RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Friday, July 3, 2015

ATACK ON CALCUTTA UNIVERSITY TEACHERS BY GOONS OF MAMATA - কলঙ্কিত ক্যাম্পাস কলঙ্কিত হলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্র নামধারী বহিরাগত তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এই আক্রমণে আহত হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিক এবং শিক্ষাকর্মীরা। শান্তিপূর্ণ অবস্থানকে বানচাল করার উদ্দেশ্যেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এই হামলা চালায়। শাসকদল শত চেষ্টাতেও শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-আধিকারিকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে গায়ের জোরে ভাঙতে পারেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার রক্ষায় ঐ আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। রাজ্যের শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতি জগতের ব্যক্তিত্বরাও এই জঘন্য ঘটনার প্রতি ধিক্কার জানিয়েছেন। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, দুই সহ-উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রার ঐদিন ছিলেন সম্পূর্ণ নীরব। তাঁরা এই আক্রমণকে নিন্দা করে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি। অথচ তাদেরই সহকর্মীরা দুষ্কৃতীদের হাতে নিগৃহীত হলেন প্রকাশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মধ্যে। ঘটনার ২৪ ঘন্টা পরে উপাচার্য নিন্দা করলেও অপরাধীদের পরিচয়ের প্রশ্নটি সুকৌশলে এড়িয়ে গেছেন। উপাচার্যের উচিত ছিল শাসকদলের চাপের কাছে মাথানত না করে মেরুদণ্ড সোজা রেখে অপরাধীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ। কর্তৃপক্ষের অংশ হিসেবে দুই সহ উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রার তাদের দায় অস্বীকার করতে পারেন না। কবি শঙ্খ ঘোষ সঠিকভাবেই বলেছেন, ‘রাজ্যের শিক্ষা জগতে ধারাবাহিক সর্বনাশ ঘটে চলেছে। সেই সর্বনাশের আরো একটি লজ্জাজনক উদাহরণ হলো আজকের ঘটনা।’ তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে অশান্ত শিক্ষার ক্যাম্পাস। রায়গঞ্জ ইউনিভার্সিটি কলেজের অধ্যক্ষ নিগৃহীত হলেন। সেই আক্রমণের নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূলের জেলার কার্যকরী সভাপতি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া ছিল ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তার পর পুলিশের উদ্যোগেই জামিন পেয়ে যান আক্রমণকারীরা। রায়গঞ্জ ঘটনাই তৃণমূল বাহিনীকে লাগাতার ক্যাম্পাস আক্রমণে উৎসাহিত করেছে। তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম ভাঙড় কলেজে ঢুকে অধ্যাপিকাকে জগ ছুঁড়ে মারেন। জগ ছোঁড়ার জন্য তিনি দলে তাজা নেতা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। রাজারহাটে ডিরোজিও মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষকে দীর্ঘক্ষণ তালাবন্দী রেখে হেনস্তা করে তৃণমূলীরা। ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের হাতে অধ্যক্ষ আক্রান্ত হন। গোটা দেশ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃণমূলের হামলায়। ঐতিহ্যবাহী বেকার ল্যাবরেটরি ভাঙচুর করে আক্রমণকারীরা। যদিও ঐ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্ররা রুখে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন আসল অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। গত চার বছর ধরে শাসকদলের হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্ররা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে টার্গেট করেছে শাসকদল। অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে চলছে লাগাতার আক্রমণ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কর্ম সমিতির বৈঠকে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করেছে। সিন্ডিকেট মিটিং বানচাল করতে বহিরাগতদের নিয়ে তাণ্ডব চালায় তৃণমূলবাহিনী। রাজাবাজার সায়েন্স কলেজেও হামলা করেছে টি এম সি পি। আবার মিথ্যা মামলা সাজানো হয়েছে অধ্যাপিকার বিরুদ্ধে। শাসকদলের ছাত্রনেতা, শিক্ষামন্ত্রী এবং সর্বোপরি মুখ্যমন্ত্রীর মদতেই এই চরম নৈরাজ্য চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। বর্তমান রাজ্য প্রশাসনের কাছ থেকে এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ আশা করা যায় না। শিক্ষা আন্দোলনের সর্বস্তরের কর্মী এবং শিক্ষা জগতের মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাতেই এই নৈরাজ্য রুখতে হবে। মেরুদণ্ড সোজা রেখে রুখতে হবে এই হামলাকারীদের।***************EDITORIAL OF GANASHAKTI







No comments: