RESIST FASCIST TERROR IN WB BY TMC-MAOIST-POLICE-MEDIA NEXUS

(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Wednesday, July 31, 2013

BANKING INDUSTRY IN INDIA

Ganashakti

প্রচলিত গণ্ডি ভেঙে বেরিয়ে আসার এটাই সন্ধিক্ষণ

সুদীপ্ত সাহারায়

বিশ্বায়ন পরবর্তী দুই দশকেরও বেশি সময়ে ঠিকাদারের অধীনে শ্রমিক নিয়োগ ব্যাঙ্ক শিল্পেও এক ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। সমস্ত শিল্পের উৎপাদন ব্যবস্থার মতো ব্যাঙ্ক শিল্পের পরিষেবা অব্যাহত রাখতে এই ক্যাজুয়াল ও এজেন্সি নিযুক্ত আউটসোর্সড শ্রমিক-কর্মচারীদের ভূমিকা অপরিসীম। সংগঠিত শ্রমিক-কর্মচারীদের অন্যান্য ট্রেড ইউনিয়নের মতোই ব্যাঙ্ক শিল্পের সামগ্রিক ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনও মালিক/কর্তৃপক্ষ/সরকারের এই অন্যায় আচরণ কখনও মেনে নেয়নি।

একটি স্ট্রাটেজিক শিল্প হিসাবে ব্যাঙ্ক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের লড়াই-সংগ্রামের দি‍‌কে প্রতিবাদী মানুষ সবসময় তাকিয়ে থাকেন। কারণ খুবই স্বাভাবিক —এই শিল্পের সর্বস্তরের শ্রমিক-কর্মচারীদের ঐক্য, আন্দোলনের ধারাবাহিকতা ও প্রত্যাঘাত করার ক্ষমতা। সন্দেহ নেই, ব্যাঙ্ক শিল্পের কর্মচারী আন্দোলনের শক্তি আগামীদিনে এই শিল্পের সঙ্গে অস্থায়ী ও ঠিকাদারি প্রথায় যুক্ত হয়ে পড়া ক্রমবর্ধমান শ্রমিক ও শ্রমিক-কর্মচারীদের উপর বহুলাংশে নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। অনেকের ধারণা ব্যাঙ্ক শিল্পের নন-কোর ব্যাঙ্কিং এর কাজগুলোই কেবল আউটসোর্স করা হচ্ছে। তা কিন্তু নয়, কোর-ব্যাঙ্কিং কাজকর্মও ব্যাপক পরিমাণে নানান মডেলে আউটসোর্সড কর্মচারীরাও অর্জন করে চলেছে প্রত্যাঘাত করার ক্ষমতা। এই কর্মচারীরা কেবল মজুরি শ্রমিকই নন: এরা ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ বিজনেস ফেসিলিটেটর যারা কোর ব্যাঙ্কিং কাজের সঙ্গে যুক্ত ও আয় হিসেবে কমিশন পান। কিংবা, বিজনেস করেসপন্ডেন্ট হিসেবে ব্যাঙ্কের সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ কোন সংস্থা যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিয়োজিত শ্রমিকরা কোর ব্যাঙ্কিং কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যাঙ্কের পরিষেবা দেন; বিনিময়ে তারা কমিশন বা মজুরি পাবেন। 

অবশ্যই ব্যাঙ্ক শিল্পের অভ্যন্তরে ব্যাঙ্কের স্থায়ী কর্মচারীরা আউটসোর্সিং-এর বিরুদ্ধে যে অবস্থান ঘোষণা করেছেন তার যৌক্তিকতা ও তার বিরুদ্ধে লড়াইকে তীব্রতর ও ব্যাপকতর করার প্রয়োজনীয়তা এতে এক বিন্দুও কমে না। বরং কী কৌশলে কর্মচারীরা আউটসোর্সিং-এর বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে তার অন্বেষণ তাদের চাকরির নিরাপত্তার স্বার্থেই নিরলসভাবে করে যেতেই হবে। কিন্তু কর্মচারীদের সমস্ত প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ সত্ত্বেও আউটসোর্সিং হচ্ছে আর তাই বলে আউটসোর্সিং-এর মধ্য দিয়ে শ্রমজীবী মানুষের যে অংশ ব্যাঙ্ক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ছেন তাদের সম্পর্কে ব্যাঙ্ক শিল্পের স্থায়ী কর্মচারীদের সংগঠন ও আন্দোলন কোন নেতিবাচক মনোভাব দেখাতে পারে না। ব্যাঙ্কশিল্পে এজেন্সি নিযুক্ত ঠিকা কর্মী, ব্যাঙ্কের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ বিজনেস ফেসিলিটেটর বা বিজনেস করেসপন্ডেন্টদের নিযুক্ত কর্মীদের যদি সামগ্রিক শ্রমজীবী মানুষের একাংশ মনে করা হয় তাহলে তাদের জীবিকার সংগ্রামের সঙ্গে, তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে দীর্ঘ ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলনের একান্ত গর্বের মনন, মেধা, অভিজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতা এক স্বাভাবিক ও সহজাত যোগসূত্রে আবদ্ধ হতে পারবে না কেন। এককথায় আউটসোর্সিং-‍‌বিরোধী লড়াই, শূন্যপদে স্থায়ী কর্মচারী নিয়োগের দাবিতে লড়াই আর আউটসোর্সড কর্মচারীদের জীবিকার লড়াই এই তিনটি সংগ্রাম একটি অভিন্ন বৃহত্তর সংগ্রামের এক একটি অংশ; কেউ কারও থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, একই সূত্রে গাঁথা।

প্রান্তিক শ্রমজীবী জনতার সংগঠন ও শাণিত চেতনার মধ্যেই আছে সম্ভবত আজকের শ্রেণী সংগ্রামের বিকাশ ও গুণগত উত্তরণের চাবিকাঠি — সংগঠিত শিল্পের সচেতন ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী-সংগঠকেরা এই সামাজিক গতিশীলতাকে মেনে নিলে যে দায় তাদের উপর বর্তায় তা হলো এই সামাজিক গতিশীলতাকে আজকের ট্রেড ইউনিয়ন তথা শ্রমিক আন্দোলনের চালিকা শক্তিতে রূপান্তরিত করার দায়। বস্তুত, আজ প্রান্তিক শ্রমজীবী মানুষের ন্যূনতম অধিকার সম্পর্কিত দাবিগুলি, তাদের জীবনের সমস্যাগুলি এক অব্যর্থ দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ায় দলমত নির্বিশেষে সমস্ত শ্রমিক ও কর্মচারী সংগঠনের মূল এজেন্ডায় উঠে আসছে। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ও ২০-২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ প্রান্তিক শ্রমজীবী মানুষের জীবিকার দাবিতে, তাদের মানুষের মতো বাঁচার দাবিতে যে অভূতপূর্ব ঐক্য পরিলক্ষিত হয়েছে তা এদেশের শ্রমিক আন্দোলনের উন্নততর পর্যায়ের সূত্রপাত বললে অত্যুক্তি হবে না। 

ব্যাঙ্কশিল্প সংগঠিত শিল্প, এই শিল্পের আউটসোর্সড কর্মচারীরা অসংগঠিত শিল্পের শ্রমিক হিসেবে পরিগণিত না হলেও এরা বৃহত্তর অর্থে এই অংশের শ্রমজীবীদেরই অংশ। ব্যাঙ্কে ব্যাঙ্কে স্থায়ী কর্মচারীদের সংগঠন তথা ট্রেড ইউনিয়নকেই সার্বিক উদ্যোগ নিয়ে এই অংশের শ্রমজীবীদের সংগঠিত করে তাদের শ্রমিক আন্দোলনের চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত করার দায় আন্তরিকভাবে পালন করতে এগিয়ে আসতে হবে। এই প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা আরও ত্বরান্বিত ও সংগঠিত উপায়ে হওয়া জরুরী বলে মনে করছে ব‌্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ ফেডারেশন (পশ্চিমবঙ্গ)। ২০১১ সালের ১৬ই মার্চ এক কনভেনশনের মাধ্যমে এই রাজ্যে ব্যাঙ্ক শিল্পে নিয়োজিত ঠিকা কর্মীদের সংগঠিত করার লক্ষ্যে গঠিত ব্যাঙ্ক কন্ট্রাকচ্যুয়াল অ্যান্ড কন্ট্রাক্ট ওয়ার্কমেন ইউনিয়ন, ওয়েস্ট বেঙ্গল এর প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে কলকাতার, শ্যামপুকুরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মঞ্চে ৪ঠা আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯-৩০ মিনিটে সারা রাজ্য থেকে অন্তত ৬০০ জন এই অংশের শ্রমিক-কর্মচারী এই সম্মেলনে তাঁদের জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে মত বিনিময় করবেন। এই সম্মেলন সংগঠিত করার সময় বি ই এফ (পশ্চিমবঙ্গ) কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন হিসাবে সি ‌আই টি ইউ’র ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করছে। 

গত শতাব্দীর নয়ের দশকে ব্যাঙ্ক শিল্পে যখন আউটসোর্সড কর্মচারী নিয়োগ শুরু হয় তখন তাদের সংগঠিত করতে সি ‌আই টি ইউ’র ভূমিকা, তাদের আন্দোলনে কার্যকরী নেতৃত্বের প্রতি বি ই এফ (পশ্চিমবঙ্গ)-এর যথাসম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলেই অনুভব করছিলেন বাস্তব প্রয়োজনের কারণে ব্যাঙ্ক শিল্পের অভ্যন্তরে ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের ট্রেড ইউনিয়ন এই আউটসোর্সড কর্মচারীদের সংগঠিত করে নিলে লড়াই পরিচালনায় বাড়তি সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। সংগঠিত ট্রেড ইউনিয়নগুলো বিভিন্ন শিল্পে এই ঠিকা কর্মচারীদের ভরসা জোগাবার জন্য এগিয়ে আসছে। তাদের পক্ষেই ঐ অংশের শ্রমজীবীদের ভরসাস্থল হয়ে ওঠা সম্ভব। ইতিহাসের পথ পরিক্রমায় আর কোন বিকল্পও নেই, থাকতেও পারে না। 

ব্যাঙ্কশিল্পে এই ভরসাস্থল হয়ে ওঠার যথার্থ যোগ্যতা অর্জনে আমাদের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এই পরীক্ষায় আমরা যেন উত্তীর্ণ হতে পারি। ঐ অংশের শ্রমিকের বিধিসম্মত ন্যূনতম মজুরি পি এফ, ই এস আই, গ্রাচুইটি, বোনাস, ছুটি, অ্যালাউন্স, ন্যায্য কাজের ঘণ্টার দাবিতে এবং ছাঁটাই, গুণ্ডাবাহিনীর নিত্য নৈমিত্তিক হামলা প্রতিরোধে এজেন্সি, মূল নিয়োগকর্তা হিসেবে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের বিধিসম্মত দায়িত্ব পালনের দাবিতে ডেপুটেশন, ডেমনস্ট্রেশন সংগঠিত করা, বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তিতে শ্রম কমিশনারের হস্তক্ষেপ দাবি করা, ঠিকা শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষার দাবিতে লড়াই সংগ্রাম ইত্যাদি ব্যাঙ্কের স্থায়ী কর্মচারীদের তাদের ট্রেড ইউনিয়নের কাছে যাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। এই দায়িত্ব পালনে ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলনের সংগঠকেরা ব্যর্থ হলে তাদের হয়ে অন্য লক্ষ্য রাখতে হবে কোন সামাজিক শক্তি এই কর্তব্য পালন করতে এগিয়ে আসবে না। যা শ্রমিক-কর্মচারীদের, তা একান্তই শ্রমিক-কর্মচারীদের তাদের শ্রেণীগত। 

আজ কর্পোরেট পুঁজির লাগামহীন স্বেচ্ছাচারিতার যুগে, ধ্বংস অর্থনীতি আর ক্ষত-বিক্ষত রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক পটভূমিতে এক বোধহীন পরিমণ্ডলে সংগঠিত কর্মচারীদের এই শ্রেণীগত দায়িত্ব পালনের ঐতিহাসিক তাৎপর্য অপরিসীম। আবারও ব‍‌লি, ব্যর্থ হলে সংগঠিত ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন সীমাবদ্ধতার গণ্ডিতে গুমরে মরবে। পদে পদে গিলে খাবে মানুষের বাকি জীবনটুকুকে। নেমে আসবে চরম নৈরাজ্যবাদ-ফ্যাসিবাদ সন্ত্রাস আর লুম্পেন সংস্কৃতির একাধিপত্য। শ্রেণী সচেতন ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন তার নেতৃত্ব, সংগঠক ও কর্মীদের চলতি গণ্ডি ভেঙে বেরিয়ে আসার এটাই সন্ধিক্ষণ।

- See more at: http://ganashakti.com/bengali/news_details.php?newsid=44473#sthash.PgYR1oSj.dpuf


III TIER PANCHAYAT ELECTION IN WEST BENGAL

Ganashakti

নির্বাচনের নামে

ছলে বলে কৌশলে পঞ্চায়েত নির্বাচন জিততে হবে। এই ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের আসল স্লোগান। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই স্লোগানকে কাজে পরিণত করতে অনেকটাই সফল হয়েছে শাসকদল। নির্বাচনের নামে গণতন্ত্র ধ্বংসের উৎসব করেছে তৃণমূল। মনোনয়নের সময় সন্ত্রাস, ভোট গ্রহণের দিন বুথ দখল এবং ভোট গণনার কেন্দ্রেও ভোট লুট। তৃণমূলের আক্রমণে প্রাণ হারাতে হয়েছে বামপন্থী কর্মীদের। এই হলো ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ছবি। এই পদ্ধতিতে পাওয়া নির্বাচনের ফলাফলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উচ্ছ্বসিত। কিন্তু উচ্ছ্বসিত হওয়ার আগে তৃণমূল নেত্রী কি ভেবে দেখেছেন কিভাবে তিনি এই ফলাফল পেলেন? ভোটের আগে থেকেই ভোটে জেতা শুরু করেছিল তৃণমূল। রাজ্য নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন পর্বের সময় থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চেয়েছিল। কিন্তু শাসকদল তথা রাজ্য সরকারের বাধায় তা সম্ভব হয়নি। ফলে অনুব্রত মণ্ডল এবং আরাবুল ইসলামের মতো তৃণমূল নেতাদের দলবলের তাণ্ডবে সুষ্ঠুভাবে মনোনয়ন দাখিলই সম্ভব হয়নি। গ্রাম বাংলায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে নির্বাচনের আগেই ৫৩৫৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত আসন, ৮৭৯টি পঞ্চায়েত সমিতির আসন এবং ১৫টি জেলা পরিষদ আসন দখল করে তৃণমূল। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর বামপ্রার্থীদের অনেককে গ্রামছাড়া করেছে তৃণমূল। মনোনয়ন দাখিলের পরেও প্রত্যাহারের জন্য বামপন্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে তৃণমূল। গ্রামাঞ্চলে বামপন্থী সমর্থক পরিবারগুলিকে ধারাবাহিক শাসানি দিয়েছে তৃণমূল। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ সত্ত্বেও রাজ্য নির্বাচন কমিশন বাইকবাহিনীর তাণ্ডব বন্ধ করতে পারেনি। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও শাসকদল ও প্রশাসনের প্রশ্রয়ে বাইকবাহিনী ভোটের শেষ দিন পর্যন্ত তৎপর ছিল।

তৃণমূল নেতৃত্ব বুঝতে পেরেছিল, গত দু’বছরের শাসনে মানুষ অনেকটাই বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছে। শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে চলেছে এরাজ্যে। মানুষ ভুগছেন নিরাপত্তাহীনতায়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘ‍‌টেছে। সারদা গোষ্ঠীর চিট ফান্ড কেলেঙ্কারিতে সর্বস্বান্ত ‍ হয়েছে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ। এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীর নাম। এই দুটি বিষয় ছাড়াও ঋণের দায়ে কৃষক আত্মহত্যা, রেগায় কাজ না পাওয়ার মতো বহু ঘটনা শাসকদলের পক্ষে অস্বস্তিকর হয়ে পড়েছিল। এই অবস্থায় তৃণমূল নেত্রী কোনোও ঝুঁকি নিতে চাননি। বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটিগুলির ওপর পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ সংগঠিত করেছে তৃণমূলীরা। ভোটের আয়োজন নিয়ে রাজ্য সরকার-আদালত-কমিশনের মধ্যে আইনি বিবাদ চ‍‌লেছে। শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে শীর্ষ আদালত কমিশনের মতকেই গ্রহণ করেছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসেছে। কিন্তু সেই উপস্থিতি ছিল প্রায় আনুষ্ঠানিক। তৃণমূলের সন্ত্রাস বন্ধ করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়নি। অপরদিকে রাজ্যের পুলিস প্রশাসনকে ব্যবহার করা হয়েছে অনুব্রত-আরাবুলদের মদত দিতে। এই পরিবেশ পরিস্থিতিতে নির্বাচনের ফলে গ্রামবাংলার মানুষের মতামতের স্বাভাবিক প্রতিফলন ঘটেনি। শাসকদল ধাপে ধাপে এই নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করার চেষ্টা করেছে। এমনকি গণনাকেন্দ্রেও চূড়ান্ত বেনিয়ম হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষে এই অরাজকতা রোখা সম্ভব হয়নি। বামপন্থী বা তৃণমূল-বিরোধী এজেন্টদের গণনাকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। শাসকদলের এজেন্ট, পুলিসের একাংশ এবং গণনাকর্মীদের একাংশ নির্বাচনের ফলই বদলে দিয়েছে। এই সন্ত্রাসের মধ্যেও গ্রামবাংলার মানুষ তৃণমূলের নীতি ও কাজের বিরোধিতা করেছেন। যেসব অঞ্চলের ভোট সন্ত্রাসের কবলে পড়েনি সেখানে জনমত বামপন্থীদেরই সমর্থন জানিয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে জেলা পরিষদ, তিন স্তরেই অনেকগুলি জেলাতে তৃণমূল-বিরোধী মতামতের প্রতিফলন দেখা গেছে।

- See more at: http://ganashakti.com/bengali/news_details.php?newsid=44471#sthash.FpqBwIx3.dpuf


Telengana ignites fresh and intensified separate statehood movement in Darjeeling hills - The Economic Times

Telengana ignites fresh and intensified separate statehood movement in Darjeeling hills - The Economic Times

Telengana ignites fresh and intensified separate statehood movement in Darjeeling hills - The Economic Times

Telengana ignites fresh and intensified separate statehood movement in Darjeeling hills - The Economic Times

Opposition bleeds in post-poll attacks in North 24-Parganas - The Times of India

Opposition bleeds in post-poll attacks in North 24-Parganas - The Times of India


According to the home ministry’s data, somewhere in India, every third day, a woman becomes a victim of an acid attack. Yet, despite the alarming rate at which lives are corroded, the government has done little to deal with this most horrific crime.- Hindustan Times

Stop acid attacks: lend your voice - Hindustan Times


Land sharks eye two wetlands in Kolkata - Hindustan Times

Land sharks eye two wetlands in Kolkata - Hindustan Times


Land sharks eye two wetlands in Kolkata - Hindustan Times

Land sharks eye two wetlands in Kolkata - Hindustan Times


Sunday, July 28, 2013

AIKS 33RD ALL INDIA CONFERENCE BEGINS IN CUDDALORE

July 28, 2013

AIKS 33RD ALL INDIA CONFERENCE BEGINS IN CUDDALORE

'Unitedly Fight Back Corporatisation of Agriculture'

N S Arjun

THE 33rd national conference of the All India Kisan Sabha (AIKS) began in Cuddalore, Tamilnadu, with a stirring call to the peasantry of the country to unitedly fight back the process of corporatisation of agriculture deliberately unleashed by the UPA-II government. It also pledged to strive to build a powerful united kisan movement against the anti-farmer neo-liberal policies of the government.

The 33rd conference proceedings began on July 24, 2013 at Comrade Harksihan Singh Surjeet Nagar with the ceremony of handing over of Red flag and memorial torches brought from different parts of Tamilnadu. The AIKS Red flag, brought from Thenpari in Thanjavur district, where the first unit of Kisan Sabha was formed in the state, was handed over to AIKS general secretary K Varadharajan by AIAWU former state president G Veeraiayan. The Venmani martyrs memorial torch commemorating the martyrdom of 44 dalit agricultural labourers torched to death by landlords in Kilvenmani village in 1968, was handed over to leader of opposition in Bengal assembly Dr Surjya Kanta Mishra by Kisan leader and CPI(M) MLA R Ramamurthy. Similarly, other torches were handed over to AIKS leaders Bajuban Reyang, E P Jayarajan and Noorul Huda. 670 delegates and observers are attending the conference.

Veteran Marxist leader and freedom fighter N Sankaraiah, who worked as president and general secretary of the AIKS in the past, hoisted the AIKS flag amidst shouts of 'Veera Vanakkam! Veera Vanakkam!' (Red Salute, Red Salute!) by delegates and volunteers. With Safdar Hashmi troupe rendering revolutionary songs, the delegates marched past the martyrs column paying homage to the countless martyr comrades from the past and the present. The backdrop of the stage in the conference hall – rechristened  as Venmani Martyrs Hall – was a tribute to the glorious struggles of peasants and agricultural workers in 1940 in East Thanjavur. The hut in which the martyrs were burnt by the landlords was recreated, with paintings depicting the flames.

Delivering his presidential address, AIKS president S Ramachandran Pillai said the free market policies being implemented in the country for nearly three decades have increased the pace of disappearance of the peasant agriculture. At the same time these policies have established the domination of large-scale agri-business corporations in the sector. Landlessness is growing at a faster pace as can be seen from the fact that the percentage of landless households in the rural areas today has reached 41 per cent while in 1992 it was 22 per cent. Pillai charged that the central government is deliberately adopting these policies with the aim of making agriculture unviable so that the small peasants sell their lands and thus facilitate corporatisation of agriculture.

In this context he cited how the cost of all agricultural inputs have spiralled out of control, especially seeds which are now under the total control of profit-hungry private companies. The government's dubious intention is made further clear by its  stout refusal to increase the minimum support price as per the formula suggested by Dr M S Swaminathan Commission. Coupled with this is the free entry of highly subsidised agri imports due to various free trade agreements the Indian government is entering into.

Due to such policies, the peasants, agricultural workers and the common people of the country are experiencing the adverse impacts. Over 3 lakh farmes have committed suicide and they are still continuing with two peasants resorting to this step in every one hour. There is growing unemployment and MNREGA has failed to address this problem. The number of hungry is increasing and as per Global Hunger Index prepared by the World Bank, India stands at a dismal 67th rank out of 79 countries. Our position in terms of underweight children is much worse – 128th rank out of 129 with Timor Leste alone behind us! Pillai traced such a dire situation to the deliberate choice of policies by the UPA-II government.

Allowing FDI into retail sector would adversely affect the interests of small and medium producers, consumers and traders. It will also affect our food security due to changes in cropping pattern, which will be dictated by the MNCsm he said. Manmohan Singh government's talk of second green revolution is nothing but unbridled promotion of corporatisation of agriculture by such measures. In such a scenario, the AIKS calls for greater unity among the Left peasant and agricultural workers organisations to fight for alternative policies for agricultural development. Such policies would be centred around the interests of agricultural workers and poor and middle peasants who constitute the overwhelming majority among the peasantry. Pillai said AIKS will also rally other democratic peasant organisations in this struggle even as it continues to build united struggles with the working class and other toiling masses.

AIKS (4 Windsor Place) general secretary Atul Kumar Anjan in his fraternal speech said that unless agriculture sector is put in order the entire economy of the country will not recover from the crisis it is experiencing. Despite such a cruciality of the sector, the UPA-II government is bent on pushing it into greater crisis. He condemned the government's refusal to discuss the recommendations of Dr M S Swaminathan Commission although they were submitted in 2006. He reciprocated the need for joint, united struggles of kisans like the ones being waged by the working class. Only through such united movements can the scenario in rual India be changed, he felt.

N Sankaraiah in his brief speech gave a call to reject both Congress and BJP which pursue similar policies and project an alternative based on struggles around people's issues. Praising the comrades of Bengal for the heroic battle they are waging against the monstruous attacks by Trinamool Congress goons, Sankaraiah said one way of supporting Bengal comrades is by expanding the Party in other parts of the country.

AIKS joint secretary N K Shukla placed the condolence resolution in which tributes were paid to Jyoti Basu, Samar Mukherjee, M K Pandhe, Ramnarayan Goswami, N Varadarajan as also to scores of comrades martyred in Bengal. 

Reception Committee president K Balakrishna delivered welcome address. A Resolution moved by AIKS joint secretary Vijoo Krishnan opposing government's decision to allow FDI into agriculture was unanimously adopted by the conference.

(July 24, 2013)



CPI(M) to Conduct Save Democracy Campaign

July 28, 2013

POLIT BUREAU COMMUNIQUE

CPI(M) to Conduct Save Democracy Campaign

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) held a meeting on July 20, 2013 at New Delhi. It issued the following statement.

Food Security Ordinance

BY using the most undemocratic route of an ordinance for the Food Security Bill, the UPA government wants to impose its writ on parliament.

The ordinance, as the bill before it, legalises the targeted system by automatically excluding 50 per cent of urban population and 25 per cent of rural population from its ambit at a time when in many states the coverage of the population is near universal. The present 35 kg entitlement to the BPL (below poverty line) families will now be cut down by 10 kg to just 25 kg for a five member family and even less if the family is smaller. This is punishment for a state like Kerala where the family size may be three or four and therefore the entitlement will be only 15 kg to 20 kg. The CPI(M) had demanded that the minimum should be 35 kg per household and increased if there are more members, but the government has preferred to cut down on existing entitlements. This is food insecurity, not security.

The bill is highly centralised and gives all powers to the centre and all responsibilities including a substantial share of the financial responsibility to the states. The ordinance ordains that the entire process of identification of beneficiaries according to guidelines yet to be issued by the central government has to be completed within 180 days. This has been done without any consultation with the states. The ordinance, in a mischievous addition, gives the central government the right to introduce cash schemes instead of food in the rules as and when it decides, in other words to impose its anti-people scheme even if the state governments oppose it.

The CPI(M) will move concrete amendments to the bill to make it universal  with a  minimum entitlement of 35 kg at maximum two rupees a kg (rice and wheat) and move for deletion of all the centralising clauses and make it mandatory to consult the state governments on all issues of cost sharing. It will also move for deletion of the clauses in relation to cash transfers and linkages with AADHAR.

Harmful Economic Measures

The Polit Bureau sharply criticised the measures being adopted by the UPA government in order to tackle the deteriorating economic situation in the country. The UPA government is bent upon increasing the reliance on foreign capital as shown by the recent announcement to increase the FDI level in various sectors.

The decision to double the price of natural gas from April 2014 is a blatant move to enrich the Reliance company. This price increase should be rescinded.

The Polit Bureau condemned the repeated increase in the price of petrol. In the last six weeks, petrol prices have been increased four times totalling Rs 6.50 per litre. This has only further fuelled price rise and hiked up the retail inflation rate.

Modi’s Vitriolic Campaign

The Polit Bureau condemned the communal overtones in the speeches and remarks made by BJP leader Narendra Modi. This has exposed the pretence that his “development agenda” is the main plank for the forthcoming Lok Sabha election campaign.

The CPI(M) demands that the role of Narendra Modi as the chief minister of Gujarat during the communal violence against the minorities in 2002, including the false encounters, be properly investigated and necessary action be initiated.

J&K Atrocity The Polit Burea

u expressed its deep concern at the recurring incidents of excesses by security forces in Jammu & Kashmir. The latest instance is the firing by BSF personnel on protesters in Ramban district in which four people were killed and many injured.

The central government has failed to implement the measures which are required to remove the repressive security apparatus affecting the people, which include a reduction in the deployment of the army and security forces and the repeal of the Armed Forces Special Powers Act (AFSPA) from most parts of the state. 

Brazen Attacks in West Bengal

The panchayat elections in West Bengal are witnessing a brazen and massive attack on democracy. Till now, three phases of the panchayat elections have been held. These polls have been marred by large-scale booth capturing, false voting, blockade of villages and violent attacks on opposition candidates and their polling agents. Hundreds of booths were captured in West Midnapore, Bankura, Burdwan, Hooghly, East Midnapore, and North & South 24 Parganas. In Burdwan district alone, 890 booths were fully or partially captured and the polling rigged. The state police have remained bystanders or connived in the rigging efforts. The central police forces were not deployed at the polling stations in violation of the High Court and Supreme Court orders.

Even before the polling, around six thousand Left Front candidates were not allowed to file nominations. So far, 19 CPI(M) and Left Front members and supporters have been killed.

What is being witnessed in West Bengal is an outright attack on democracy and democratic rights. The ruling Trinamul Congress is threatening the State Election Commission and making open calls to incite violence against the opposition.

The Polit Bureau of the CPI(M) strongly condemns this violence and terror campaign launched by the Trinamul Congress.

Save Democracy Campaign

The Polit Bureau decided to call for a countrywide campaign to “Save Democracy and to Defeat the Violence and Terror in West Bengal.” All party units will conduct this campaign on August 7, 2013. This campaign will inform the people about the murder of democracy in West Bengal and mobilise support to demand a halt to the violence and terror. The Polit Bureau appealed to all democratic forces in the country to condemn the TMC’s violent campaign to suppress the Left Front and the opposition in West Bengal.

Kerala CM Should Resign

The solar panel scam in Kerala is not an ordinary case of fraud and cheating. The involvement of some of the staff in the chief minister’s office with the scamsters has come out; one of them has been arrested. The links of the chief minister Oommen Chandy with this affair have also surfaced. The LDF has demanded the resignation of the chief minister and holding of a judicial enquiry in the light of this exposure. 

The Polit Bureau condemned the brutal police repression unleashed against the protests. It endorsed the demand for chief minister’s resignation and supported the call for an indefinite struggle to achieve this demand.  

Successful Strike

The Polit Bureau congratulated the workers of the Neyveli Lignite Corporation in Tamilnadu for their successful 13-day united strike.  As a result of this struggle and the stand taken by the AIADMK government, the five per cent disinvestment of shares will not take place and the shares will be transferred to public sector undertakings of the state government.

Central Committee Meeting

The Polit Bureau decided to hold the next meeting of the Central Committee on August 17 and 18, 2013 at New Delhi.






CPI(M) to Conduct Save Democracy Campaign

July 28, 2013

POLIT BUREAU COMMUNIQUE

CPI(M) to Conduct Save Democracy Campaign

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) held a meeting on July 20, 2013 at New Delhi. It issued the following statement.

Food Security Ordinance

BY using the most undemocratic route of an ordinance for the Food Security Bill, the UPA government wants to impose its writ on parliament.

The ordinance, as the bill before it, legalises the targeted system by automatically excluding 50 per cent of urban population and 25 per cent of rural population from its ambit at a time when in many states the coverage of the population is near universal. The present 35 kg entitlement to the BPL (below poverty line) families will now be cut down by 10 kg to just 25 kg for a five member family and even less if the family is smaller. This is punishment for a state like Kerala where the family size may be three or four and therefore the entitlement will be only 15 kg to 20 kg. The CPI(M) had demanded that the minimum should be 35 kg per household and increased if there are more members, but the government has preferred to cut down on existing entitlements. This is food insecurity, not security.

The bill is highly centralised and gives all powers to the centre and all responsibilities including a substantial share of the financial responsibility to the states. The ordinance ordains that the entire process of identification of beneficiaries according to guidelines yet to be issued by the central government has to be completed within 180 days. This has been done without any consultation with the states. The ordinance, in a mischievous addition, gives the central government the right to introduce cash schemes instead of food in the rules as and when it decides, in other words to impose its anti-people scheme even if the state governments oppose it.

The CPI(M) will move concrete amendments to the bill to make it universal  with a  minimum entitlement of 35 kg at maximum two rupees a kg (rice and wheat) and move for deletion of all the centralising clauses and make it mandatory to consult the state governments on all issues of cost sharing. It will also move for deletion of the clauses in relation to cash transfers and linkages with AADHAR.

Harmful Economic Measures

The Polit Bureau sharply criticised the measures being adopted by the UPA government in order to tackle the deteriorating economic situation in the country. The UPA government is bent upon increasing the reliance on foreign capital as shown by the recent announcement to increase the FDI level in various sectors.

The decision to double the price of natural gas from April 2014 is a blatant move to enrich the Reliance company. This price increase should be rescinded.

The Polit Bureau condemned the repeated increase in the price of petrol. In the last six weeks, petrol prices have been increased four times totalling Rs 6.50 per litre. This has only further fuelled price rise and hiked up the retail inflation rate.

Modi’s Vitriolic Campaign

The Polit Bureau condemned the communal overtones in the speeches and remarks made by BJP leader Narendra Modi. This has exposed the pretence that his “development agenda” is the main plank for the forthcoming Lok Sabha election campaign.

The CPI(M) demands that the role of Narendra Modi as the chief minister of Gujarat during the communal violence against the minorities in 2002, including the false encounters, be properly investigated and necessary action be initiated.

J&K Atrocity The Polit Burea

u expressed its deep concern at the recurring incidents of excesses by security forces in Jammu & Kashmir. The latest instance is the firing by BSF personnel on protesters in Ramban district in which four people were killed and many injured.

The central government has failed to implement the measures which are required to remove the repressive security apparatus affecting the people, which include a reduction in the deployment of the army and security forces and the repeal of the Armed Forces Special Powers Act (AFSPA) from most parts of the state. 

Brazen Attacks in West Bengal

The panchayat elections in West Bengal are witnessing a brazen and massive attack on democracy. Till now, three phases of the panchayat elections have been held. These polls have been marred by large-scale booth capturing, false voting, blockade of villages and violent attacks on opposition candidates and their polling agents. Hundreds of booths were captured in West Midnapore, Bankura, Burdwan, Hooghly, East Midnapore, and North & South 24 Parganas. In Burdwan district alone, 890 booths were fully or partially captured and the polling rigged. The state police have remained bystanders or connived in the rigging efforts. The central police forces were not deployed at the polling stations in violation of the High Court and Supreme Court orders.

Even before the polling, around six thousand Left Front candidates were not allowed to file nominations. So far, 19 CPI(M) and Left Front members and supporters have been killed.

What is being witnessed in West Bengal is an outright attack on democracy and democratic rights. The ruling Trinamul Congress is threatening the State Election Commission and making open calls to incite violence against the opposition.

The Polit Bureau of the CPI(M) strongly condemns this violence and terror campaign launched by the Trinamul Congress.

Save Democracy Campaign

The Polit Bureau decided to call for a countrywide campaign to “Save Democracy and to Defeat the Violence and Terror in West Bengal.” All party units will conduct this campaign on August 7, 2013. This campaign will inform the people about the murder of democracy in West Bengal and mobilise support to demand a halt to the violence and terror. The Polit Bureau appealed to all democratic forces in the country to condemn the TMC’s violent campaign to suppress the Left Front and the opposition in West Bengal.

Kerala CM Should Resign

The solar panel scam in Kerala is not an ordinary case of fraud and cheating. The involvement of some of the staff in the chief minister’s office with the scamsters has come out; one of them has been arrested. The links of the chief minister Oommen Chandy with this affair have also surfaced. The LDF has demanded the resignation of the chief minister and holding of a judicial enquiry in the light of this exposure. 

The Polit Bureau condemned the brutal police repression unleashed against the protests. It endorsed the demand for chief minister’s resignation and supported the call for an indefinite struggle to achieve this demand.  

Successful Strike

The Polit Bureau congratulated the workers of the Neyveli Lignite Corporation in Tamilnadu for their successful 13-day united strike.  As a result of this struggle and the stand taken by the AIADMK government, the five per cent disinvestment of shares will not take place and the shares will be transferred to public sector undertakings of the state government.

Central Committee Meeting

The Polit Bureau decided to hold the next meeting of the Central Committee on August 17 and 18, 2013 at New Delhi.






The civic corporation may not have the money to buy pumps to keep the streets dry this monsoon, but the mayor has forked out Rs 5 crore in a jiffy to beautify the park where chief minister Mamata Banerjee takes her evening walks.

Cash-strapped Kolkata civic corporation allots Rs 5 crore to beautify Mamata's evening-walk park - Times Of India

The civic corporation may not have the money to buy pumps to keep the streets dry this monsoon, but the mayor has forked out Rs 5 crore in a jiffy to beautify the park where chief minister Mamata Banerjee takes her evening walks.

Cash-strapped Kolkata civic corporation allots Rs 5 crore to beautify Mamata's evening-walk park - Times Of India

The civic corporation may not have the money to buy pumps to keep the streets dry this monsoon, but the mayor has forked out Rs 5 crore in a jiffy to beautify the park where chief minister Mamata Banerjee takes her evening walks.

Cash-strapped Kolkata civic corporation allots Rs 5 crore to beautify Mamata's evening-walk park - Times Of India

Girl shot dead by stalkers in West Bengal: Report

Girl shot dead by stalkers in West Bengal: Report

Monday, July 22, 2013

বাসন্তীর গ্রাম ঘিরে তৃণমূলের উন্মত্ত তাণ্ডব প্রায় ৫০বাড়িতে আগুন, লুট শতাধিক বাড়ি-দোকান, ধর্ষণ গৃহবধূকে

Ganashakti




বাসন্তীর গ্রাম ঘিরে তৃণমূলের উন্মত্ত তাণ্ডব প্রায় ৫০বাড়িতে আগুন, লুট শতাধিক বাড়ি-দোকান, ধর্ষণ গৃহবধূকে

Ganashakti




তিনজনকে খুন করেছেন,মুণ্ডু কাটবেন, দুর্বৃত্তের ভাষায় জানালেন তৃণমূল বিধায়ক

Ganashakti


শাসক দলের বিভিন্ন নেতা, জনপ্রতিনিধি, সাংসদ গত দুই বছরে নানা উপলক্ষে এমন অনেক কথা বলিয়াছেন, এমন নানা আচরণ করিয়াছেন, যাহা স্বাভাবিক সৌজন্য বা সভ্যতার ন্যূনতম শর্তও পূরণ করে না। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দলীয় নেতৃত্ব বা সরকারি কর্তৃত্ব শাস্তি দূরস্থান তিরস্কারের আয়োজনও করে নাই।

আনন্দবাজার পত্রিকা - সম্পাদকীয়


HOUSES OF RSP SUPPORTERS BURNT DOWN AT GOSABAD, 24 PARGANAS BY GOONS OF MAMATA ON 21-07-2013


Houses of RSP supporters destroyed by goons of Mamata at Gosaba, South 24-Parganas on 21-07-2013

শান্তির জন্য প্রার্থনা। ছবি: সামসুল হুদা

Photo Courtesy: Anandabazar Patrika

GOSABA: নির্দেশখালিতে জ্বালিয়ে দেওয়া হল বহু বাড়িঘর। চালানো হল ভাঙচুর, লুঠপাট। মারধর, বোমাবাজিও বাদ যায়নি। কিন্তু এ বার সব কিছুকে ছাপিয়ে হামলাকারীরা এক মহিলার উপরে শারীরিক এবং যৌন নির্যাতন চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার নিন্দায় মুখর হয়েছেন গ্রামবাসীরা। গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্করের কয়েকশো অনুগামী ওই হামলা চালায়।

আনন্দবাজার পত্রিকা - দক্ষিণবঙ্গ


বিশ্বাস ভাঙলেও প্রিয় শহরকে ভুলি কী করে

আনন্দবাজার পত্রিকা - কলকাতা


দায় কার, অধীর-ফিরহাদ তরজা এক্সপ্রেসে দুষ্কৃতীর থাবা এড়াতে ঝাঁপ তরুণীর

আনন্দবাজার পত্রিকা - দক্ষিণবঙ্গ


দায় কার, অধীর-ফিরহাদ তরজা এক্সপ্রেসে দুষ্কৃতীর থাবা এড়াতে ঝাঁপ তরুণীর

আনন্দবাজার পত্রিকা - দক্ষিণবঙ্গ


Sunday, July 21, 2013

রেসকোর্সের বাইরে নালার ভিতর থেকে উঁকি মারছে ছোট্ট দুটো পা। রবিবার ভোরে এমন দৃশ্য দেখে পথচলতি মানুষ খবর দিয়েছিলেন হেস্টিংস থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জল থেকে গলার নলি কাটা অবস্থায় আড়াই বছরের এক শিশুকন্যার দেহ উদ্ধার করে। ময়না-তদন্তের পরে পুলিশ জানায়, শুধু খুন নয়, শিশুটির উপরে হয়েছে যৌন নিগ্রহও। তবে রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।

আনন্দবাজার পত্রিকা - কলকাতা


রেসকোর্সের বাইরে নালার ভিতর থেকে উঁকি মারছে ছোট্ট দুটো পা। রবিবার ভোরে এমন দৃশ্য দেখে পথচলতি মানুষ খবর দিয়েছিলেন হেস্টিংস থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জল থেকে গলার নলি কাটা অবস্থায় আড়াই বছরের এক শিশুকন্যার দেহ উদ্ধার করে। ময়না-তদন্তের পরে পুলিশ জানায়, শুধু খুন নয়, শিশুটির উপরে হয়েছে যৌন নিগ্রহও। তবে রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।

আনন্দবাজার পত্রিকা - কলকাতা


বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে যখন তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, ঠিক তখনই প্রকাশ্য সভায় এক কংগ্রেস নেতাকে কার্যত খুনের হুমকি দিলেন লাভপুরের তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। শনিবার সাঁইথিয়ার জনসভায় কংগ্রেস নেতা সব্যসাচী (বাপি) দত্তের উদ্দেশে তিনি বলেন, “নীহার দত্তের (প্রয়াত প্রাক্তন জেলা কংগ্রেস সভাপতি) ছেলে বাপি দত্ত শুনে রাখ। বাপি দত্তের মুণ্ডুটা আয়দা (আদায়) করতে আমার এক মিনিট দেরি হবে না! যদি তুমি কোনও মানুষের উপর অত্যাচার কর, তাইলে এই কাইজটা আমার পক্ষে করা খুব সহজ।”

আনন্দবাজার পত্রিকা - পুরুলিয়া


Female and fearful In Mamata's Bengal - Kashmir Times

Female and fearful In Mamata's Bengal - Kashmir Times


Female and fearful In Mamata's Bengal - Kashmir Times

Female and fearful In Mamata's Bengal - Kashmir Times


A minor girl was allegedly murdered after being raped at Race Course area in the city here, police said on Sunday. The girl, whose body was recovered this morning from the area with several injury marks, had gone missing since last night from the nearby slum area, Chandan Roy, officer-in-charge of Hastings police station, said. A case has been registered in this regard, Roy added.

Minor girl raped, murdered in Kolkata


`Vote for Mamata Banerjee, burn houses of independent candidates`

`Vote for Mamata Banerjee, burn houses of independent candidates`


`Vote for Mamata Banerjee, burn houses of independent candidates`

`Vote for Mamata Banerjee, burn houses of independent candidates`


| Video | The eternal songs of Geeta Dutt | Home Right Videos | - India Today

| Video | The eternal songs of Geeta Dutt | Home Right Videos | - India Today


| Video | The eternal songs of Geeta Dutt | Home Right Videos | - India Today

| Video | The eternal songs of Geeta Dutt | Home Right Videos | - India Today


Disillusioned with Mamata Banerjee, rape victims' families seek President Mukherjee's attention : West Bengal, News - India Today

Disillusioned with Mamata Banerjee, rape victims' families seek President Mukherjee's attention : West Bengal, News - India Today


Why Mamta Banerjee's former intellectual supporters have become disillusioned - Economic Times

Why Mamta Banerjee's former intellectual supporters have become disillusioned - Economic Times


“Bapi Dutta, it would not even take me a minute to behead you,” Monirul Islam, Trinamool MLA from Labhpur, Birbhum, said at an election rally on Saturday, adding that he had “crushed under his feet three people who had indulged in atrocities against women.”

Trinamool MLA threatens to behead Congress leader - The Hindu


The Communist Party of India (Marxist) will move “concrete” amendments to the Food Security Bill in Parliament to make the scheme universal with a minimum entitlement of 35 kg of foodgrains at a maximum price of Rs. 2 a kg (rice and wheat), and for deletion of all centralising clauses.

CPI(M) to move amendments for universal food security - The Hindu


The Communist Party of India (Marxist) will move “concrete” amendments to the Food Security Bill in Parliament to make the scheme universal with a minimum entitlement of 35 kg of foodgrains at a maximum price of Rs. 2 a kg (rice and wheat), and for deletion of all centralising clauses.

CPI(M) to move amendments for universal food security - The Hindu


Violence in Bengal on eve of 4th phase poll - The Hindu

Violence in Bengal on eve of 4th phase poll - The Hindu


Violence, malpractices mar third phase rural polls in West Bengal - The Hindu

Violence, malpractices mar third phase rural polls in West Bengal - The Hindu


West Bengal: Now, Trinamool MLA threatens to behead Congress leader

West Bengal: Now, Trinamool MLA threatens to behead Congress leader


West Bengal: Now, Trinamool MLA threatens to behead Congress leader

West Bengal: Now, Trinamool MLA threatens to behead Congress leader


WB panchayat polls: 4th phase begins with more violence, 4 killed

WB panchayat polls: 4th phase begins with more violence, 4 killed


Bombings, killings, arson mark West Bengal panchayat polls Video: NDTV.com

Bombings, killings, arson mark West Bengal panchayat polls Video: NDTV.com


पश्चिम बंगाल में राजनीतिक हिंसा, छह की मौत Video: NDTV.com

पश्चिम बंगाल में राजनीतिक हिंसा, छह की मौत Video: NDTV.com


पश्चिम बंगाल में राजनीतिक हिंसा, छह की मौत Video: NDTV.com

पश्चिम बंगाल में राजनीतिक हिंसा, छह की मौत Video: NDTV.com


Trinamool legislator threatens to behead Congress leader Video: NDTV.com

Trinamool legislator threatens to behead Congress leader Video: NDTV.com


Bengal panchayat polls: violence spirals, 2 CPM supporters found dead | NDTV.com

Bengal panchayat polls: violence spirals, 2 CPM supporters found dead | NDTV.com


The rot is now at the roots - Hindustan Times

The rot is now at the roots - Hindustan Times


Violence broke out during third phase of panchayat elections in West Bengal - Economic Times

Violence broke out during third phase of panchayat elections in West Bengal - Economic Times


Bombings, arson, killings on eve of 4th phase of Bengal panchayat polls - The Economic Times

Bombings, arson, killings on eve of 4th phase of Bengal panchayat polls - The Economic Times


Trinamool MLA threatens to behead Congress leader - Hindustan Times

Trinamool MLA threatens to behead Congress leader - Hindustan Times


The ruling Trinamool Congress terrorised the rural areas to such an extent that it has won almost 10% of the gram panchayat seats without a contest. In most cases, the opposition CPI(M) and to a smaller extent the Congress have accused the ruling party of perpetrating the violence. Prominent Trinamool leaders, including district presidents and MPs, are openly exhorting their followers to thrash and kill members of opposition parties and destroy and set fire to their homes. “It is clear that the ruling party is losing confidence in the people and in their own partymen,” said Pradip Bhattacharya, West Bengal Congress chief and Rajya Sabha MP.

'T' for terror in Bengal: Many former Left bastions now dominated by Trinamool - Hindustan Times


Bengal's countryside bleeds as panchayat polls enter 4th phase - Hindustan Times

Bengal's countryside bleeds as panchayat polls enter 4th phase - Hindustan Times


Bengal's countryside bleeds as panchayat polls enter 4th phase - Hindustan Times

Bengal's countryside bleeds as panchayat polls enter 4th phase - Hindustan Times


গ্রামবাসীরা দুষছেন বাহিনীকেই গোলমালের মধ্যেই আচমকা গুলি ফুঁড়ে দিল অমলের মাথা

আনন্দবাজার পত্রিকা - দক্ষিণবঙ্গ


পুরুষ নেই-ই, গ্রাম ছাড়ছেন মহিলারাও

আনন্দবাজার পত্রিকা - দক্ষিণবঙ্গ


জেলায় জেলায় অশান্তি, নিহত ২ মুর্শিদাবাদে

আনন্দবাজার পত্রিকা - রাজ্য


নজরে রাজ্যের কৃষি দফতর দল আসছে দিল্লি থেকে, বিশেষ অডিটের মুখে মমতার সরকার

আনন্দবাজার পত্রিকা - রাজ্য


Panchayat polls: Rape cases rise in rural Bengal, TMC on the backfoot

Panchayat polls: Rape cases rise in rural Bengal, TMC on the backfoot


Panchayat polls: Rape cases rise in rural Bengal, TMC on the backfoot

Panchayat polls: Rape cases rise in rural Bengal, TMC on the backfoot


West Bengal: CPI(M)-Cong workers clash, 4 killed - Video | The Times of India

West Bengal: CPI(M)-Cong workers clash, 4 killed - Video | The Times of India


Violence continues in North 24-Parganas - The Times of India

Violence continues in North 24-Parganas - The Times of India


Left slams Bengal govt, says administration failed to hold fair panchayat polls

Left slams Bengal govt, says administration failed to hold fair panchayat polls


Five Congress and CPI-M workers killed in pre-poll clashes in West Bengal : East, News - India Today

Five Congress and CPI-M workers killed in pre-poll clashes in West Bengal : East, News - India Today

Five Congress and CPI-M workers killed in pre-poll clashes in West Bengal : East, News - India Today

Five Congress and CPI-M workers killed in pre-poll clashes in West Bengal : East, News - India Today

3 killed in West Bengal panchayat election violence - The Hindu

3 killed in West Bengal panchayat election violence - The Hindu


Indian poll tamasha gets bloody: Election violence between Opoosition outfits gets brutal in West Bengal : North, News - India Today

Indian poll tamasha gets bloody: Election violence between Opoosition outfits gets brutal in West Bengal : North, News - India Today


West Bengal panchayat polls: 3 killed in Murshidabad ahead of fourth phase of voting | NDTV.com

West Bengal panchayat polls: 3 killed in Murshidabad ahead of fourth phase of voting | NDTV.com


Bombs, bullets, arson mark West Bengal panchayat polls | NDTV.com

Bombs, bullets, arson mark West Bengal panchayat polls | NDTV.com


Bombs, bullets, arson mark West Bengal panchayat polls | NDTV.com

Bombs, bullets, arson mark West Bengal panchayat polls | NDTV.com


WB panchayat polls violence continues; 1 killed, 2 TMC workers injured

WB panchayat polls violence continues; 1 killed, 2 TMC workers injured


সন্ত্রাস ও স্বেচ্ছাচারই তৃণমূলের বাঁচার এখন একমাত্র ভরসা

Ganashakti


পঞ্চায়েত নির্বাচনে নির্দিষ্ট পাঁচ দফার মধ্যে তিন দফায় ভোটগ্রহণ শেষ হলো। ভোটগ্রহণের দফা ভাঙার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো নিরাপত্তা জোরদার করা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে দফা ভাঙার ফায়দা লুটছে শাসক দল। শাসক দলের দুষ্কৃতীবাহিনী অত্যন্ত পরিকল্পনামাফিক এক জেলা থেকে অন্য জেলায় ঢুকছে সন্ত্রাস সৃষ্টির উদ্দেশ্যে। প্রথম দফায় বাঁকুড়ার ভোট হওয়ার পর ঐ জেলার তৃণমূল দুষ্কৃতীরা ঢুকেছে বর্ধমান ও হুগলীতে দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন। বর্ধমান ও হুগলীর দুষ্কৃতীবাহিনী তৃতীয় দফায় ঢুকেছে হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায়। অনেকটা নিরাপত্তা বাহিনীর দফাভিত্তিক জেলায় জেলায় মোতায়েনের মতো। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের চেহারা হলো টার্গেট এলাকা জুড়ে ভোটের আগে ও ভোটের দিন শাসক দলের তাণ্ডব। তিনটি দফাতেই আইনের বাধায় কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী টহলদারির সুযোগ পেয়েছে সামান্য কিছু এলাকা জুড়ে। তৃণমূলের সন্ত্রাস চলেছে বিনা বাধায় তিন দফায় ৯টি জেলাজুড়ে।

Ganashakti


Saturday, July 20, 2013

দুষ্কৃতীদের মরূদ্যান

আনন্দবাজার পত্রিকা - সম্পাদকীয়


মহিলাকে চড়, অভিযুক্ত কাউন্সিলর | MORE IS IN STORE IN COMING DAYS.

আনন্দবাজার পত্রিকা - বর্ধমান


2013 Barasat gang rape case - Wikipedia, the free encyclopedia

2013 Barasat gang rape case - Wikipedia, the free encyclopedia


SUCI IS A DALAL OF MAMATA BANERJEE: এসইউসি নেতৃত্বকে কোজলসায় যেতে নিষেধ পুলিশের

আনন্দবাজার পত্রিকা - বর্ধমান


হামলা-হুমকি-সন্ত্রাসের আবহে ভোট ব্যারাকপুরে

আনন্দবাজার পত্রিকা - দক্ষিণবঙ্গ


সোমনাথকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে স্বপন সর্দারকে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলা ১২টা নাগাদ সোমনাথ বাড়ির কাছেই গাছে লাগানো তৃণমূলের একটি পতাকা ছিঁড়ে ফেলে পাড়ার নানা লোককে সে কথা বলে বেড়াচ্ছিল। তা কানে যায় স্বপনেরও। তিনি এলাকায় তৃণমূল সমর্থক বলে পরিচিত। সোমনাথকে ‘শিক্ষা’ দিতে বাড়ির কাছেই স্বপন তাকে বেড়ধক মারধর করে বলে অভিযোগ। গ্রামের ভিতর সেই সময়ে কোনও পুলিশি টহল ছিল না। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রও ছিল অন্তত আধ কিলোমিটার দূরে।

আনন্দবাজার পত্রিকা - দক্ষিণবঙ্গ


সিপিএমের গণ-প্রতিরোধের ডাক, সরব তৃণমূলও

আনন্দবাজার পত্রিকা - রাজ্য


অনুব্রতর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, চিঠিতে কমিশনকে জানালেন মুখ্যসচিব

আনন্দবাজার পত্রিকা - পুরুলিয়া


হিংসা চলছেই, নারায়ণন জানালেন কেন্দ্রকে

আনন্দবাজার পত্রিকা - রাজ্য


West Bengal Panchayat elections: Sporadic violence during third phase panchayat election - India - DNA

West Bengal Panchayat elections: Sporadic violence during third phase panchayat election - India - DNA


স্বৈরাচার আর সাম্প্রদায়িক মতাদর্শের রণহুঙ্কার - নীলোৎপল বসু

Ganashakti


ILLEGAL RULE OF MAMATA BANERJEE

Ganashakti

বে-আইনি শাসন

মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে মা-মাটি-মানুষের সরকার কি আইনের পথে রাজ্য শাসন করছে? দু’বছর কাটতে না কাটতেই এই অত্যন্ত গুরুতর প্রশ্নটি সামনে এসে গেছে। আইন ও সংবিধানকে মান্যতা দিয়ে সংবিধান ও আইনের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করার যে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আই এ এস এবং আই পি এস আমলারা কাজে যোগ দিয়েছিলেন আজ তাদের একটা বড় অংশ হয় ভয়ে বা লোভে অথবা আনুগত্য প্রদর্শনে রাতারাতি চরিত্র বদলে ফেলেছেন। আইন-কানুন শিকেয় তুলে রেখে এরা তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের হুকুম তামিল করতেই ব্যস্ত। কাকে গ্রেপ্তার করতে হবে বা কার বিরুদ্ধে কোন্‌ কোন্‌ ধারায় অভিযোগ আনা হবে তা বাস্তবের নিরিখে হবে না, হবে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীরা কি চান তার ওপর নির্ভর করে। সেই মোতাবেক সাত্তার মোল্লারা গ্রেপ্তার হবেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হবে। এমনকি সেই অভিযোগ প্রমাণের জন্য পুলিস সব জরুরী কাজ ফেলে রেখে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়বে যাতে যত বে‍‌শিদিন সম্ভব তাদের জেলে আটকে রাখা যায়। অপরদিকে অভিযোগের অকাট্য প্রমাণ সামনে পড়ে থাকলেও আরাবুল ইসলামদের ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারে প্রবল অনীহা । শেষপর্যন্ত প্রবল জনমতের চাপে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হলেও তদন্ত এগোবে না। সাক্ষ্য প্রমাণও সংগ্রহ হবে না। এইভাবে টালবাহানা চলতে চলতে এক সময় ছাড়া পেয়ে যায় শাসক দলের অপরাধীরা। এই রাজ্যে আইনের শাসনের এটাই এখন নির্মম বাস্তবতা। এখানে শাসক দলের নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়করা প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে পুলিসকে আক্রমণ করার, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেবার নির্দেশ দিয়েও বাহবা পায়। আসলে তিনি নিজেই প্রকাশ্যে কর্মীদের এমন কাজে উৎসাহ দিচ্ছেন, উত্তেজিত করছেন।পুলিস নীরব দর্শক থাকবে। দরকারে তাদের সাহায্যও করবে।

দিদি নিজেও বার বার বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁর বক্তব্যকে আইনী প্রতিষ্ঠা দেওয়াই পুলিসের কাজ। শিলাদিত্যকে তিনি মাওবাদী বলে পুলিসকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পুলিস তখন সর্বশক্তি দিয়ে নেমে পড়ে শিলাদিত্যকে মাওবাদী প্রমাণের। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন অম্বিকেশ মহাপাত্ররা ই-মেলে তাঁকে খুনের ষড়যন্ত্র করেছেন। অতএব পুলিসের ওপর দায়িত্ব বর্তায় তাদের খুনের ষড়যন্ত্রী প্রমাণের। পুলিস হেফাজতে এস এফ আই নেতা সুদীপ্ত গুপ্তের খুনের ঘটনাকে মুখ্যমন্ত্রী পোস্টের ধাক্কায় সাধারণ মৃত্যুর তত্ত্ব হাজির করার পর দ্বিগুণ উৎসাহে পুলিস নেমে পড়ে সেই তত্ত্ব প্রমাণে। কামদুনিতে গিয়ে শুধু পোশাক দেখে মাওবাদীদের চিনতে পেরেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শেষে গোয়েন্দাবাহিনীকে মুখ্যমন্ত্রীর ‘সম্মান’ রক্ষায় কামদুনিতে মাওবাদী আছে বলে রিপোর্ট দিতে হয়েছিল। এমন যথেচ্ছাচারে বিচলিত বিচার ব্যবস্থাও। ফলে পদে পদে হস্তক্ষেপ করছে আদালত। এখন প্রায় প্রতিদিন কোন না কোন আদালতে ভর্ৎসিত বা সমা‍‌লোচিত হতে হচ্ছে সরকারকে। প্রায় প্রতিটি আইনই আদালতে ধাক্কা খাচ্ছে। কয়েকটি আইন তো সংবিধান বিরোধী বলে বাতিল হয়ে গেছে। বিভিন্ন মামলায় সরকারের বক্তব্য স্পষ্টভাবে জানাতে পারছে না সরকারী কৌঁসুলিরা। একের পর এক সরকারী নির্দেশ ও ঘোষণা আদালতে বেআইনী বলে খা‍‌রিজ হয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ হাস্যকর ঘটনা ঘটেছে হাইকোর্টে কামদুনি মামলায়। সি আই ডি দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন করেছে অথচ তদন্তের কাজই তারা শেষ করতে পারেনি। তেমনি হাইকোর্টে মামলা স্থানান্তরের দাবিতে যে আবেদন আদালতে করা হয়েছে সেই আবেদনে মামলা খারিজ করে দেবার আবেদনও রয়েছে। সত্যিই যেভাবে চলছে রাজ্য সরকার তাতে অনেকেই হাসি চাপতে পারছে না।

- See more at: http://ganashakti.com/bengali/news_details.php?newsid=43968#sthash.QQFywBUq.dpuf


ILLEGAL RULE OF MAMATA BANERJEE

Ganashakti

বে-আইনি শাসন

মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে মা-মাটি-মানুষের সরকার কি আইনের পথে রাজ্য শাসন করছে? দু’বছর কাটতে না কাটতেই এই অত্যন্ত গুরুতর প্রশ্নটি সামনে এসে গেছে। আইন ও সংবিধানকে মান্যতা দিয়ে সংবিধান ও আইনের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করার যে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আই এ এস এবং আই পি এস আমলারা কাজে যোগ দিয়েছিলেন আজ তাদের একটা বড় অংশ হয় ভয়ে বা লোভে অথবা আনুগত্য প্রদর্শনে রাতারাতি চরিত্র বদলে ফেলেছেন। আইন-কানুন শিকেয় তুলে রেখে এরা তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের হুকুম তামিল করতেই ব্যস্ত। কাকে গ্রেপ্তার করতে হবে বা কার বিরুদ্ধে কোন্‌ কোন্‌ ধারায় অভিযোগ আনা হবে তা বাস্তবের নিরিখে হবে না, হবে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীরা কি চান তার ওপর নির্ভর করে। সেই মোতাবেক সাত্তার মোল্লারা গ্রেপ্তার হবেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হবে। এমনকি সেই অভিযোগ প্রমাণের জন্য পুলিস সব জরুরী কাজ ফেলে রেখে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়বে যাতে যত বে‍‌শিদিন সম্ভব তাদের জেলে আটকে রাখা যায়। অপরদিকে অভিযোগের অকাট্য প্রমাণ সামনে পড়ে থাকলেও আরাবুল ইসলামদের ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারে প্রবল অনীহা । শেষপর্যন্ত প্রবল জনমতের চাপে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হলেও তদন্ত এগোবে না। সাক্ষ্য প্রমাণও সংগ্রহ হবে না। এইভাবে টালবাহানা চলতে চলতে এক সময় ছাড়া পেয়ে যায় শাসক দলের অপরাধীরা। এই রাজ্যে আইনের শাসনের এটাই এখন নির্মম বাস্তবতা। এখানে শাসক দলের নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়করা প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে পুলিসকে আক্রমণ করার, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেবার নির্দেশ দিয়েও বাহবা পায়। আসলে তিনি নিজেই প্রকাশ্যে কর্মীদের এমন কাজে উৎসাহ দিচ্ছেন, উত্তেজিত করছেন।পুলিস নীরব দর্শক থাকবে। দরকারে তাদের সাহায্যও করবে।

দিদি নিজেও বার বার বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁর বক্তব্যকে আইনী প্রতিষ্ঠা দেওয়াই পুলিসের কাজ। শিলাদিত্যকে তিনি মাওবাদী বলে পুলিসকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পুলিস তখন সর্বশক্তি দিয়ে নেমে পড়ে শিলাদিত্যকে মাওবাদী প্রমাণের। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন অম্বিকেশ মহাপাত্ররা ই-মেলে তাঁকে খুনের ষড়যন্ত্র করেছেন। অতএব পুলিসের ওপর দায়িত্ব বর্তায় তাদের খুনের ষড়যন্ত্রী প্রমাণের। পুলিস হেফাজতে এস এফ আই নেতা সুদীপ্ত গুপ্তের খুনের ঘটনাকে মুখ্যমন্ত্রী পোস্টের ধাক্কায় সাধারণ মৃত্যুর তত্ত্ব হাজির করার পর দ্বিগুণ উৎসাহে পুলিস নেমে পড়ে সেই তত্ত্ব প্রমাণে। কামদুনিতে গিয়ে শুধু পোশাক দেখে মাওবাদীদের চিনতে পেরেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শেষে গোয়েন্দাবাহিনীকে মুখ্যমন্ত্রীর ‘সম্মান’ রক্ষায় কামদুনিতে মাওবাদী আছে বলে রিপোর্ট দিতে হয়েছিল। এমন যথেচ্ছাচারে বিচলিত বিচার ব্যবস্থাও। ফলে পদে পদে হস্তক্ষেপ করছে আদালত। এখন প্রায় প্রতিদিন কোন না কোন আদালতে ভর্ৎসিত বা সমা‍‌লোচিত হতে হচ্ছে সরকারকে। প্রায় প্রতিটি আইনই আদালতে ধাক্কা খাচ্ছে। কয়েকটি আইন তো সংবিধান বিরোধী বলে বাতিল হয়ে গেছে। বিভিন্ন মামলায় সরকারের বক্তব্য স্পষ্টভাবে জানাতে পারছে না সরকারী কৌঁসুলিরা। একের পর এক সরকারী নির্দেশ ও ঘোষণা আদালতে বেআইনী বলে খা‍‌রিজ হয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ হাস্যকর ঘটনা ঘটেছে হাইকোর্টে কামদুনি মামলায়। সি আই ডি দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন করেছে অথচ তদন্তের কাজই তারা শেষ করতে পারেনি। তেমনি হাইকোর্টে মামলা স্থানান্তরের দাবিতে যে আবেদন আদালতে করা হয়েছে সেই আবেদনে মামলা খারিজ করে দেবার আবেদনও রয়েছে। সত্যিই যেভাবে চলছে রাজ্য সরকার তাতে অনেকেই হাসি চাপতে পারছে না।

- See more at: http://ganashakti.com/bengali/news_details.php?newsid=43968#sthash.QQFywBUq.dpuf