RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Sunday, June 21, 2015

MODI-SUSHAMA-BASHUNDHARA RAJE SINDHIA - ললিতকাণ্ডে অভিযুক্তদেরপক্ষেই দাঁড়াচ্ছে বি জে পি নয়াদিল্লি, ১৯শে জুন— ললিত মোদী কাণ্ডে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের ইস্তফার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলো বি জে পি। একই সঙ্গে, এই প্রথম দলের সর্বভারতীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরারাজে সিন্ধিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে বলা হলো, কোনো অন্যায়ের ঘটনা ঘটেনি। জালিয়াতি, তছরূপের দায়ে অভিযুক্ত ললিত মোদীর পাশে দাঁড়ানোর এবং ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের একের পর এক তথ্য সামনে আসার পরেও বি জে পি দুই নেত্রীর পাশেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতে অভিযুক্ত এবং ‘পলাতক’ ললিত মোদীর ভিসার ব্যবস্থা করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী। এই ঘটনায় রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক মহলে প্রবল আলোড়ন উঠলেও এর মধ্যে দোষের কিছুই খুঁজে পাচ্ছে না বি জে পি নেতৃত্ব। শুক্রবার দলের দপ্তরে মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, কোনো আইনি, পদ্ধতিগত অন্যায় ঘটেনি। দুর্নীতির সংজ্ঞার মধ্যে এ ঘটনা পড়ে না। এ সম্পর্কে বিরোধীদের অভিযোগ হাস্যকর। তারা তিলকে তাল করছে। ভারতে অভিযুক্ত এবং ‘পলাতক’ ললিত মোদীর ভিসার ব্যবস্থা করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনিও ললিত মোদীর ভিসা জোগাড়ে সুপারিশ করেছেন। এ সংক্রান্ত নথি স্বয়ং ললিত মোদীই প্রকাশ করেছেন। বসুন্ধরারাজের পুত্রের হোটেল ব্যবসায়ে টাকাও ঢেলেছেন ললিত মোদী। তিনদিন ধরে আপাত-দ্বিধা দেখালেও এদিন বি জে পি মুখপাত্র বলেন, সিন্ধিয়ার বিরুদ্ধে যে নথির কথা বলা হচ্ছে তা এখনও পরীক্ষিত না। তবে, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দলের নেতৃত্বের যে আলোচনা চলছে তা স্বীকার করে মুখপাত্র বলেন, দলের নেতাদের কাছে সিন্ধিয়া যা ব্যাখ্যা করার করেছেন। ‘প্রমাণ কিছু নেই’, এই দাবিই এদিন বারংবার করতে থাকেন বি জে পি-র মুখপাত্র। বসুন্ধরারাজের পুত্র এবং দলের সাংসদ দুষ্মন্ত্য সিংয়ের ব্যবসা নিয়ে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলা হয়েছে, এ কোনো গোপন বিষয় নয়। সাংসদের আয়কর রিটার্নেও এই তথ্য দেওয়া রয়েছে। কোনো বেআইনি ব্যাপার ঘটেনি। তীব্র সমালোচনার মুখেও সুষমা-বসুন্ধররাজের পাশে দাঁড়ানোর এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত পাকা হয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং দলের সভাপতি অমিত শাহের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করার পরে সরাসরি অভিযুক্তদের সপক্ষেই সওয়াল করার সিদ্ধান্ত হয়। আর এস এস নেতাদের সঙ্গেও শাহ কথা বলেছেন। সিন্ধিয়ার শুক্রবার পাঞ্জাবে যাবার কথা ছিলো। সেখানে রাজনাথ এবং অমিত শাহের সঙ্গে একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিলো তাঁর। সিন্ধিয়া যাননি, সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে ‘পিঠের ব্যথার জন্য’ চিকিৎসকরা না যেতেই পরামর্শ দিয়েছেন। এ নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনা হলেও পরে দেখা যায় বি জে পি নেতৃত্ব সিন্ধিয়ার পাশেই থাকছেন। রাজনৈতিক মহলে খবর, ললিত মোদীর ঘটনায় সুষমা-সিন্ধিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে বলে বি জে পি নেতারা মনে করছেন। একদা রাজস্থান এবং ভারতীয় ক্রিকেট মহলে প্রবল প্রতিপত্তিশালী এবং বিপুল বাণিজ্যিক সম্পত্তির মালিক ললিত মোদীর তূণে আরো অনেক তীর রয়েছে। বিপদ বুঝলে তিনি তা ছুঁড়তেও পারেন এমন ইঙ্গিত দিয়েই রেখেছেন। বসুন্ধরারাজে যে তাঁর হয়ে সওয়াল করেছিলেন, একথা ফাঁস করে ললিত মোদী বার্তা দিয়েছেন তাঁর অন্যান্য যোগাযোগের কথাও এভাবেই প্রকাশ হতে পারে। সেই তালিকায় বি জে পি-র সর্বোচ্চ নেতারাও পড়বেন বলে আশঙ্কা করেই এই ঘটনা নিয়ে বেশি না ঘাঁটানোর পথেই যাচ্ছেন বি জে পি নেতারা। সুষমা স্বরাজ ভিসার ব্যাপারে যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন তা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অনুমতিক্রমেই কিনা, এ প্রশ্নও উঠেছে। সি পি আই (এম) নেতা সীতারাম ইয়েচুরি সংশয় প্রকাশ করে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী এই কেলেঙ্কারি নিয়ে নীরব কি এই কারণেই? কংগ্রেস শুক্রবার জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী মুখ না খুললে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সংসদের বাদল অধিবেশনে এই প্রসঙ্গ নিয়ে তোপের মুখে পড়তে হবে সরকারকে। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ললিত মোদীর ‘গভীর আঁতাতের’ অভিযোগও তোলেন। রমেশের অভিযোগ, অমিত শাহের সঙ্গেও ললিত মোদীর যোগাযোগ ছিলো। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি গৌতম আদানির সঙ্গে ললিত মোদীর যোগসাজশ রয়েছে।

No comments: