RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Tuesday, December 22, 2015

দুই প্রতিবেশী দেশে ধর্মান্ধতার বিপদ নিয়ে সরব বুদ্ধিজীবীরা **************************************************************************************************নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা, ২২শে ডিসেম্বর— বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতির ক্ষেত্রে মৌলবাদ বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই সে দেশের উন্নয়নে যুবসমাজের বলিষ্ঠ আন্দোলন জরুরি। প্রয়োজনে মৌলবাদের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে অস্ত্রও তুলে নিতে হবে। বললেন বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী অজয় রায়। বাংলাদেশের মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা, মৌলবাদীদের হাতে খুন হওয়া অভিজিৎ রায়ের বাবা অজয় রায়। মঙ্গলবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারভাঙা হলে ‘অসহিষ্ণুতা ও গণতন্ত্র’ শীষর্ক এক আলোচনায় তিনি বলেন, বাংলাদেশে মৌলবাদ মাথাচাড়া দিয়েছে বলেই গণতন্ত্র সেখানে বিপন্ন হচ্ছে। এক অস্থির, কঠিন অবস্থার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশকে যেতে হচ্ছে। গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইও চলছে। যুবসমাজকে সেই লড়াইয়ে এগিয়ে আসতে হবে। সেভ ডেমোক্রেসি ফোরাম ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনাসভায় অজয় রায় ছাড়াও বক্তব্য রাখেন ইতিহাসবিদ তনিকা সরকার, অধ্যাপক শ্যামল চক্রবর্তী। সভায় সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অশোক গাঙ্গুলি। সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক শোভনলাল দত্তগুপ্ত। সভায় শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন নাট্যকার চন্দন সেন। সভায় আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে বাংলাদেশে মৌলবাদ ও গণতন্ত্র বিষয়টি তুলে ধরেন বুদ্ধিজীবী অজয় রায়। তিনি বলেন, মাদ্রাসাকেও বাংলাদেশে মৌলবাদের স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০০৪সাল থেকে বাংলাদেশের যুক্তিবাদী, সৃজনশীল মানুষের উপর হত্যা, আক্রমণ নামিয়ে আনে মৌলবাদীরা। ২০১৪সালে ভয়ঙ্কর আকার নেয়। এইসময় সাধারণ মানুষের উপরও আক্রমণ হয় মৌলবাদীদের। বাসযাত্রীদের আগুনের গোলা ছুঁড়ে মারা হয়। তাতে বহু শিশু ও মহিলার মৃত্যু হয়েছে। এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মদত ছিল বাংলাদেশের বি এন পি ও তার নেত্রী খালেদা জিয়ার। তবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত সতর্কভাবে মোকাবিলা করায় মৌলবাদের ভয়ঙ্কর দাপট কিছুটা যেমন কমেছে, পাশাপাশি যুক্তিবাদী, বিজ্ঞানমনস্ক, গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের আন্দোলন বাড়ছে। এদিনের আলোচনা সভায় ইতিহাসবিদ তনিকা সরকার মূলত ভারতের সাম্প্রদায়িক কিছু ঘটনা ও দাঙ্গার তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের ধর্মান্ধতা, দাঙ্গার ঘটনার পেছনে বারবার হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের ভূমিকা সামনে এসেছে। আর এস এস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কথা তুলে তিনি বলেন, এইসব হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির আদর্শ ও বিশ্বাস সমাজের অগ্রগতিকে পেছনের দিকে টানার চেষ্টা করে। আলোচনার অন্যতম বিষয়বস্তু অসহিষ্ণুতার প্রসঙ্গ তুলে সভাপতির বক্তব্যে প্রাক্তন বিচারপতি অশোক গাঙ্গুলি বলেন, অসহিষ্ণুতা বাড়াচ্ছে রাজ্য ও কেন্দ্রের শাসকদল। রাজ্যের শাসকদলের মদতে অসহিষ্ণুতার শিকার হতে হয়েছে অধ্যাপক থেকে শুরু করে বহু সাধারণ মানুষকে। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য, ইতিহাসবিদ সুমিত সরকার প্রমুখ।

Ganashakti



No comments: