এফ প্রত্যাটহার করে নেওয়ার ফলে সম্পত্তি রক্ষা করাও এখন দায় হয়ে পড়ছে। ‘‘তবে মমতা ব্যানার্জি কখনও এই বিষয়ে কোনও চিঠি লিখেছেন, দাবি জানিয়েছেন এমন কোনও নজির নেই’’, - বংশগোপাল চৌধুরী।

তখন ১৯৯৯। প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। আর তাঁরই ফ্যাক্স বার্তা এসেছিল দিল্লি থেকে। মঞ্চ থেকে দেখিয়েছিলেন এন ডি এ-র শরিক মমতা ব্যানার্জি। সেদিন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী দাবি করেছিলেন — ফ্যাক্সবার্তায় নাকি লেখা ছিল যে, দুর্গাপুরের এম এ এম সি, হিন্দুস্তান ফার্টিলাইজার, বি ও জি এল-সহ একগুচ্ছ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা মোটেও বন্ধ হচ্ছে না।

দু’বছর আগে বেতন কাঠামো নিয়ে ট্রেড ইউনিয়নগুলির চুক্তি হয়েছিল কয়লামন্ত্রকের হাই পাওয়ার কমিটির সঙ্গে। কিন্তু আজও এখানে কোনও খনি অঞ্চলে তা লাগু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রাজ্য সরকারের এক মন্ত্রীর প্রভাবেই তা হচ্ছে না, তা তো শ্রমিকরা জানেন। আর কয়লাঞ্চলে দুর্বৃত্তদের দাপট তো এই চার বছরে প্রচুর বেড়েছে। তবু এর পরও ট্রেড ইউনিয়নগুলি ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চালাচ্ছে। হামলা চলবে ২০১১-র মে-র পরই আমরা বুঝেছিলাম। কিন্তু লড়াই চলবে, কারণ শ্রমিকরা তা চাইছেন।

লোকসভা নির্বাচনে আসানসোল থেকে সুপ্রিয় সাংসদ হওয়ার আগে বি জে পি-র জোর প্রচার ছিল যে, হিন্দুস্তান কেবল্‌স খুলে যাবে। তারা খুলে দেবে। কিন্তু সম্প্রতি আসানসোলের সাংসদ দুর্গাপুরে একটি বেসরকারি সংস্থার বিপণির উদ্বোধনে এসে জানিয়েছেন যে, ওই কারখানা খোলা সম্ভব নয়।

মে-র শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইছেন তাঁরা, বংশগোপাল চৌধুরী জানিয়েছেন। কেন? নরেন্দ্র মোদীর কাছে তাঁদের দাবি এম এ এম সি এবং হিন্দুস্তান কেব্‌লস কারখানার পুনরুজ্জীবন করা হোক। এই দুটি দাবি মমতা ব্যানার্জি এবং রাজ্য সরকার, রাজ্যের শাসক দলেরই করা উচিত। কিন্তু মোদীকে এমন কিছু মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দুদিনের সফরে বলেননি। বাবুল সুপ্রিয়ও বলেননি।

বংশগোপাল চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘‘শ্রমিকদের সঙ্গে এতবড় প্রতারণা হতে পারে, আমাদের কল্পনার মধ্যে ছিল না। আজ বার্ন ওয়াগন কারখানা ধুঁকছে। বরাত যাতে তারা পায়, কর্মীদের ১৩মাসের বকেয়া বেতন যাতে দেওয়া হয়, ওই কারখানা যাতে রেলমন্ত্রক গ্রহণ করে, এই দাবি আমরা রেলমন্ত্রীর কাছে রাখবো। দেদার চুরি হয়ে যাচ্ছে ওই কারখানার সম্পত্তি, যন্ত্রাংশ। সেদিকে নজর রাখার দাবিও আমাদের থাকবে।’’

বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা ব্যানার্জি জানিয়েছিলেন যে, বার্ন ওয়াগন কারখানা রেল মন্ত্রক গ্রহণ করছে। সেখানকার প্রায় সাড়ে পাঁচশো শ্রমিক রেলের কর্মীদের হারে বেতন পাবেন। ‘নির্দেশ এসে গেছে,আর কোনও চিন্তা নেই’। সেদিন দুর্গাপুরে সবুজ আবির খেলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। পরে মমতা ব্যানার্জির এই ঘোষণার সারবত্তা জানতে গিয়ে চোখ কপালে উঠেছে বার্ন ওয়াগানের শ্রমিকদের। জানা গেছে, এমন কোনও নির্দেশ কখনওই জারি হয়নি। ভারী শিল্প দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তারা কখনও এমন কিছু শোনেনি, জানে না। এই পরিস্থিতিতে আগামী ২৫শে মে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন সি পি আই (এম)-র সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ সীতারাম ইয়েচুরি, সি আই টি ইউ নেতা শ্যামল চক্রবর্তী এবং বংশগোপাল চৌধুরী।

বার্নপুরে রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতকে একনম্বরে পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ‘দুর্বল,’ ‘বৈষম্যের শিকার’ পূর্ব ভারতকে শক্ত পায়ের ভিতের উপরে দাঁড় করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী শুনিয়েছেন তাঁর আরও ‘পরিকল্পনা’-র কথা। কিন্তু বাস্তবে বর্ধমান জেলার শিল্পাঞ্চল প্রায় মৃত্যু পথযাত্রী। রুটিরুজি অন্তর্জলি যাত্রার পথে।

এ আই টি ইউ সি নেতা আর সি সিংয়ের কথায়, ‘‘এখন শিল্পাঞ্চলে, কয়লাখনিতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা আশঙ্কাজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। রোজ দুর্ঘটনা ঘটছে। এই বিষয়েও কেন্দ্র-রাজ্য সরকারের কোনও ভূমিকা আমরা দেখছি না।’’

তৃণমূল কংগ্রেস শুধু দখল বোঝে। কোনও ট্রেড ইউনিয়ন থাকবে না, এটিই ওদের নীতি। শ্রমিকদের স্বার্থ ওদের দেখার বিষয়ই নয়। তাই শিল্প বাঁচানোর কোনও আন্দোলনে সবার সঙ্গে ওরা আসতে চায় না। আসে না।’’