RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Friday, June 19, 2015

ARPITA GHOSH AND KUNAL GHOSH - তাহলে কি এখনো আইনে রেট্রোস্পেকটিভ এফেক্টের সুযোগ রয়ে গেলো? সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্ন শুনে অমিত মিত্র বললেন, আর্থিক প্রতারণার বিষয়ে কমিশন অব এনকোয়ারি অ্যাক্ট (১৯৫২) অনুসারে একটাই কমিশন আমাদের এখানে গঠিত হয়েছিলো, সেটা শ্যামল সেন কমিশন। সেই কমিশন সরকারের কাছে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে সুপারিশ করেনি। তাই ঘটে যাওয়া অপরাধে এই আইন প্রয়োগের আর কোনো প্রশ্নও রইলো না। বিরোধীরা বারবার দাবি করলেও শ্যামল সেন কমিশনের রিপোর্ট রাজ্য সরকার এখনো প্রকাশ্যে আনেনি। এই কমিশন গঠন করেই মমতা ব্যানার্জি এর মাধ্যমে চিট ফান্ডে প্রতারিতদের টাকা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। প্রতিদিন রাজ্যের কোনো না কোনো প্রান্তে চিট ফান্ডে প্রতারিত এজেন্ট ও আমানতকারীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আর সরকারের পক্ষে তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে নতুন আইনে প্রতারকদের সম্পত্তি বিক্রির কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু সেই আশ্বাসের যে কোনো ভিত্তিই নেই এদিন অমিত মিত্রের কথায় তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। এদিন বিধানসভায় সরকারপক্ষের তিন মন্ত্রী বিলের পক্ষে সওয়াল করে বলেছেন, রাজ্য সরকার প্রতারিতদের টাকা ফেরাতে আন্তরিক সদিচ্ছা আছে বলেই বারবার বিধানসভায় বিল নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। সূর্য মিশ্র তাঁদের বলেন, প্রতারিতদের টাকা ফেরানোর জন্য বিলের চেয়েও বেশি প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা। আর্থিক প্রতারণার মামলায় আপনাদের একমন্ত্রী জেলে গেলেন, সঙ্গে সঙ্গে আইনমন্ত্রী তদন্তের বিরুদ্ধে মিছিলে নামলেন, এমনই আপনাদের সদিচ্ছা। মিশ্র বলেন, বামফ্রন্ট সরকারের সদিচ্ছা ছিলো। সেই কারণেই তারা হাইকোর্টে জনস্বার্থে মামলা করে প্রচলিত প্রতারণাবিরোধী আইনের সাহায্যেই প্রতারক আর্থিক সংস্থাগুলির সম্পত্তি নিলাম করে টাকা ফেরানোর ব্যবস্থা করেছিলো। সদিচ্ছা যদি থাকতো তাহলে আপনারাও তাই করতেন। সে পথে আপনারা এগোননি।

No comments: