RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Tuesday, June 23, 2015

SAFFRONISATION OF EDUCATION - মগজে গৈরিক হামলা **************************মুজাফরনগরের দাঙ্গা নিয়ে দু’ঘণ্টা ২০মিনিটের তথ্যচিত্র। ইন দিনো মুজাফরনগর। এখনও মুক্তি পায়নি। নির্মাতা শুভদীপ চক্রবর্তী মারা গিয়েছেন এক বছর হতে চললো। তবু ইন দিনো মুজাফরনগর পায়নি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশানের অনুমোদন। সেন্সর বোর্ডে সরকারী হস্তক্ষেপ। প্রতিবাদে চেয়ারপার্সন পদ থেকে লীলা স্যামসনের পদত্যাগ। ইস্তফায় বোর্ডের অন্য সদস্যরা। পুনের ফিল্ম ইনস্টিটিউটের গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে গজেন্দ্র চৌহানের নিয়োগ। ছাত্রদের ধর্মঘট। ঋত্বিক ঘটকের ছবি নিয়ে ছাত্রদের প্রতিবাদ। ‘গো ব্যাক চৌহান! ঘটক ইস হিয়ার’। চৌহান সরে যান, এই প্রতিষ্ঠানে ঋত্বিক পড়াতেন। মোদী সরকারের একবছর। সরকারের মদতে তীক্ষ্ণ হচ্ছে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ। আর এস এসের রাজনৈতিক শাখা বি জে পি আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্রকে সঙ্ঘের ‘হিন্দু রাষ্ট্রে’ রূপান্তরিত করতে তৎপর। চলছে রামজাদা হারামজাদা, ঘর ওয়াপসি, লাভ জিহাদের মতো সাম্প্রদায়িক অভিযান। ভিন্ন ধর্মের বিয়েকে দেখানো হচ্ছে কলঙ্কিত করে। বিকৃত করা হচ্ছে ইতিহাস। জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে ইতিহাসের বদলে পুরাণ, দর্শনের বদলে আধ্যাত্মিকতাকে। আর এস এসের পেটোয়া বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন বিমান, অ্যাটোম বোমা ছিল প্রাচীন, হিন্দু ভারতে। চিকিৎসাবিজ্ঞান এতটাই উন্নত ছিল যে প্লাস্টিক সার্জারি পর্যন্ত হতো। হাতির মাথা মানুষের ঘাড়ে বসিয়ে যেমন গনেশ। চিন্তার জগতে সন্ত্রাস। মগজে গৈরিক হামলা। উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানে বসানো হয়েছে পরিচিত আর এস এসের লোকদের। চলছে স্কুলের পাঠক্রম, দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির চরিত্র ও বিন্যাস বদল। সর্বশেষ ভারতীয় ইতিহাস গবেষণা পরিষদ থেকে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানুষদের বাধ্য করা হয়েছে সরে যেতে। পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াই সুদর্শন রাও। অখিল ভারতীয় ইতিহাস সংকলন যোজনার সভাপতি, যা চালায় আর এস এস, দিল্লি দপ্তর থেকে। ‘অযোধ্যা ও ইতিহাস’ শীর্ষক এক প্রবন্ধে তিনি খোলাখুলি জানিয়েছেন তাঁর পছন্দের কথা। উগ্র হিন্দুত্বের পক্ষে তাঁর কট্টর অবস্থান। রাও লিখেছেন, ধর্মীয় নেতা থেকে চিন্তাবিদ বা ইতিহাসবিদ থেকে প্রত্নতত্ত্ববিদ, তাঁদের তিনটি ভাগ রয়েছে। একাংশ হিন্দুত্বের আদর্শে বিশ্বাসী। আরেক অংশ মসজিদের পক্ষে সওয়ালে ব্যস্ত থাকে। তৃতীয় একটি অংশ রয়েছে যারা এই দু’পক্ষের মধ্যে মীমাংসায় বিশ্বাসী। মুসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষে এই ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘প্রগতিশীল’ ইতিহাসবিদরা প্রচার চালিয়ে থাকে। যারাই হিন্দুদের পক্ষে তাদেরই মৌলবাদী বলে গালও দেয় এই অংশ। পাশাপাশি, সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের লক্ষ্যে ঘৃণা ছড়ানোর মতো বক্তৃতা দিয়ে চলেছেন সরকারের মন্ত্রী, সাংসদরা। নেওয়া হয়নি কোনও পদক্ষেপ। গীতা এখন সরাসরি স্কুলের সিলেবাসে। মধ্যপ্রদেশের রাজ্য গেজেটে নির্দেশিকা। নবম থেকে একাদশ শ্রেণীর ‘বিশেষ হিন্দি’র পাঠ্যতালিকায় থাকবে গীতার বিভিন্ন পর্ব। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বাড়ছে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা। এমনকি ঘটছে দাঙ্গার ঘটনা। বাড়ছে মুসলিমদের উপর আক্রমণ। খ্রিষ্টান গির্জার উপর হামলা। খোলা বার্তা, মুসলিমদের বিরুদ্ধে কুৎসা করো। সুকৌশলে তুলে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের ভোটাধিকারের প্রশ্ন। নিষিদ্ধ করো গরুর মাংস বিক্রি। এমনকি নিষিদ্ধ করো ষাঁড় হত্যা। গুজরাটে ভুঁয়ো সংঘর্ষে হত্যা মামলায় বি জে পি সভাপতি অমিত শাহ-সহ বাকিরা বেকসুর খালাস। অন্যদিকে তিস্তা শীতলবাদকে হেনস্তা। ২০০২, গুজরাট গণহত্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে অবিশ্রান্ত লড়াইয়ের কারণে তিস্তা একদিকে গুজরাট পুলিসের টার্গেট। অন্যদিকে, অপরাধীকে বাঁচাতে শিকারী কুকুরের মতো তৎপরতা। একদিকে তাঁকে হেনস্তা। অন্যদিকে গুরুতর ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত পুলিস অফিসারদের পুনর্বহাল।********************EDITORIAL OF GANASHAKTI


No comments: