RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Tuesday, June 23, 2015

WARNING BY LK ADVANI - আদবানির সতর্কবাণী **********************************বি জে পি-র প্রবীণ নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি মাঝে মাঝেই দলের নেতাদের বিরুদ্ধে কামান দাগেন। তার ফলে বি জে পি-র ঘরে-বাইরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। অন্য রাজনৈতিক নেতারাও আদবানির মন্তব্য হাতিয়ার করে বি জে পি-র বিরুদ্ধে আক্রমণ শানায়। এমন পরিস্থিতিতে পড়ে দলের চাপে এবং আর এস এস-র নির্দেশে আদবানি তাঁর মন্তব্য প্রত্যাহার করে নেন নয়তো নিজেই পিছিয়ে যান। নিজের অবস্থানে টিকে থাকতে পারেন না। একবার তো বি জে পি-র প্রবীণ নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি এমন হুমকি দিয়ে বসলেন যে, তিনি দলের কোনো স্তরের সদস্যপদে আর থাকবেন না। কিন্তু চাপে পড়ে শেষ অবধি সেখান থেকেও পিছিয়ে গেলেন। এটা ঠিক, এভাবেই মন্তব্য করে আবার তা প্রত্যাহার করে নিয়ে নিজেও দলে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন। দলও তাঁকে ক্রমে ক্রমে গুরুত্বহীন করে কার্যত কোণঠাসা করে রেখেছে। ফলে দিনের পর দিন বর্ষীয়ান এই নেতার মনে ক্ষোভ জমছে। এই জমা ক্ষোভ থেকেই এক এক সময় তিনি ফুঁসে উঠছেন। অতি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে ফুঁসে উঠেছেন। এমন এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেছেন যে, দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গেছে। তিনি প্রকাশ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, দেশে আবার জরুরি অবস্থা জারির মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। বি জে পি-র এই প্রবীণ নেতা প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী যাই বলুন না কেন তাতে রাজনৈতিক মহল ও সংবাদমাধ্যম গুরুত্ব না দিয়ে পারে না। আদবানির নিশানা কোথায় সেটাও তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন। বলেছেন, ‘‘আমরা মোদী সরকারের মধ্যে দেখছি স্বৈরতন্ত্রের লক্ষণ। বর্তমান পরিস্থিতিতে, সাংবিধানিক ও আইনি রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও গণতন্ত্রকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে এমন শক্তিগুলি যথেষ্টই শক্তিশালী”। আদবানির বক্তব্য ঘিরে দলের মধ্যে শোরগোল পড়ে যায়। রাজনৈতিক দলগুলির আক্রমণের নিশানায় চলে আসেন স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী। সমালোচনা এবং আর এস এস-র নির্দেশে আদবানি তাঁর মন্তব্য থেকে সরে যান। বলেন, বিষয়টি তিনি ওভাবে বলতে চাননি, অর্থাৎ বিরোধীরা যেভাবে ব্যাখ্যা করছেন তেমনভাবে তিনি বলেননি। আদবানি এখন তাঁর বক্তব্য অস্বীকার করার চেষ্টা করলেও সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক দলগুলি কিন্তু তা মানতে চাইছে না। তাদের ব্যাখ্যা, আর ক’দিন পরেই আসছে এ-বছরের ২৫শে জুন। ১৯৭৫ সালের ২৫শে জুন মধ্যরাতে ভারতে জারি হয়েছিল অভ্যন্তরীণ জরুরি অবস্থা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সরকার জেলে পুরেছিল তাঁর কট্টর সমালোচক বিরোধী নেতাদের। কণ্ঠরোধ করেছিল সংবাদমাধ্যমের। ২১ মাস ভারতীয় গণতন্ত্রের অন্ধকারতম পর্যায় দেশবাসীর উপর চেপে বসেছিল। আগামী ২৫‍‌শে জুন সেই অন্ধকারতম দিনগুলিরই ৪০তম বর্ষপূর্তি। ‘মোদী-সরকারের মধ্যে স্বৈরতন্ত্রের লক্ষণ দেখছেন’ বলে কি আদবানি সেই জরুরি অবস্থার আশঙ্কার কথাই স্মরণ করিয়ে দিলেন? আদবানি একই সঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন, জরুরি অবস্থা আবার ফিরে আসবে না এমন কথা জোর দিয়ে আমি বলতে পারছি না। মনে রাখা দরকার, বি জে পি অতীতে জরুরি অবস্থার বিরোধিতা করলেও বর্তমানে দেশে ক্ষমতাসীন একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের নেতাদের মধ্যে বিশেষ করে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে ক্ষমতার দম্ভের যে বহিঃপ্রকাশ ঘটছে তাতে একটা স্বৈরাচারী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের এক বছরের কাজের ফিরিস্তির মধ্যে পদে পদে যে ব্যর্থতা প্রকাশ্যে আসছে, সমা‍‌লোচনার মুখে তাতে সরকারের দিশাহারা দিকটাই বেরিয়ে পড়ছে। ক্ষমতার দম্ভের মধ্যেই স্বৈরাচারী প্রবণতার রাজনৈতিক উপাদান লুকিয়ে থাকে। বর্ষীয়ান নেতা আদবানি সম্ভবত সে-দিকটাই উপলব্ধি করে জরুরি অবস্থার দিনের কথা উল্লেখ করে দল ও দেশবাসীকে সতর্ক করতে চেয়েছেন।**********************************EDITORIAL OF GANASHAKTI


No comments: