RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Saturday, November 28, 2015

MAMATA DECLARES WARD ON CBI - আবার সি বি আই-র বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মমতা নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ২৬শে নভেম্বর — সি বি আই জুজু পিছু ছাড়ছে না বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। মদন মিত্রের জামিন খারিজ হয়ে যাবার পর আবার নতুন করে সি বি আই-কে আক্রমণ শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার শহীদ মিনার ময়দানে সংখ্যালঘুদের জমায়েতে একদিকে যেমন বি জে পি-র বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী তেমনি শাহরুখ খান, মিঠুন চক্রবর্তী প্রসঙ্গ টেনে ‍‌সি বি আই-কে একহাত নিলেন তিনি। বললেন, ‘শুধু ওরাই কথা বলবে। অন্য কেউ কথা বললে তাঁকে সি বি আই, ই ডি-র ভয় দেখাবে। আমার পিছনে যত পার সি বি আই লাগাও। ভালো তো জেলে যাব! কয়েকদিন বিশ্রাম পাব।’ মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ মিঠুন চক্রবর্তী আমার সাংসদ। সে আমার সঙ্গে কথা বলতে ভয় পায়। প্রসঙ্গত, তৃণমূল সাংসদ মিঠুন চক্রবর্তীর নাম জড়িয়েছে সারদা কাণ্ডে। তারপর তাঁকে আর্থিক বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে দু’বার ই ডি তলব করে। দিল্লিতে জিজ্ঞাসবাদ করা হয়। আই পি এল-এ কলকাতা নাইট রাইডার্সের কর সংক্রান্ত একটি মামলায় শাহরুখ খানকে নোটিস পাঠায় ই ডি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার শাহরুখ খান। ওকে বলছে পাকিস্তানের লোক। ‍‌ ওর পিছনে ই ডি লাগিয়ে দিয়েছে। তাকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’ গতকালের খবর, শাসকদলের তরুণ নেতা মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ শঙ্কুদেব পান্ডাকেও ফের সি বি আই তলব করেছে। সি বি আই-এর সাম্প্রতিক এই তৎপরতায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। তাই এদিন সংখ্যালঘু জমায়েতকে হাতিয়ার করে তিনি বলেন, মনে রাখবেন বেশি সাহস যেন দুঃসাহস না হয়ে যায়। কেন্দ্রীয় সরকারকে হুঁশিয়ারি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধৈর্যের একটা সীমা আছে। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে মারাত্মক পরিণতি হবে। শুধু এখানেই নয়, দিল্লিতেও আমরা সবাই মিলে প্রতিবাদ করবো। পশ্চিমবঙ্গ জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের ডাকে সভায় গতবার সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বেঁধেছিল। আহত হয়েছিলেন কয়েকজন আই পি এস অফিসার। সেই ঘটনায় পুলিশের মামলা এখনো চলছে। গতবারের মতো না হলেও এবারের জমায়েত ভালোই ছিল। সভায় মূল লক্ষ্য ছিল অসহিষ্ণুতা, ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ এবং জাতীয় অখণ্ডতা নষ্ট করার চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি, মহম্মদ ওসমান সাহেব, মওলানা হুসামুদ্দিন সহ কলকাতার কয়েকটি কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক অনেকে সভায় বক্তব্য রাখেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিনের সংখ্যালঘু জমায়েতকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ভোট প্রচারের আদর্শ জায়গা হিসাবে বেছে নেন। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরিদের বক্তব্য, রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে মুসলিমদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ করা হয়েছিল কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। ২০১০ সালের শে‍‌ষের দিকে ১০ শতাংশকে ও বি সি তালিকাভুক্ত করা হয়। সেটা বাস্তবায়িত হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি, আপনি ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করুন। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির বক্তব্য, ৯৭৩টি মাদ্রাসা চালায় তাঁদের সংগঠন। এ রাজ্যে মুসলিমদের জন্য আলিমুদ্দিন কিছু করতে পারবে না, কংগ্রেস এবং বি জে পি’ও কিছু করতে পারে না। যা করার মমতা ব্যানার্জিই করবেন। যদিও কিছুদিন আগে পর্যন্ত সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য ছিল ঠিক এর উলটো। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লার এই প্রশংসা পাবার পর তাঁর সরকার সংখ্যালঘুদের জন্য কত কি করেছে তার দীর্ঘ ফিরিস্তি দেন।

No comments: