RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Sunday, June 21, 2015

RACHPAL SINGH - উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী, বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহের সঙ্গে একসারিতে ঠাঁই পেলেন পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী রচপাল সিং। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার ঐ সদস্য প্রকাশ্যে পুলিশের পদসেবা গ্রহণ করলেন। রাজ্য সচিবালয়ে শিল্পী রামকিঙ্কর বেইজের প্রতিকৃতিতে মালা দিতে গিয়ে জুতো খোলেন রচপাল সিং। মালা দেওয়ার পর মন্ত্রীর পায়ে জুতো পরিয়ে দেন তার নিরাপত্তা রক্ষী। সর্বস্তরের পুলিশ প্রশাসন বর্তমানে রাজ্যের শাসকদলের আজ্ঞাবহে পরিণত হয়েছে। প্রকাশ্যে মন্ত্রী পায়ের জুতোয় দড়ি বেঁধে দেওয়া সেই দলদাসত্বেরই একটি নিদর্শন। মায়াবতী উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন হেলিকপ্টার থেকে নামার পর তাঁর জুতো পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন সঙ্গী নিরাপত্তা অফিসার। সমস্তরকম রীতি, নীতি, প্রশাসনিক কাঠামোকে উপেক্ষা করে এই দাসত্বকে উপভোগ করেছিলেন মায়াবতী। এই ধরনের দাসত্বের আরো নজির দেখা গেছে লালুপ্রসাদ যাদব এবং রাজনাথ সিংহকে কেন্দ্র করে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের ঘটনা এই প্রথম। প্রকাশ্যে মন্ত্রীর জুতোর ফিতে বাঁধছে যে পুলিশ তারই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গোপনে শাসকদলের বেআইনি নির্দেশ পালন করছে। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এই দলদাসবৃত্তির সূচনা। রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি সাংবাদিক বৈঠক চলার সময় শাসকদলের নেতার টেলিফোন নির্দেশে বয়ান বদলে দিয়েছিলেন। মাওবাদীদের শিলদা ক্যাম্পে অস্ত্র লুটের সঙ্গে তথ্য প্রমাণ ছাড়াই সি পি আই (এম)-কে জড়িয়ে দেন ঐ ডিজি। পরবর্তীকালে অবসরের পর ঐ মিথ্যা বয়ানের পুরস্কারও তিনি পেয়েছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের মধ্য দিয়ে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে কালীপুজোর অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে প্রসাদ পেয়েছেন। আবার ঐ কমিশনারকেই সরে যেতে হয়েছে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযান করার অপরাধে। তৃণমূল দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হন কলকাতা পুলিশের এক অফিসার। তৃণমূলের বরো চেয়ারম্যান সরাসরি অভিযুক্ত ছিলেন ঐ খুনের সঙ্গে। পুলিশকর্মীর ঐ মৃত্যুর পর বাহিনীর চাপে বাধ্য হয়ে কমিশনার ঐ দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে। কিন্তু কমিশনার রেহাই পাননি মুখ্যমন্ত্রীর রোষ থেকে। এসব ঘটনাই পুলিশ কর্তাদের শাসকদলের আজ্ঞাবহে পরিণত করেছে। এবারের কলকাতা কর্পোরেশন নির্বাচনে থানার ওসি থেকে কমিশনার পর্যন্ত নীরবে দেখেছেন ভোটলুট। কারণ ভোট সন্ত্রাস বন্ধ করার সাহস হারিয়েছে পুলিশবাহিনী। সারদা চিট ফান্ড কেলেঙ্কারিতে তৃণমূল নেতাদের নাম যাতে ফাঁস না হয় সেজন্য রাজ্য পুলিশের বশংবদ অফিসাররা শেষ চেষ্টা করেছে। রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের অনুসন্ধান থেকে স্পষ্ট হয়ে গেছে তারা তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের স্পর্শ করতে চাননি। সি বি আই তদন্ত শুরু হওয়ার পর যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে তাকে আড়াল করা হয়েছিল রাজ্য পুলিশের তদন্তে। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পসে গন্ডগোল বাধানোর জন্য দায়ী টি এম সি পি কর্মীদের গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। গ্রেপ্তার হলেও তারা অল্পসময়ে জামিন পেয়েছে নবান্নের নির্দেশে। অধ্যক্ষ, অধ্যাপক, উপাচার্য, প্রধান শিক্ষক এঁরা নির্যাতিত হলেও পুলিশ নির্বিকার। কারণ, নবান্নের নির্দেশে চোখ বুজে থাকতে হচ্ছে পুলিশকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, নাগরিক নিরাপত্তা দেওয়ার অধিকার বা সাহস নেই পুলিশের। এরাজ্যের পুলিশকে তৃণমূলের দলদাস হিসেবে তাদের স্বার্থরক্ষা করতে হচ্ছে। উচ্চপদস্থ অফিসারদের শাসকদলের আজ্ঞাবহন করা আর সাধারণ পুলিশকর্মীর মন্ত্রীকে জুতো পরিয়ে দেওয়া সমার্থক হয়ে উঠেছে। - See more at: http://ganashakti.com/bengali/news_details.php?newsid=68165#sthash.wIc48CuR.dpuf

No comments: