RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Monday, June 8, 2015

NARENDRA MODI BLUFFS PEOPLE - এক বছর যাবৎ প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশে কতটা সময় কাটিয়েছেন, তা নিয়ে নানা ধরনের রঙ্গ-রসিকতা চালু আছে সোসাল নেটওয়ার্ক সাইট থেকে রাজনৈতিক মহলে। একই সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে তাঁর রাজনৈতিক ডিগবাজি নিয়েও। ২০১২সালের ২০শে সেপ্টেম্বর খুচরো ব্যবসায়ে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের বিরোধিতা করে ভারত বন্ধ ডেকেছিল বি জে পি। দলের নেতা নীতীন গড়কড়ি ওই বিলকে কৃষক-বিরোধী বলে তকমা দিয়েছিলেন। এর কয়েকদিন পর লোকসভায় সেই সময়ের বিরোধী দলনেতা সুষমা স্বরাজ ওই বিলের বিরুদ্ধে প্রস্তাব এনেছিলেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগঘন ভাষায় সুষমা বিদ্রুপ করেছিলেন, ‘‘গরিব কৃষকের বোনের বিয়ের কথা কি ভাববে ওয়ালমার্ট? ওরা কি ওই কৃষকের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাবে? ওরা কি উপলব্ধি করতে পারবে গরিব কৃষকের চোখের জল কিংবা ওঁর ক্ষুধাকে?’’ ২০১৩সালে দলের অবস্থানে উৎসাহিত হয়ে রাজস্থানে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া। সেই বিরোধী অবস্থানে রাজস্থানে ব্যবসা গুটিয়ে নেয় বেশ কয়েকটি বিদেশি সংস্থা। কিন্তু অদ্ভুত পরিহাস! এই সেদিন মোদী মন্ত্রিসভা ইউ পি এ সরকারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নীতিকে দু’হাত তুলে সমর্থন জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মাল্টি-ব্রান্ড খুচরো ব্যবসায়ে ৫১শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা নেই। এসব দেখে কেউ কেউ টিপ্পনি কাটছেন, ‘এখন বোধহয় সেই বেচারা কৃষকের বোনের বিয়ের ব্যবস্থা বা তাঁর ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানোর বন্দোবস্ত করে দিয়েছে ওয়ালমার্ট।’ আবার সরকারের এ হেন কাণ্ডকারখানা বা ভোলবদলের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে বেশ মজার যুক্তি শুনিয়েছেন বি জে পি মুখপাত্র জি ভি এল নরসিমা রাও। তাঁর ভাষায়, ‘‘দল হিসাবে আমাদের অবস্থানের কোনো বদল ঘটেনি, আমরা এখনও ওইসবের বিরোধী। ওই বিল গৃহীত হয়েছে সংসদে এবং সেই সময় তা সমর্থন করেনি বি জে পি। তবে এগুলি এখন আইনে পরিণত হয়ে গেছে। আর নতুন করে সেই আইনের বদল ঘটাতে গেলে ভুল বার্তা পৌঁছে যাবে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে। ওরা আগের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বজায় রাখার ব্যাপারেই আগ্রহী।’’ অবশ্য জমি অধিগ্রহণ বিলের ক্ষেত্রে পৃথক অবস্থান নিয়েছে মোদী সরকার। এক নতুন বিল চালু করতে চাইছেন মোদী। অথচ ইউ পি এ সরকারও জমি অধিগ্রহণ বিল এনেছিল সংসদে। মোদী সেই বিলের কিছু গ্রহণ করেছেন আবার কিছু তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত। এক বছর পূর্তিতে সম্ভবত আরও কিছু নতুন ঘোষণা শোনা যাবে মোদীর মুখে। এক বছরে সমাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পের গালভরা কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু এক্ষেত্রেও দুর্ঘটনাজনিত বিমা, জীবন বিমা বা পেনশন প্রকল্প ইউ পি এ আমলের বলেই জানাচ্ছেন অনেকে। এক্ষেত্রেও কোনো নতুনত্ব দিতে পারেননি মোদী। কংগ্রেস-বি জে পি’র তিক্ত রাজনৈতিক সম্পর্কের মধ্যেও নীতিগত প্রশ্নে ফারাক খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রশ্নে, উদারবাদী অর্থনীতি চালিয়ে নিয়ে ব্যাপারে দু’দলের মধ্যে যে নীতিগত পার্থক্য নেই, তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিন্দুকেরা বলছেন, আসলে এদের কৌশলের কোনো পার্থক্য নেই। যখন বিরোধী তখন জোরালো বিরোধিতা করো। আর যখন সরকারে তখন দু’হাত তুলে সমর্থন জানাও।

No comments: